ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

জাতীয়

লন্ডনে জানাজা অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার দেশে আসবে গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ

প্রকাশিত: ২৩:১৮, ২১ মে ২০২২

বৃহস্পতিবার দেশে আসবে গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেষ শ্রদ্ধা জানানো ও দাফনের জন্য অমর একুশের গানের রচয়িতা, প্রবীণ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ লন্ডন থেকে বৃহস্পতিবার দেশে আসবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইস্কাটনের সরকারী বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। এদিকে শুক্রবার জুমার নামাজের পর পূর্ব লন্ডনের ব্রিক লেইন মসজিদে গাফ্ফার চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহবাহী বিমান বুধবার যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্রিটিশরা সোমবারে অফিস খুলে হাসপাতাল থেকে সার্টিফিকেট দিলে বুধবারের বিমানের ফ্লাইটে লন্ডন থেকে রওনা হয়ে তার লাশটা বৃহস্পতিবার ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ার জন্য। আমরা আমাদের লন্ডন মিশনকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। বৃহস্পতিবার প্রবাসী বাংলাদেশী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম জানান, গাফ্ফার চৌধুরীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্ত্রীর পাশে সমাহিত করা হবে। সাইদা মুনা তাসনীম আরও জানান, ব্রিটিশ-বাংলাদেশীদের ‘বাতিঘর’ গাফ্ফার চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ লন্ডনের শহীদ আলতাব আলী পার্কে নেয়ার কথা রয়েছে। লন্ডনে এসব কার্যক্রম শেষ করে বাংলাদেশ বিমানের কার্গো ফ্লাইটে তার মরদেহ দেশে পাঠানো হবে। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে তার লাশ ঢাকায় প্রেরণের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ভাষা সংগ্রামী আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মরদেহ শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হবে বলেও জানান হাইকমিশনার। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী বৃহস্পতিবার ভোরে লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান। দীর্ঘদিন লন্ডনে প্রবাস জীবন কাটানো গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে হাইকমিশনার মুনা তাসনীম বলেন, ‘আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে দেশ ও জাতি হারাল তার এক শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। ব্রিটিশ-বাংলাদেশী কমিউনিটি হারাল তাদের বাতিঘর ও অভিভাবককে।