বুধবার ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৫ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চালের উৎপাদন ও চাহিদায় বিভ্রান্তি

চালের উৎপাদন ও চাহিদায় বিভ্রান্তি
  • ড. জাহাঙ্গীর আলম

গত বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারি থেকে উপজেলা পর্যায়ে ওএমএস চালু হয়েছে। এক হাজার ৭৬০ জন ডিলারের মাধ্যমে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাল ও আটা। এর আগে থেকেই ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোতে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে সরকারী চাল ও আটা। ওএমএসের মাধ্যমে বিক্রি করা চালের দাম ৩০ টাকা কেজি এবং আটার কেজি ১৮ টাকা। ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য খাদ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও অনুরূপ মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এখন চালের মজুদ সর্বকালের সর্ববৃহৎ। সরকারী গুদামে সংরক্ষিত চালের পরিমাণ প্রায় ১৬ লাখ মে. টন। সেইসঙ্গে গম আছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মে. টন। ধান আছে ৩৮ হাজার মে. টন। সব মিলে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্যের মজুদ রয়েছে। তাছাড়াও আমন ধান কাটা কেবলই শেষ হয়েছে। বাজারে আমন ধানের চাল আসছেও। ইতোমধ্যে চাল আমদানি করা হয়েছে প্রায় পৌনে ৯ লাখ টন। গমও আমদানি করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ২০ লাখ টন। তারপরও বাজারে চাল ও আটার দাম বাড়ছে। এই মূল্য বৃদ্ধি ঠেকিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিয়ে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত ওএমএস কার্যক্রম সম্প্রসারিত করেছে সরকার।

সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ পরিবেশিত তথ্য অনুসারে ২০২০-২১ সালে মোট চাল উৎপাদন হয়েছে ৩৮৬ লাখ টন। এর আগের বছর উৎপাদন হয়েছিল ৩৬৬ লাখ টন। এবার আমন ধানের উৎপাদন ভাল হয়েছে। ন্যূনপক্ষে ১ কোটি ৫০ লাখ টন চাল যুক্ত হয়েছে আমন ধান থেকে। তাতে বাজারে চালের সরবরাহ কম আছে বলে ধরে নেয়ার কোন কারণ নেই। তারপরও বাড়ছে চালের দাম। এখন ঢাকার বাজারে মোটা চালের দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। মাঝারি চালের দাম প্রতি কেজি ৫৫-৬০ টাকা। চিকন চালের দাম ৭০-৮০ টাকা। সুগন্ধী সরু চালের দাম ১০০ টাকার ওপরে। বাংলাদেশে আমন ধান একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য। মোটা ধান উৎপাদনের ৩৭ শতাংশই আসে আমন মৌসুমে। এই মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে চালের দাম স্থিতিশীল থাকার কথা, বাড়ার কথা নয়। তদুপরি আমদানিকৃত চাল ও গমের কথা বিবেচনায় নিলে বর্তমানে চালের দ্রুত মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অস্বাভাবিকই মনে হবে। সাধারণত উৎপাদন কম হলে এবং বাজারে চালের সঙ্কট থাকলে দাম বাড়ে। কিন্তু প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে উৎপাদন ও বিতরণে কোন ঘাটতি পরিলক্ষিত হয় না।

প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য কত লাখ মেট্রিক টন চালের চাহিদা আছে? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বিভাগের হিসাব অনুসারে মাথাপিছু ১৫২ কেজি চালের প্রয়োজনীয়তা ধরে নিয়ে আমাদের বার্ষিক চালের চাহিদা নিরূপণ করা যায়। বর্তমানে দেশে ১৭ কোটি মানুষ আছে। তাতে বার্ষিক খাদ্য চাহিদা দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৮ লাখ মেট্রিক টন চাল। এর সঙ্গে বীজ ও অপচয় এবং পশুখাদ্য বাবদ ১৫ শতাংশ যোগ করে মোট চালের প্রয়োজন দাঁড়ায় ২ কোটি ৯৬ লাখ টন বা প্রায় ৩ কোটি টন। দৈনিক চালের চাহিদা আরও বেশি বিবেচনায় নিয়ে মাথাপিছু দৈনিক আধা কেজি বা বার্ষিক জনপ্রতি ১৮২.৫০ কেজি হিসেবে চালের চাহিদা দাঁড়ায় ৩ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। বীজ, অপচয় ও পশুখাদ্য হিসেবে আরও ১৫ শতাংশ যোগ করা হলে মোট চাহিদা দাঁড়ায় ৩ কোটি ৫৬ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন। এ পরিমাণ চাল আমরা প্রতিবছরই উৎপাদন করছি। এরপরও বাজারে আসছে আমদানিকৃত চাল ও গম। তারপরও মূল্য বৃদ্ধির হেতু কি? আমাদের মোট উৎপাদনের যে হিসাব প্রতি বছর দেয়া হয় তা আছে তো? ২০১৯-২০ সালে দেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ৩ কোটি ৬৬ লাখ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ৩ কোটি ৮৬ লাখ টন। তারপরও আমদানি করতে হচ্ছে বিপুল পরিমাণ চাল ও গম। ২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি করা হয়েছে ৬৭ লাখ টন চাল ও গম। এর মধ্যে চাল ১৩.৫৯ লাখ টন। এবার ইতোমধ্যেই আমদানি করা হয়েছে ২৯ লাখ টন খাদ্যশস্য। তার মধ্যে চালের পরিমাণ ৮ লাখ ৭৭ হাজার মে. টন। মোটা দাগে প্রতি বছর গড়ে আমরা চাল আমদানি করছি ১০ থেকে ১৫ লাখ টন, গম ৫০ থেকে ৬০ লাখ টন এবং ভুট্টা ২০ থেকে ২৫ লাখ টন। এরপরও আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে দাবি করছি। অপরদিকে চালের দাম, আটার দাম হুহু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাতে জীবনধারণ কঠিন হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের। সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখা যায়, চালের মূল্যস্ফীতির পরিমাণ সাধারণ মূল্যস্ফীতির চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। গত বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে চালের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১৫.৮২ শতাংশ। এ সময় সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৬৪ শতাংশ। দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে তাদের মাসিক আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যয় হয় খাদ্যের পেছনে। এ জনগোষ্ঠীর চাল ভোগের পরিমাণ অন্যদের তুলনায় বেশি। তাই চলের মূল্যস্ফীতি দরিদ্র জনগণের প্রকৃত আয় কমিয়ে দেয়। খাদ্য ব্যয় বৃদ্ধি পেলে তা মিটিয়ে অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে অন্যান্য খরচ মেটাতে তাদের হিমশিম খেতে হয়। অনেক সময় অন্য মৌলিক প্রয়োজনগুলো তাদের অপূর্ণই থেকে যায়। বর্তমানে বাজারে চালের যে দাম তা খুবই অস্বাভাবিক। প্রশ্ন হচ্ছে চালের দাম প্রতি কেজি কত টাকা হওয়া উচিত? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে চালের উৎপাদন খরচ জানা দরকার। সরকারী প্রতিষ্ঠানের হিসাবে গত আমন মৌসুমে চালের উৎপাদন খরচ ছিল প্রতি কেজি ৩৮ টাকা। ধান ২৫ টাকা। গত বোরো মৌসুমে ছিল প্রতি কেজি চালের উৎপাদন খরচ ৩৭ টাকা, ধানের ২৫ টাকা। এর সঙ্গে ২০ শতাংশ মুনাফা যোগ করা হলে ধানের প্রতি কেজি দাম ৩০ টাকা এবং চালের প্রতি কেজি দাম ৪৪ টাকা হওয়া উচিত। দেশে উৎপাদনকারী কৃষক এ দাম কখনই পায়নি। কিন্তু ভোক্তারা তারচেয়ে অনেক বেশি মূল্য দিয়ে বাজার থেকে চাল কিনে নেয়। লাভবান হয় মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবসায়ী, চালকল মালিক ও আড়তদার। তাদের কারসাজি অনুধাবন করা যায়। কিন্তু সরকারের অব্যবস্থাপনার কারণে এর প্রতিবিধান সম্ভব হয় না।

সরকার প্রতিবছর ধান/চাল সংগ্রহ করে খাদ্য মজুদ গড়ে তোলার জন্য। এর পরিমাণ গড়ে মোট উৎপাদনের ৫/৬ শতাংশের বেশি নয়। উৎপাদন মৌসুমে ধান/চালের দাম নিচে নেমে যাওয়া এবং অন্য সময় খাদ্যশস্যের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে সংগ্রহের পরিমাণ কমপক্ষে মোট উৎপাদনের ১০ শতাংশ হওয়া উচিত। বর্তমানে ধান ও গমের মোট উৎপাদন প্রায় ৪ কোটি টন। সে মোতাবেক সরকারী সংগ্রহ হওয়া উচিত কমপক্ষে ৪০ লাখ টন খাদ্যশস্য। প্রতি মাসে আমাদের দেশে গড়ে প্রায় ২৫ লাখ টন খাদ্যশস্যের প্রয়োজন হয়। এটি আমাদের ন্যূনতম মজুদ থাকা দরকার। সঙ্কটকালে চাল বিতরণ বৃদ্ধি পেলে তা যেন কোনক্রমেই সাড়ে ১২ লাখ টনের নিচে নেমে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, চালের সরকারী মজুদ ১০ লাখ টনের নিচে গেলে অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজির সুযোগ পায় এবং বাজার মূল্য বৃদ্ধির পাঁয়তারা শুরু করে। এবার আমন মৌসুমে ৩ লাখ টন ধান ও ৫ লাখ টন সিদ্ধ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৫ হাজার টন চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। ধান সংগ্রহ করা হয়েছে মাত্র ৪২ হাজার টন। অর্থাৎ এবারের সরকারী খাদ্যশস্য ক্রয়ে লাভবান হয়েছে চালকলের মালিক ও ব্যবসায়ীরা, কৃষকরা নয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় চালের ব্র্যান্ড নাম ভুয়া দেখিয়ে বেশি দামে বাজারে চাল বিক্রি করছে। উদাহরণস্বরূপ ‘মিনিকেট’ চালের কথা বলা যায়। এ নামে বাংলাদেশে কোন ধানের জাত নেই। মোটা ও মাঝারি চাল ছাঁটাই করে মিল মালিকরা ভোক্তাদের মিনিকেট বলে প্রতারণা করছে। মোটা চাল বারবার মিলে পলিশিং করা হলে তা সরু ও ঝকঝকে হয়। ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ২৯ ও ব্রি হাইব্রিড ধান ছেঁটে ও কেটে মিনিকেট বানানো হয় বলে জানা গেছে। তাতে মিলারদের লাভ হয় বেশি। আসলে মিনিকেট শব্দটা এসেছে মিনিকেট থেকে। ১৯৯৫ সালে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে ‘শতাব্দী’ জাতের ধানবীজ ও কিছু কৃষি উপকরণ একটি ছোট প্যাকেটে করে উপহার দেয়া হয়। ওই ছোট প্যাকেটটিকে বলা হতো মিনিকেট। সেখান থেকেই মিনিকেট নামের উৎপত্তি। এ নামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোন গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবিত এবং সরকার অনুমোদিত কোন জাতের ধান নেই। অটোরাইস মিল মালিকরা মোটা ধান কেটে ও ছেঁটে তা মিনিকেট বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। এখানে নাজির এবং পাইজাম চালের কথাও বলা যায়। এ জাতগুলো পুরনো। স্থানীয় জাতের ধান থেকে এ চালের উৎপত্তি। এখন এ জাতের ধান অনেকটাই বিলুপ্ত। সচরাচর এগুলোর চাষ করে না কৃষকগণ। বাজারে নাজির নামের যে চাল আসে তা স্থানীয় নাইজারশাইল বা নাজিরশাইল থেকে আসে না। ব্রি ধান ৪৯ থেকে তৈরি করা চালকে বলা হচ্ছে নাজির। এগুলো প্রতারণার শামিল। আইন করে এ ধোঁকাবাজি বন্ধ করা উচিত অবিলম্বে।

আমাদের একটা প্রবণতা আছে, খাদ্যশস্যের উৎপাদনের পরিমাণ স্ফীত করে এবং ভোগের পরিমাণ কম করে দেখানো, যাতে উদ্বৃত্ত বা স্বয়ম্ভরতা জানান দেয়া যায়। খাদ্যের জন্য আমরা পরমুখাপেক্ষী নই বলে দাবি করতে পারি। স্থিতিশীল মূল্য ও আমদানি নীতির জন্য তা ক্ষতিকর। দেশের উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের জন্যও এটা নেতিবাচক সঙ্কেত দিতে পারে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের মোট উৎপাদন ও ভোগের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ণয় করা উচিত। এক্ষেত্রে বিবিএস যে হিসাব উপস্থাপন করছে তার নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে অনেক প্রশ্ন আছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের খাদ্যশস্য উৎপাদনের হিসাব এখনও তারা প্রকাশ করেনি। এদের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেশের উৎপাদন, আমদানি ও খাদ্য বিতরণ পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রণয়ন করা দুষ্কর। ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণও হবে প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের স্বার্থে নির্ভরযোগ্য তথ্যের জন্য মাঠ পর্যায়ে সঠিক গবেষণা প্রয়োজন। তোষামোদি ও চাটুকারিতা পরিহার করে দেশবাসীর সামনে প্রকৃত তথ্য পরিবেশন করা আবশ্যক।

লেখক : বীর মুক্তিযোদ্ধা, কৃষি অর্থনীতিবিদ,

গবেষক ও শিক্ষাবিদ

শীর্ষ সংবাদ:
স্বপ্ন পূরণে ভাগ্য বদল ॥ পদ্মা সেতু নামেই ২৫ জুন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী         রোহিঙ্গারা অপরাধে জড়াচ্ছে প্রত্যাবাসন অনিশ্চয়তায়         ১৩৫ বিলাসবহুল পণ্যে ২০ ভাগ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ         আমি ত্রাস সঞ্চারি ভুবনে সহসা সঞ্চারি ভূমিকম্প...         দিনের ভোট দিনেই হবে, রাতে হবে না ॥ সিইসি         সম্রাটকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠালেন আদালত         হাতিরঝিলের পানির ক্ষতি করা যাবে না ॥ হাইকোর্ট         এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছে দুদল         মাঙ্কিপক্সের প্রবেশ রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক হতে হবে         ঢাবিতে ছাত্রলীগ ছাত্রদল সংঘর্ষ ॥ আহত ৩০         জামায়াতের সঙ্গেও সংলাপে বসবে বিএনপি ॥ ফখরুল         সিলেটে বন্যার পানি নামছে ধীরে, নানা সঙ্কট         জলাবদ্ধতা থেকে এবারের বর্ষায়ও মুক্তি মিলছে না চট্টগ্রামবাসীর         শেখ হাসিনা সরকার পাহাড়ে শান্তি ফিরিয়ে এনেছে ॥ কাদের         প্রত্যাবাসন নিয়ে রোহিঙ্গারা দীর্ঘ অনিশ্চয়তার কারণে হতাশ হয়ে পড়ছে : প্রধানমন্ত্রী         হাতিরঝিলে স্থাপনা উচ্ছেদসহ ওয়াটার ট্যাক্সি নিষিদ্ধে রায় প্রকাশ         মাদকাসক্ত সন্তানকে গ্রেফতারে বাবা-মা আসেন ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         নিয়মানুযায়ী দিনের ভোট দিনেই হবে ॥ সিইসি         রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনই স্থায়ী সমাধান         ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন