শুক্রবার ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সরকারী সহায়তা পেয়ে নওগাঁয় সরিষা চাষে ব্যস্ত কৃষক

সরকারী সহায়তা পেয়ে নওগাঁয় সরিষা চাষে ব্যস্ত কৃষক

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ খাদ্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত দেশের উত্তর জনপদের নওগাঁর জেলায় বিনামূল্যে সরকারী প্রণোদনার সার ও উন্নত জাতের বীজ পেয়ে সরিষা চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠে মাঘের হিমেল হাওয়ায় দোল খাচ্ছে সরিষা ক্ষেত। সরিষার রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত যেমন মাঠ, তেমনি বাম্পার ফলনের হাতছানিতে কৃষকের চোখেমুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। যেন সরিষার হলুদ হাসিতে স্বপ্ন দেখছে তারা। এ বছর প্রত্যেক সরিষা চাষী অধিক মুনাফা লাভ করবে বলে মনে করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মাঠে মাঠে সরিষার দৃষ্টিনন্দর হলুদ ফুল চোখ জুড়িয়ে দিচ্ছে। চারি দিক যেন হলুদের সমারোহ।

বছরের পর বছর স্থানীয় জাতের সরিষা চাষ করে ফলন কম হওয়া ও উৎপাদনে সময় বেশি লাগায় কৃষকরা সরিষা চাষ কমিয়ে দেয়। তবে গত ৩ বছর থেকে মৌসুমের শুরুতে কৃষি বিভাগ ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট’ উদ্ভাবিত অধিক ফলনশীল (উফশী) বারি-১৪ ও বারি-১৫ জাতের সরিষা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে। উন্নত জাতের সরিষা মাত্র ৫৫-৬০ দিনে ঘরে তোলা যায়। প্রতি হেক্টরে ফলন হয় প্রায় দেড় হাজার কেজি। সরিষা কেটে ওই জমিতে আবার বোরো ধান আবাদ করা যায়। এতে কৃষি জমির সর্বাধিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৪৩৫ হেক্টর। সেখানে আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৫ হেক্টর বেশি। সরিষা চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে ৮৫০ জন কৃষককে ১ কেজি উন্নত জাতের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি (ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট) ও ১০ কেজি এমওপি (মিউরেট অফ পটাশ) সার সরবরাহ করেছেন।

উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের কৃষক ক্ষিতীশ চন্দ্র, সুকুমল প্রাং ও ধর্মপুর গ্রামের কৃষক ইনছের আলীসহ কয়েকজন কৃষক বলেন, আমন ধান কাটার পর জমি তৈরি করে সরিষা আবাদ করা হয়। ৫৫-৬০ দিনের মাথায় সরিষা ঘরে আসে। ১ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে খরচ হয় ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। প্রতি বিঘায় ৭-৮ মণ ফলন হয় সরিষার, যা বর্তমান বাজারে বিক্রি হবে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অরুন চন্দ্র রায় বলেন, আমরা সরিষা চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারিভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। প্রণোদনা কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। যথাযথ পরামর্শ ও পরিচর্যার বিষয়ে কৃষকদের দিক নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে। কৃষকরা যতক্ষণ ফসল ঘরে না তুলছেন ততক্ষণ কৃষি বিভাগ তাদের পাশে থাকবে। তিনি বলেন, বারি-১৪ সরিষা বপনের মাত্র ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। কৃষকরা সরিষা উত্তোলন করে বোরো আবাদ করতে পারেন বলে এটাকে ‘ফাও ফসল’ হিসেবে অভিহিত করে থাকেন। এ জাতের সরিষা গাছ লম্বা। এর পাতা মাটিতে ঝরে পরে জৈব সারের কাজ করায় জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ে। সরিষা আবাদের পর জমিতে বোরো ধান আবাদে সারের পরিমান খুবই কম লাগে।

শীর্ষ সংবাদ:
অনেক উন্নত দেশের আগে টিকার ব্যবস্থা করতে পেরেছি ॥ প্রধানমন্ত্রী         পিলখানায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন         গভীর হবে সম্পর্ক ॥ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আসছেন মোদি         আপীল বিভাগে চূড়ান্ত বিচারের অপেক্ষা         হঠাৎ ছাত্র আন্দোলনের পেছনে বিশেষ মহলের ইন্ধন!         বিএনপির সাত মার্চ পালনের উদ্যোগ ইতিবাচক ॥ কাদের         পিএসসির আদলে কমিশন গঠনের উদ্যোগ         একযুগ পেরিয়ে গেলেও বিস্ফোরক মামলার নিষ্পত্তি হয়নি         করোনায় আক্রান্ত ও শনাক্ত কমেছে         পঞ্চম ধাপের পৌর নির্বাচন নিয়েও শঙ্কা         আগে টাকা দিন, পরে আলোচনা- না দিলে জেলে যেতে হবে         মেরিন ফিশিং সেক্টরে নৈরাজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতা         খাদ্য নিরাপত্তায় উন্নত জাতের ধান আবাদ করছেন জুমিয়ারা         বিদেশফেরতদের তথ্য সংগ্রহে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম         একটি চিহ্নিত মহল ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে : শিক্ষামন্ত্রী         স্কুল-কলেজ খুলতে পর্যালোচনা সভা ডেকেছে সরকার         মেঘালয় সীমান্তে আরও একটি সীমান্ত হাট         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় ৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৪১০         রেলে বড় নিয়োগ আসছে ॥ মন্ত্রী         “ক্যাডেটদের বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছি”