বৃহস্পতিবার ১৪ কার্তিক ১৪২৭, ২৯ অক্টোবর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

এনু-রুপনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

এনু-রুপনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানায় মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় ক্যাসিনোকাণ্ডের অন্যতম হোতা, আলোচিত দুই ভাই ও গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক ও সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ চার্জশিট গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে, মামলার চার্জ গঠনের জন্য ৪ নবেম্বর দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২২ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। চার্জশিটে এক কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, এনু-রুপনের নামে ব্যাংকে ১৯ কোটি টাকা এবং পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ১২৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ মিলেছে। ক্যাসিনো ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এ দুই ভাই।

২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়াদের পুরান ঢাকার বানিয়ানগরের বাসায় এবং তাদের দুই কর্মচারীর বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। সেখান থেকে পাঁচ কোটি টাকা এবং সাড়ে সাত কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সূত্রাপুর ও গেণ্ডারিয়া থানায় তাদের নামে ছয়টি মামলা হয়।

পরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এনু-রুপনের লালমোহন সাহা স্ট্রিটের বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। ওই বাড়ি থেকে ২৬ কোটি ৫৫ লাখ ৬০০ টাকা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে, পাঁচ কোটি ১৫ লাখ টাকার এফডিআরের কাগজ এবং এক কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় দুই ভাইয়ের নামে আরও দুটি মামলা হয়।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনও এনু-রুপনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে। মামলায় এনুর বিরুদ্ধে ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের এবং রুপনের বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮২ টাকার আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। তবে দুদক এখনো এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি।

এনু-রুপনের আয়ের বড় উৎস ছিল মতিঝিলের ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসা।

স্থানীয় লোকজন ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েক বছর ধরে ক্লাবে ক্যাসিনো ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাতি টাকার কুমির বনে যান দুই ভাই। নগদ টাকায় পুরোনো বাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি কেনা তাদের নেশায় পরিণত হয়।

সিআইডির তদন্তে ১২৮টি ফ্ল্যাট, ছয়টি গাড়ি ও কয়েক বিঘা জমির খোঁজ মিলেছে। সিআইডি তদন্ত করে দেখেছে, বাসায় নগদ টাকা ও স্বর্ণ রাখার পাশাপাশি ব্যাংকেও বিপুল পরিমাণ টাকা জমা রাখেন এনু ও রুপন ভূঁইয়া।

সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, তাদের ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ১৯ কোটি ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৪ টাকা। আদালতের আদেশে এসব টাকা এখন জব্দ রয়েছে।

পুরান ঢাকার বংশাল, ইংলিশ রোড, নয়াবাজার, মতিঝিল, শান্তিনগর, গুলশান, ধোলাইখাল, নবাবপুর এলাকায় সাতটি বেসরকারি ব্যাংকে এসব টাকা জমা রাখেন ক্যাসিনো কারবারি এই দুই ভাই।

চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের একটি ভবন থেকে এক সহযোগীসহ গ্রেফতার হন এনু-রূপন।

শীর্ষ সংবাদ:
মশক নিধনে চিরুনি অভিযান শুরু করছে ডিএনসিসি         শিক্ষা, অর্থনীতিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষকে স্বনির্ভর করব ॥ প্রধানমন্ত্রী         ঈদে মিলাদুন্নবীতে সারাদেশে ব্যাপক আয়োজন         সুনীল অর্থনীতি বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী         মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে ‘বীর’ লিখার বিধান করে গেজেট         খুলনায় হত্যা মামলায় ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড         ডিআইজি প্রিজনস বজলুর রশীদ জামিন পেলেন         করোনা ভাইরাসে আরও ২৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৬৮১         শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল ১৪ নবেম্বর পর্যন্ত         ৮ ব্যক্তি ১ প্রতিষ্ঠান পেল স্বাধীনতা পুরস্কার         মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আনোয়ার খান জুনো আর নেই         ছাত্রলীগের দাবিতে ঢাবি উন্নয়ন ফি কমলো অর্ধেক         আওয়ামী লীগ কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে না; বরং বারবার ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছে ॥ কাদের         বঙ্গবন্ধুই দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ॥ এলজিআরডি মন্ত্রী         আগামী বছর এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি বুঝে         মেক্সিকোতে গোপন কবরের সন্ধান ॥ ৫৯ মৃতদেহ উদ্ধার         ভিয়েতনামে টাইফুনের পর ভূমিধস, নিহত ১৩         ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিকের অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল         বালিশকাণ্ডে ঠিকাদার আসিফের জামিন স্থগিতের ওপর আদেশ ১ নবেম্বর         আজারবাইজানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ॥ অন্তত ২১ জন নিহত