সোমবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সেই জাবালে নূর পরিবহনের বাস এখনও চলছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত সেই জাবালে নূর পরিবহনের বাস এখনও চলছে। ঘাতক বাস দুটির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হলেও কোম্পানিটির বিরুদ্ধে এখনও কোন ব্যবস্থা নেয়নি বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। তবে কোম্পানিটির সবক’টি বাসের রুট পারমিট বাতিলের জন্য আঞ্চলিক পরিবহন কমিটিতে (আরটিসি) সুপারিশ করেছে সংস্থাটির এ সংক্রান্ত সাব কমিটি। কিন্তু সেই সুপারিশ এখনও আটকে আছে। বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে পরিবহনটি নিষিদ্ধের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি থাকলেও আগের মতোই চলছে জাবালে নূরের বাস।

২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজীব নিহত হওয়ার পরপরই ‘নিরাপদ সড়ক’ দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন শিক্ষার্থীরা। ওই সময় শিক্ষার্থীদের টানা কয়েকদিনের বিক্ষোভে কার্যত অচল হয়ে পড়ে ঢাকা। আন্দোলনের মুখে সরকার ওই সময় জাবালে নূরের দুটি বাসের রুট পারমিট বাতিল করে। এরপর পরিবহনটির নিবন্ধনও স্থগিত করা হয়। পরিবহনটি ঢাকা মহানগরীর ১৮৪নং রুট বসিলা থেকে আব্দুল্লাহপুরে চলাচল করত।

বিআরটিএর সড়ক নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক মাহবুব-ই-রাব্বানী বলেন, ‘আরটিসিরি (আঞ্চলিক পরিবহন কমিটি) অধীনে একটি সাব কমিটি রয়েছে। ওই কমিটি জাবালে নূরের রুট পারমিট বাতিলের জন্য সুপারিশ করেছে। এখনও বাতিল করা হয়নি। আগামী ৪ আগস্ট কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। যে কারণে পরিবহনটি এখনও চলাচল করছে। আর গত বছরের দুর্ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট দুটি বাসের রুট পারমিট বালিত করা হয়েছে।’

গত ২৯ জুলাই নগরীর প্রগতি সরণি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাবালে নূরের কয়েকটি বাস সড়কে চলাচল করছে। চালকদের দাবি, বেকার জীবন থেকে রক্ষা পেতেই তারা ‘বসে’ না থেকে বাস নিয়ে সড়কে নেমেছেন। এর বেশি কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

তবে পরিবহন কোম্পানিটির চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের দাবি, জাবালে নূরের কোন বাস চলাচল করছে না। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের কোন বাস রাস্তায় চলে না। সুপ্রভাতের ঘটনার পর আমাদের বাসগুলোও রাস্তায় নামানো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। নামালেই পথে পথে ধরে, হয়রানি করে। সে জন্য আমরা বন্ধ রেখেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ২টি কোম্পানি। একটি জাবালে নূর-১; অন্যটি জাবালে নূর-২। জাবালে নূর-১-এ ৫০টি এবং জাবালে নূর-২-এ ৪০টি বাস চলাচলের অনুমোদন ছিল।’

জাকির হোসেন বলেন, ‘আমি বর্তমানে অসুস্থ। এখন পরিবহন নিয়ে তেমন একটা মাথা ঘামাচ্ছি না। আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। এই কোম্পানিতে ৬০-৭০ জন মালিকের বাস রয়েছে। তারা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত।’

এদিকে ওই ঘটনার পর পরিবহন দুটির মালিক শাহাদাত হোসেন আকন্দ, চালক মাসুম বিল্লাহ, হেলপার মোঃ০ এনায়েত হোসেন, চালক মোঃ জোবায়ের সুমন, অন্য বাসমালিক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার মোঃ আসাদ কাজীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এই আসামিদের মধ্যে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও মোঃ আসাদ কাজী পলাতক।

শীর্ষ সংবাদ:
বিএনপির শিখিয়ে দেওয়া বক্তব্য দিয়েছেন ডাক্তাররা : তথ্যমন্ত্রী         খালেদার জন্য বিদেশ থেকে চিকিৎসক আনার অনুমতি আছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী         হাফ ভাড়া : সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন পরিবহন মালিক সমিতি         গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি আরও ৭৫ ডেঙ্গুরোগী         ওমিক্রনের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না : শিক্ষামন্ত্রী         বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ : আইনমন্ত্রী         কোভিড ১৯ : করোনায় আরও ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭         মাদারীপুরে শিশু আদুরী হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসির আদেশ         মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের         পাকিস্তানকে ২০২ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ         ইভ্যালির রাসেলের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের         হেফাজত মহাসচিব নুরুল ইসলাম আর নেই         নতুন ধরন ওমিক্রন ॥ স্বাস্থ্য অধিদফতরের ১৫ নির্দেশনা         হেলমেটে বল লেগে মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ইয়াসির         ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটের সংঘাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত ৩         শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া সেই শিক্ষিকা স্বপদে বহাল         অবিলম্বে দ. আফ্রিকার উপর থেকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহবান প্রেসিডেন্ট         আফগানিস্তানের বিমানবন্দর চালু রাখতে ইইউর সহায়তা চেয়েছে তালেবান         রাজশাহীতে স্বামীর সামনেই ট্রেনে কাটা পড়ে স্ত্রীর মৃত্যু         পাবনার বেড়ায় চাচাকে হারিয়ে মেয়র হলেন ভাতিজা