সোমবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮, ২৯ নভেম্বর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা

অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্রে এগিয়ে চীন

  • পেন্টাগনের মূল্যায়ন

বিশ্বের সবচেয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার কিছু কিছু অস্ত্রের ক্ষেত্রে শিখরে পৌঁছে গেছে চীন এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে ইতোমধ্যে অতিক্রম করেছে। পেন্টাগনের এক মূল্যায়নে এ কথা বলা হয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার (ডিআইএ) ফাঁস করা এক রিপোর্টে বলা হয়, বেজিং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক সামরিক অগ্রগতি সাধিত করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, চীনের বিশাল বাজারে প্রবেশের বিনিময়ে প্রযুক্তিগত গোপন তথ্য ফাঁসের লক্ষ্যে বিদেশী অংশীদারদের বাধ্য করার জন্য স্থানীয় আইনের প্রতি আংশিক ধন্যবাদ দেয়া যায় এ জন্য। চীন যে কোনভাবে প্রাপ্ত অর্জিত এ প্রযুক্তির কল্যাণে বর্তমানে এর নৌব্যবস্থা ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও হাইপারসনিক (শব্দাপেক্ষা পাঁচগুণ গতিসম্পন্ন) অস্ত্রসহ প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিশ্বে নেতৃস্থানীয় প্রান্তে পৌঁছেছে। ‘চায়না মিলিটারি পাওয়ার’ শীর্ষক এ রিপোর্টটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ প্রযুক্তি অর্জনে বহুবিধ ফল হচ্ছে চীনের গণমুক্তি বাহিনী (পিএলএ) বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক অস্ত্রের দিক থেকে কোন যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার শক্তির কাছাকাছি অবস্থানে পৌঁছে গেছে। কোন কোন ক্ষেত্রে বিশ্বে এর মধ্যেই নেতৃস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে দেশটি। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির অর্থ হচ্ছে দেশটি, আকাশ, সমুদ্র, মহাকাশ ও সাইবার ফোর্সে প্রভূত অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং এ অগ্রগতির কারণে চীন এ অঞ্চলে তার প্রভাব চাপিয়ে দিতে সমর্থ হবে। প্রসঙ্গত, তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের সংঘাত বিষয়টি বিশেষভাবে আলোকপাত করা যায়। চীন মনে করে, তাইওয়ান এর ভূখ- বেজিং বলেছে, তাইপে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে বা দ্বীপটির সবচেয়ে শক্তিশালী অনানুষ্ঠানিক সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রসহ বহির্হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে চীন দ্বীপের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগে দ্বিধা করবে না।

ডিআইএয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পেন্টাগনে রিপোর্টারদের বলেন, তিনি উদ্বিগ্ন যে চীনের সামরিক শক্তি এখন বেশ উন্নত অবস্থানে পৌঁছেছে, গণমুক্তি বাহিনীর জেনারেলরা তাইওয়ান আক্রমণে আত্মবিশ্বাসী হতেই পারেন। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তা বলেন, সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হচ্ছে যে এ প্রযুক্তিগুলোর বেশকিছু চরম উৎকর্ষতায় পৌঁছায় চীন এমন একটি অবস্থানে উঠেছে যেখানে অভ্যন্তরীণভাবে, তারা তাদের সিদ্ধান্ত প্রণয়ন করার এবং আঞ্চলিক সংঘাতের জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে এবং সে ধরনের কিছু বেশ অত্যাসন্ন।

তাইওয়ান একটি স্বশাসিত দ্বীপ এবং এর রয়েছে নিজস্ব মুদ্রা, পতাকা ও সরকার। কিন্তু স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দেশটির স্বীকৃতি নেই জাতিসংঘের। কর্মকর্তাটি বলেন, এরপর এ কথাও বলা যায় যে, চীন ৪০ বছর ধরে কোন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়নি এবং এর বিশাল সামরিক বাহিনী ও যৌথ কমান্ড কাঠামোর সত্যিকার বিশ্বসংঘাতে অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে। গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়, চীন আঞ্চলিক ও বিশ্বের যে কোন স্থানে আঘাত করতে সক্ষম নতুন মাঝারি ও দীর্ঘ পাল্লার স্টিল্থ বোম্বার তৈরি করছে।

শীর্ষ সংবাদ: