মঙ্গলবার ৭ আশ্বিন ১৪২৭, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

৩ হাজার ৪শ’ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন

  • আইন মন্ত্রণালয়ের দশ বছর

বিকাশ দত্ত ॥ পাহাড়সম মামলাজট নিরসন ও বিচারপ্রত্যাশী মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আইন মন্ত্রণালয় ১০ বছরে ৩ হাজার চারশ’ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন করেছে। ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ১০ বছরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দুই হাজার ৮০০ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন করেছে। এছাড়া ৬০০ কোটি টাকার নতুন তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করেছে। বাস্তবায়িত ও বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির স্থান সংকুলানের জন্য “বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা সদরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত ভবন নির্মাণ (১ম পর্যায়)” প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো : ৪২টি জেলায় ১২তলা ভিত বিশিষ্ট ৮/১০ তলা সিজেএম আদালত ভবন নির্মাণ এবং অন্য ২২টি জেলায় আদালত ভবন নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ। এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ২০০৯ সালে এবং প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৮৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা। বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত ভবনের ৫ম তলা থেকে ১০ম তলা পর্যন্ত এবং হাজতখানা কাম পুলিশ ব্যারাকের ৩য় তলা থেকে ৬ষ্ঠতলা পর্যন্ত উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে ২০০৯-২০১২ মেয়াদে। দেওয়ানী আদালতের বিচারকদের এজলাসসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত ‘২৮টি জেলায় আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ জেলা জজ আদালত ভবনের উর্ধমুখী সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় ১৬২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৭টি জেলায় পূর্বের ২ তলা জেলা জজ আদালত ভবনগুলো ৩/৪ তলা পর্যন্ত উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বিচারকদের এজলাস, খাস কামরা, রেকর্ড রুম এবং দাপ্তরিক অন্যান্য অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালত ভবনটি অনেক পুরাতন হওয়ায় এটি উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়নি। সেখানে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের স্থান সংকুলানের জন্য ২০১০-২০১৩ সময়কালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ৬ষ্ঠ তলার ওপর ৭ম, ৮ম, ৯ম এবং ১০ম তলার আংশিক উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হয়েছে। আইন কমিশনে স্থান সংকুলানের জন্য ১৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে বর্তমানে এটিকে ১২ তলা পর্যন্ত উর্ধমুখী সম্প্রসারণ করা হচ্ছে এবং একাজ এখন সমাপ্তির পথে। এছাড়া সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণের এজলাস এবং চে¤¦ারের অবকাঠামোগত অপ্রতুলতা দূর করার জন্য সেখানে ১২ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য ১৫৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এই প্রকল্পের মেয়াদ আগস্ট/২০১৭ থেকে জুন/২০২০ পর্যন্ত।

শীর্ষ সংবাদ:
অর্থনীতি সচল রেখে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলা করা হবে : মন্ত্রিপরিষদ সচিব         ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত দিতে চায় সৌদি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী         শ্রমিকের বেতন নিয়ে তালবাহানা মানা হবে না : সাকি         আইন অনুযায়ী নুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         বাড়ির পাশ দিয়ে রাস্তা নেয়ার জন্য বাড়তি সড়ক না নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর         কারা ডিআইজি বজলুরের সম্পতি ক্রোক ও ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের নির্দেশ         একনেকে ১২৬৬ কোটি খরচে ৫ প্রকল্প অনুমোদন         করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়াল, নতুন শনাক্ত ১৫৫৭         মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মায়ের দাফন সম্পন্ন         বিশ্বাসযোগ্য ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরি করুন ॥ জাতিসংঘে শেখ হাসিনা         নুরের বিরুদ্ধে অপহরণ-ধর্ষণ ও ডিজিটাল আইনে আরেক তরুণীর মামলা         নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণ ॥ আরও একজনের মৃত্যু         ব্যাংকিং খাত তদারকি ও খেলাপি ঋণ কমাতে ১০ সুপারিশ টিআইবির         ডা. সাবরিনার জামিন নামঞ্জুর         সাগরে লঘুচাপ ॥ ভারী বৃষ্টি, সাগরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত         করোনা টিকার সমবণ্টনে ১৫৬ দেশের চুক্তি         আমরা প্রথম দেশে অ্যান্টিবডি তৈরি করি ॥ ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী         কক্সবাজার জেলা পুলিশের ৭ শীর্ষ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি         শীতের সময় করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কী ?         এবার দেশের ভেতরই চ্যালেঞ্জের মুখে সু চি