শুক্রবার ৭ কার্তিক ১৪২৮, ২২ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

অবসায়ন ছাড়া বিআইএফসির কোন উপায় নেই

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঋণ খেলাপির কবলে পড়ে নাজুক অবস্থায় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স এ্যান্ড কোম্পানি (বিআইএফসি)। এছাড়া কোম্পানিটি নিয়মিত লোকসানের মধ্যে রয়েছে। যাতে বিআইএফসি এমন এক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির অবসায়ন ছাড়া আর কোন উপায় দেখছে না বাংলাদেশ ব্যাংক।

কোম্পানিটি থেকে এ পর্যন্ত ৮৩৮ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। আর এই ঋণের ৯৫ শতাংশই খেলাপি হয়ে গেছে। তবে এই ঋণের ৮৫ শতাংশই নামে-বেনামে তুলে নিয়েছেন কোম্পানিটির সাবেক চেয়ারম্যান বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব) এমএ মান্নান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

লোকসানে থাকা এ কোম্পানিটির ২০১৭ সালেও বড় লোকসান হয়েছে। ওই বছরে শেয়ারপ্রতি ৯.৩৪ টাকা হিসাবে ৯৪ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে। এছাড়া আগের পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ রয়েছে ৬৯ কোটি টাকা। যাতে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মোট পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৬৩ কোটি টাকায়। প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যত কী হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ও ডেপুটি গবর্নরদের সমন্বয়ে গঠিত ‘সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম’ গত ২৯ নবেম্বর একটি সভা করে। ওই সভায় বেশ কয়েকটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা হলেও শেষে প্রতিষ্ঠানটির অবসায়নের (টার্মিনেশন) পক্ষেই মত দেন সংখ্যাগরিষ্ঠরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিআইএফসির সাবেক চেয়ারম্যান মেজর (অব) এমএ মান্নান, তার পরিবারের সদস্য পরিচালক এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিধি পরিচালকরা বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণের আড়ালে ৪৮টি হিসাবের মাধ্যমে কোম্পানিটি থেকে ৫১৮ কোটি টাকা আত্মসাত করেন।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরের তথ্যানুযায়ী, বিআইএফসি থেকে ঋণ বা লিজ দেয়া হয়েছে ৮৩৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭৯৭ কোটি টাকাই শ্রেণীকৃত বা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৭০ কোটি টাকাই মন্দমানের শ্রেণীকৃত ঋণ, যা ফিরে পাওয়ার আশা খুবই কম। এদিকে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে ও সাধারণ আমানতকারীদের কাছ থেকে আমানত হিসেবে প্রায় ৮০৮ কোটি টাকার দায় রয়েছে বিআইএফসির। যা নিট সম্পদের তুলনায় দায় কয়েকগুণ বেশি। ২০০৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিআইএফসি ২০১৫ সাল থেকে লোকসানে রয়েছে। ওই বছরে কোম্পানিটির ৬৩ কোটি টাকা লোকসান হয়। যা ২০১৬ সালে ৬৮ কোটি টাকা ও ২০১৭ সালে ৯৪ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। ব্যবসার এই বেহাল অবস্থায় কোম্পানিটি থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রাপ্তিও বন্ধ হয়ে গেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ ২০১৪ সাল থেকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোন লভ্যাংশ ঘোষণা করছেন না।

শীর্ষ সংবাদ:
সুপার টুয়েলভে ॥ টাইগারদের চমৎকার নৈপুণ্য         সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে নজরদারি বাড়ান         জনকণ্ঠ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম         বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড সাকিবের         অবশেষে কুমিল্লাকাণ্ডের হোতা ইকবাল গ্রেফতার         মূল্যস্ফীতি বাড়ছে         হঠাৎ বন্যায় তিস্তাপাড়ে ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী         শেখ হাসিনার হাতের ছোঁয়ায় উন্নত হচ্ছে রাজবাড়ী         সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় অভ‚তপূর্ব উন্নয়ন ॥ প্রধানমন্ত্রী         সন্ধ্যার পর ভাসানচর থেকে নৌযান চলাচল বন্ধ         বানরের শরীরে সফল ট্রায়াল, সব ভেরিয়েন্টে কার্যকর বঙ্গভ্যাক্স         শাহজালালে বসবে বিশ্বসেরা থ্যালাসের রাডার         হাসপাতালে আর থাকতে চাচ্ছেন না, বাসায় ফিরতে চান খালেদা         আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর, স্বস্তি ফিরছে জনমনে         জনকণ্ঠ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম         ডাকসেবাকে ডিজিটাল করতে আসছে ‘ডিজটাল ডাকঘর’         সারাদেশের রেলপথ ব্রডগেজে রূপান্তর করা হবে : রেলমন্ত্রী         টি-টোয়েন্টি : বড় জয়ে সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ         শ্লীলতাহানির মামলা : কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাসের জামিন         দাম কমল পেঁয়াজের