বৃহস্পতিবার ৪ আষাঢ় ১৪২৮, ১৭ জুন ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

অষ্টম শ্রেণির পড়াশোনা

  • বিষয় ॥ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়;###;সুধীর বরণ মাঝি

শিক্ষক

হাইমচর কলেজ, চাঁদপুর

মোবাইল : ০১৭৯৪৭৭৭৫৩৫

সৃজনশীল অনুশীলন ॥ তৃতীয় অধ্যায় প্রস্তুতি-৩

ক) টেরাকোটা কী ?

খ) পাল যুগে তালপাতায় আঁকা ছবিগুলো এখনও ঝকঝকে রয়েছে কেন ?

গ) উদ্দীপকে বাংলার কোন শিল্পের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে? বর্ণনা কর।

ঘ) উদ্দীপকের শিল্পকর্ম এখনও টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাংলার নারীদের অবদান মূল্যায়ন কর।

ক) উত্তর ঃ টেরাকোটা হলো পোড়ামাটির শিল্প। মাটির ফলক তৈরি করে তাতে ছবি খোদাই করে পুড়িয়ে স্থায়ী রূপ দেওয়া হলে সেটিকে টেরাকোটা বলা হয়।

খ) উত্তর ঃ পালযুগে তালপাতায় আঁকা ছবিগুলো দেশীয় রঙে আঁকা। এছাড়া এগুলো আবিষ্কৃত হওয়ার পর প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়। এ কারণেপাল যুগে তালপাতায় আঁকা ছবিগুলো এখনও ঝকঝকে রয়েছে।

গ) উত্তর ঃ উদ্দীপকে বাংলার দৃশ্যশিল্পের তথা বস্তুগত শিল্পের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। বাংলার দৃশ্যশিল্পের মধ্যে নকশিকাঁথা অন্যতম প্রাচীন মহিলারা ঘরে ঘরে কাঁথা সেলাই করে তাতে আশ্চার্য নিপুনতার গল্পকাহিনী ও ছবিফুটিয়ে তুলত। এছাড়া কাঠের কাজ বা কারুশিল্প,শঙ্খের কাজ,বাঁশ,বেত ও সোলার কাজেও বাংলার মানুষ দক্ষতা দেখিয়েছে এবং তাদের সৃজনশীল মনের প্রকাশ ঘটিয়েছে। আর এগুলোই দৃশ্যশিল্পের অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকেও নকশিকাঁথা,বেতের তৈরি চেয়ার ও শীতল পাটি এবং বাঁশের ঝুড়ি ও কুলার ছবি রয়েছে। সুলতানি আমল থেকে বাংলায় স্থাপত্যশিল্পেও দৃশ্যশিল্পের তথা বস্তুগত শিল্পের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। অনেক গম্বুজ, খিলান, নবাব কাটারা,লালবাগের কুঠি,অনেক দপ্তর ও বাড়িঘর তৈরি হয়েছে এই রীতিতে। তাই বলা যায়,উদ্দীপকে বাংলার দৃশ্যশিল্পের তথা বস্তুগত শিল্পের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

ঘ) উত্তর ঃ উদ্দীপকের শিল্পকর্ম এখনও টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাংলার নারীদের অবদান অনস্বীকার্য। উদ্দীপকে বাঁশ ও বেতের তৈরি বিভিন্ন ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং নকশিকাঁথা দেখা যাচ্ছে। এই শিল্পকর্মগুলো মূলত নারীদের হাতে তৈরি হয় এবংএই শিল্পকর্ম এখনও টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বাংলার নারীদের অবদানঅবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার গ্রামীণ নারীরা তাদের অবসর সময়ে কাঁথা সেলাই করে তাতে অনবদ্য শৈল্পিক রূপ দান করেছে আর এগুলোকে বলা হয় নকশিকাঁথা। এখনো গ্রামীণ দরিদ্র নারীরা এই শিল্পটিকে টিকিয়ে রেখেছে। এছাড়া বাঁশ ও বেত দিয়ে বিভিন্ন ব্যবহার্য জিনিসপত্র তৈরি করে তাদের দক্ষতা ও সৃজনশীল মনের প্রকাশ ঘটাচ্ছে এবং এগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় বাংলার দৃশ্যশিল্পেরঅন্তর্ভুক্ত শিল্প কর্ম টিকিয়ে রাখতে বাংলার নারীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

শীর্ষ সংবাদ:
আরও ৫৩ হাজার বাড়ি ॥ গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার         দেশেও করোনা টিকা উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে         রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভ‚মিকা চাই         বঙ্গভ্যাক্স         অর্থপাচার রোধে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে ॥ অর্থমন্ত্রী         যৌন ভোগ বিলাসের ডিজে পার্টি         গতিহীন মেরিন ফিশিং সেক্টর         অভিযোগ অস্বীকার করতে পারছেন না নাসির ও অমি         সিলেটে দুই সন্তান ও মাকে কুপিয়ে হত্যা         করোনায় একদিনে মৃত্যু বেড়ে ৬০         জনগণ আর অগ্নিসন্ত্রাসী বোমাবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না         চরম অমর্যাদাকর সুপারিশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ         স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা, গ্রামেও ছড়াচ্ছে সংক্রমণ         নিবন্ধন ছাড়া ডে কেয়ার সেন্টার চালালে ২ বছর জেল, জরিমানা         আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পালিয়েছে ডাচ্-বাংলা কর্মকর্তা         মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির         যেখানেই আইন ভঙ্গ হবে সেখানেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী         করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৬০         বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত         জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী পেলেন অটোপাস