ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

ডিএনএ বিশ্লেষণে এফবিআই’র প্রযুক্তি ব্যবহার করবে পুলিশ

প্রকাশিত: ০৭:৩১, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

ডিএনএ বিশ্লেষণে  এফবিআই’র প্রযুক্তি ব্যবহার করবে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ডিএনএ বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তা এখন ব্যবহার করতে পারবে বাংলাদেশ পুলিশ। প্রযুক্তিটি হলো কোডিস নামে একটি অত্যাধুনিক সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫১ দেশের কাতারভুক্ত হল বাংলাদেশ। এখন থেকে এটি ব্যবহার করতে পারবে সিআইডি। বৃহস্পতিবার মালিবাগে সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে এ বিষয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট। সিআইডি সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট জানান, বাংলাদেশ বিশ্বে ৫১ দেশের কাতারভুক্ত হলো, যাদের সিওডিআই(কম্বাইন্ড ডিএনএ ইনডেক্স সিস্টেম) রয়েছে। এফবিআই’র এই সফটওয়্যারটি এখন পুলিশ তাদের ডিএনএ গবেষণাগারে ব্যবহার করবে। এটি অপরাধ দমনে খুবই কার্যকর। বার্নিকাট জানান, অমীমাংসিত অপরাধের রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সিওডিআই। তবে যেহেতু নমুনার ওপর ভিত্তি করে এটি কাজ করে, সেহেতু ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহে সতর্ক এবং দায়িত্বশীল থাকার পরামর্শ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সিআইডির ডিআইজি লুৎফর রহমান মণ্ডল জানান, এই প্রযুক্তি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্তে বড় ভূমিকা রাখবে। এখন আমরা যে প্রযুক্তি ব্যবহার করছি, তা ল্যাবরেটরি ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলআইএমএস)। এতে কোন ডাটাবেজ সুবিধা নেই। তাই সিওডিআইএস পেয়ে এখন ডিএনএ প্রোফাইলের ডাটাবেজ করতে পারব, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। এই সফটওয়্যার পরিচালনায় বাংলাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও যুক্তরাষ্ট্র করছে। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ সাইফুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই প্রযুক্তি বাংলাদেশ পুলিশের কাজের মান আরও বাড়িয়ে দেবে। অতিরিক্ত আইজিপি মোখলেছুর রহমানও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কোডিস সফটওয়্যারটি রানাপ্লাজায় নিহতদের মরদেহ শনাক্তে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালকে দেয়া হয়েছিল।