ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯

নদীভাঙ্গনে সড়ক বিলীন ॥ যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: ০৫:৪৭, ৩০ আগস্ট ২০১৭

নদীভাঙ্গনে সড়ক বিলীন ॥ যান চলাচল বন্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাগুরা, ২৯ আগস্ট ॥ নদীভাঙ্গনে একটি সড়ক বিলীন হতে চলেছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকার ফলে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানা গেছে, মাগুরা পৌর এলাকার বাটিকাডাঙ্গা গ্রামে নবগঙ্গা নদীর পাশের পাকা সড়কটি নদীভাঙ্গনে বিলীন হতে চলছে। ভেঙ্গে গেছে বেশকিছু অংশ। বালির বস্তা দিয়ে সড়কটি রক্ষার চেষ্টা করা হলেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সড়ক দিয়ে শিবরামপুর যাওয়ার জন্য প্রতিদিন বহু মানুষ চলাচল করলেও সড়কটি যান চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় জনসাধারণকে বিকল্পপথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ এলাকায় একটি স্কুল এ্যান্ড কলেজ রয়েছে। রয়েছে একটি প্রাচীন মন্দির। প্রতিবছর কাত্যায়নী পূজার সময় এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার লোক যাতায়াত করেন। সরেজমিন বাটিকাডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে দেখা যায় পাকা সড়কটি নদীরভাঙ্গনে ভেঙ্গে গেছে। বালির বস্তা ফেলে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চলছে। সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াতে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এদিকে পৌর এলাকার নতুন বাজার থেকে শিবরামপুর সড়কের বটতলার দিক থেকে পাকার মাথার অংশ ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি এ সড়কগুলো অবিলম্বে মেরামত করা হোক। এদিকে পৌর এলাকার নতুন বাজার থেকে শিবরামপুর সড়কের বটতলার দিক থেকে পাকার মাথার অংশ ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে । ফলে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের বেহাল অবস্থা স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম থেকে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বন্যার পর কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে বন্যার পানি প্রবেশ করে কুড়িগ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। জেলা শহরের সঙ্গে টানা ১৭ দিন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে ৩টি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে বঙ্গসোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি কার্যক্রমে। বিকল্প নৌ-পথে যাতায়াত করতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এখানকার মানুষজন। টানা বর্ষণ আর পাহাড়ী ঢলের কারণে কুড়িগ্রামে ২য় দফা বন্যা দেখা দেয়। আকস্মিকভাবে এ বন্যার পানির তীব্র স্রোতে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক-মহাসড়ক ভেঙ্গে যায়। ফলে ১১ আগস্ট হতে ভূরুঙ্গামারী বঙ্গসোনাহাট, নাগেশ্বরী ও ফুলবাড়ি উপজেলার লোকজন জেলা শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। জেলায় ভূরুঙ্গামারী থেকে কুড়িগ্রাম প্রায় ৫৫ কিমি, চিলমারী থেকে কুড়িগ্রাম প্রায় ৪৫ কিমি, কুড়িগ্রাম থেকে রংপুর ৫২ কিমি মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয় চলতি বন্যায়। কাঁচা ও পাকা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১৪৩ কিমি এবং পাকা রাস্তা ২৫ কিমি। জেলার সড়কের ২৭টি পয়েন্টে ১ হাজার ৩৫১ মিটার সড়ক এবং ২৩টি ব্রিজ ও কালভার্ট ভেঙ্গে গেছে বন্যায়।