ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

সংসদে রেলমন্ত্রী

রেলের সাড়ে তিন হাজার একর জমিই অবৈধ দখলে

প্রকাশিত: ০৬:২৫, ১৫ জুন ২০১৭

রেলের সাড়ে তিন হাজার একর জমিই অবৈধ দখলে

সংসদ রিপোর্টার ॥ বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমির পরিমাণ ৩ হাজার ৭৫২ একর। অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমি উচ্ছেদের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি চলমান প্রক্রিয়া। চলতি অর্থ বছরের মে পর্যন্ত উচ্ছেদের মাধ্যমে ১৬৫ একর রেলভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ তথ্য জানান রেলপথমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিক, যুগোপযোগী, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব, নির্ভরযোগ্য ও যাত্রীসেবামূলক গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। রূপকল্প ২০২১ কে সামনে রেখে রেলওয়ের বহুমাত্রিক উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সামগ্রিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে ২০১১ সালেই সরকার স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করেছে। তিনি জানান, গুরুত্বপূর্ণ সেকশনগুলো ডাবল লাইনে উন্নীত হলে অধিক সংখ্যক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। এতে রেলসেবার আওতা আরও বাড়বে এবং রেল ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। এজন্য কাজ চলছে। তিনি জানান, দেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডর ডাবল লাইনের কাজ চলমান রয়েছে। মন্ত্রী আরও জানান, ঢাকা-টঙ্গী সেকশনে তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ লাইন এবং টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণের কাজ এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লাইনের সমান্তরাল একটি ডুয়েল গেজ লাইনের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সমান্তরাল একটি স্বতন্ত্র ডুয়েল গেজ রেল ব্রিজের (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্প) প্রকল্প নেয়া হয়েছে। খুলনা থেকে দর্শনা পর্যন্ত ডাবল লাইন করার কাজ ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈশ্বরদী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত রেল লাইনকে ডাবল লাইনের কাজ চীন সরকারের সঙ্গে জি টু জি ভিত্তিতে বাস্তবায়নের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। একই পদ্ধতিতে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ-জামালপুর লাইনেও বর্তমান লাইনের সমান্তরাল একটি ডুয়েল গেজ লাইন নির্মাণ করা হবে।