ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

হাইকোর্টের রুল

প্রকৌশলী টিপু মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল নয় কেন?

প্রকাশিত: ০৮:০৯, ১২ ডিসেম্বর ২০১৬

প্রকৌশলী টিপু মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল নয় কেন?

স্টাফ রিপোর্টার ॥ গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সী ওরফে টিপু মুন্সীকে দেয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ কেন বাতিল করার নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি কোন কর্তৃত্ববলে তিনি প্রধান প্রকৌশলীর পদে আছেন, তা-ও জানতে চেয়েছে কোর্ট। এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, উপসচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত বিভাগের সচিব, প্রধান প্রকৌশলীসহ ৬ বিবাদীকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মোঃ হাফিজুর রহমান মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া দাবি করে সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী তারিক হাসান খান এ রিট আবেদনটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। কামাল হোসেন বলেন, ২০১০ সালের ২৫ জুলাই জারি করা গেজেটে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে টিপু মুন্সীর নাম উল্লেখ করা হয়। ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর তিনি দুই দফায় তিনবার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করে গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত আছেন। যদিও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নির্দেশে করা তদন্তে দেখা যায়, টিপু মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধার সনদ ভুয়া। এর আগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান প্রকৌশলীর সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাল সনদ প্রমাণিত হওয়ায় তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক তখন বলেছিলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল বৈঠকে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান মুন্সীর মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রমাণিত হয়েছে তার সনদ জাল। এটি শীঘ্রই রেজুলেশন আকারে প্রকাশ করা হবে। সে প্রক্রিয়াও চলছে।