ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২০ আগস্ট ২০২২, ৫ ভাদ্র ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

অভিবাসী অধিকার রক্ষায় গ্লোবাল কমপ্যাক্ট গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশের

প্রকাশিত: ০৬:১৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৬

অভিবাসী অধিকার রক্ষায় গ্লোবাল কমপ্যাক্ট গঠনের প্রস্তাব বাংলাদেশের

কূটনৈতিক রিপোর্টার ॥ অভিবাসীদের অধিকার রক্ষায় গ্লোবাল কমপ্যাক্ট গঠনের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ। এই কমপ্যাক্ট বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ তিনটি ভিন্ন রূপরেখা দিয়েছে। রবিবার গ্লোবাল ফোরাম ফর মাইগ্রেশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জিএফএমডি) শীর্ষ সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে এই প্রস্তাব দেয়া হয়। এদিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক উইলিয়াম লেইসি সুইং বলেছেন, রোহিঙ্গা একটি রাজনৈতিক সমস্যা। এছাড়া অভিবাসন ব্যয় কমানোর জন্য তিনি আহ্বান জানিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জিএমএফডি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন রবিবার সন্ধ্যায় সারাদিনের আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কমপ্যাক্টের বিষয়ে বাংলাদেশ প্রস্তাব করেছিল। সব দেশ কমপ্যাক্ট নিয়ে আলোচনায় একমত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো-কমপ্যাক্ট কী ধরনের হবে। এটি বাধ্যতামূলক হবে কি না, আইন হবে কি না, তা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমরা তিনটি প্রস্তাব দিয়েছি। আমরা বলেছি, এটি কনভেনশন হতে পারে এবং তা সবার জন্য বাধ্যতামূলক হতে পারে। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি হলো, এটি মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) মডেলে হতে পারে- যেটি বাধ্যতামূলক হবে না, কিন্তু সবার অংশীদারিত্ব থাকবে। আর শেষ প্রস্তাবটি হলো, আগের দুইটি প্রস্তাবনা মিলিয়ে মাঝামাঝি কিছু একটি ব্যবস্থা হতে পারে। যেখানে কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক থাকবে এবং কিছু বিষয় বাধ্যতামূলক থাকবে না। জিএফএমডির দ্বিতীয় দিনের আলোচ্যসূচী নিয়ে শহীদুল হক বলেন, আজকে সম্মেলনে ৬টি সেমিনার ও তিনটি সাইড ইভেন্ট বৈঠক হয়েছে। অভিবাসন ব্যয় কমানো, অভিবাসন কানেকটিভিটি ও অভিবাসনে সুশাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা বলছি। কিন্তু মানুষ চলাচলের ওপরে এর প্রভাব কী, তা কেউ বলছে না। এটি নিয়ে এখানে আলোচনা হচ্ছে। এদিকে রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মহাপরিচালক (আইওএম) উইলিয়াম লেইসি সুইং বলেন, রোহিঙ্গা একটি রাজনৈতিক সমস্যা। তাই মানবিক বিষয় নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো এর সমাধান দিতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। অভিবাসন বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জিএফএমডি) সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকায় এসেছেন লেইসি সুইং। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার একটি রাজনৈতিক দিক রয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমার দু’দেশকেই কাজ করতে হবে। এর সঙ্গে আরও কিছু দেশের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও আমি জানি।