বুধবার ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৮ মে ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সুপ্রীমকোর্টে প্রথম আলো সম্পাদকের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সুপ্রীমকোর্টে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ থেকে পার পেলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান। সোমবার প্রধান বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপীল বিভাগের আট বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন করেন তারা। পরে আদালত তাদের নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদনটি গ্রহণ করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন ও ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম।

শুনানিতে আদালত বলেন, আদালত সম্পর্কে যিনিই লিখুন, তাকে দায়িত্বশীল হয়ে আদালতের ভাষা বুঝে লিখতে হবে। বিচার বিভাগকে কোন অবস্থাতেই হেয় করা যাবে না। শুনানিতে ড. কামালকে উদ্দেশ্যে করে প্রধান বিচাপতি বলেন, আপনার অভিজ্ঞতা থেকে দেখবেন, আগে যারা আদালত রির্পোটিং করতেন, তারা বেশিরভাগই আইনজীবী ছিলেন। আদালতের ভাষা বুঝতে হবে। এরপর লিখতে হবে।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে এক নিবন্ধের কারণে আদালত অবমাননার রুল জারি করে গত ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও মিজানুর রহমান খানকে তলব করেন সুপ্রীমকোর্টের আপীল বিভাগ। প্রথম আলোতে ‘প্রধান বিচারপতি বেছে নেওয়া’ শিরোনামে মিজানুর রহমান খানের লেখা ওই নিবন্ধে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ অবসরে যাওয়ার কারণে আরেকজন নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি সামনে এসেছে। এই পদে নিয়োগে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তা নিয়ে তেমন আলোচনা কখনও হয়নি। ওই নিবন্ধের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতেই সোমবার তাদের আপীল বিভাগে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

তাদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছিল রুলে। আদালতের গুরুতর অবমাননার দায়ে এর আগেও মিজানুর রহমান খানকে সাজা দিয়েছিল আদালত, সতর্ক করে দেয়া হয়েছে প্রথম আলোকেও।

এদিকে, শুনানিতে ড. কামাল হোসেন তার বক্তব্যের শেষ সময়ে ওই বেঞ্চের বিচারপতি এএইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের উদ্দেশে একটি কুবাক্য ব্যবহার করেছেন বলে গুঞ্জন শোনা গেছে। গণমাধ্যমকর্মীরা এজলাসের একটু পেছনের দিকে থাকায় বিষয়টি শুনতে পায়নি। তবে গুঞ্জন শোনা যায়, ড. কামাল হোসেন তার বক্তব্যের শেষে মাইক্রোফোন বন্ধ করে নিচু স্বরে ওই শব্দটি ব্যবহার করেন। এ সময় বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী তাকে উদ্দেশ করে বলেন, হোয়াট ডু ইউ সে? জবাবে ড. কামাল বলেন, আই ডোন্ট সে এ্যানি থিংস।

শীর্ষ সংবাদ:
নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন, কেউ ভোটের অধিকার কেড়ে নেবে না : প্রধানমন্ত্রী         সিলেটে বন্যায় পানিবন্দি ১৫ লাখ মানুষ         বন্যায় সিলেটবাসীকে সহযোগিতা দেয়া হবে         আগামী ৩১ মে হজ ফ্লাইট শুরু নিয়ে ফের অনিশ্চয়তা         নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে : শিল্পমন্ত্রী         হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় বাড়লো         আগামী ৫ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু         বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বাতিল         বন্যার্তদের পাশে রয়েছে সরকার ॥ ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী         নতুন সচিব ৮ মন্ত্রণালয়ে         বিদ্যুতের দাম ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ         ‘নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার জন্য দায়ী আন্তর্জাতিক বাজার’         বঙ্গবন্ধু টানেলের টোল আদায় করবে চায়না কমিউনিকেশনস         খোলা বাজারে ডলারের দাম আজ ৯৯ টাকা         ঢাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী রোজেন বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড গ্রেফতার         দেশে আরও ২২ জনের করোনা শনাক্ত         করোনা নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী         দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই ॥ খাদ্যমন্ত্রী         ১৯৮২ সালের পর যুক্তরাজ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি