৩ এপ্রিল ২০২০, ২০ চৈত্র ১৪২৬, শুক্রবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

মজুদ গ্যাস ২০৩০ সাল পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে : সংসদে বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৮:০২ পি. এম.
মজুদ গ্যাস ২০৩০ সাল পর্যন্ত সরবরাহ করা সম্ভব হবে   : সংসদে বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার ॥ বর্তমানে দেশে (২০২০ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত) উত্তোলনযোগ্য মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্র হতে বর্তমানে দৈনিক গড়ে ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। এই হারে গ্যাস উৎপাদন অব্যাহত থাকলে বিদ্যমান মজুদ দিয়ে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত জনগণ ও শিল্পকারখানাসহ অন্যান্য গ্রাহকের সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান বিদ্যুত, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কারে গৃহিত পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলার সীতাপাহাড় ভূগঠনে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ চলমান রয়েছে। অনশোরের বিভিন্ন ব্লকে ২ডি সাইসমিক জরীপ করার জন্য ডিপিপি অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। শ্রীকাইল ইস্ট#১ অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি জানান, এছাড়া সমুদ্রাঞ্চলে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪টি (এসএস-০৪, এসএস-০৯, এসএস-১১ ও ডিএস-১২) ব্লকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির সঙ্গে উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসকল ব্লকে সম্পাদিত দ্বি-মাত্রিক এবং ত্রি-মাত্রিক জরিপের ভিত্তিতে অগভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লকে ২০১১ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চারটি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হবে। খুব শীঘ্রই এসএস-০৪ এ একটি অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হবে।

বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৬০ মিটার অবৈধ বিতরণ লাইন রয়েছে। তারমধ্যে ঢাকা মহানগরে ১ হাজার ৪৬০ মিটার, ঢাকা জেলায় ১৮ হাজার ৫০০ মিটার, গাজীপুরে ১ হাজার ৪৫০ মিটার, নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ মিটার এবং মুন্সিগঞ্জে ৩১ হাজার মিটার।

বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী জানান, বিচ্ছিন্নকৃত অবৈধ বিতরণ পাইপ লাইনের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫৮৫ কিলোমিটার, বিচ্ছিন্নকৃত গ্যাস বার্ণারের সংখ্যা ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০টি, এজন্য বিভিন্ন থানায় মোট ১০৪টি মামলা করা হয়েছে। অবৈধ গ্যাস বিতরণ বিচ্ছিন্নে ২০১৬-২০১৭ হতে এ পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০০ টাকা আদায় করা হয়েছে।

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৮:০২ পি. এম.

১৮/০২/২০২০ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

জাতীয়



শীর্ষ সংবাদ: