১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 

পেঁয়াজ এক শ’ টাকার নিচে পাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ৯ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা, রংপুর, ৮ নবেম্বর ॥ বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, এ মাসের শেষের দিকে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কমবে। তবে পেঁয়াজ ১০০ টাকার নিচে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা আপাতত নেই। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। শুক্রবার (৮ নবেম্বর) সকালে রংপুর নগরীর একটি হোটেলে ইটভাঁটি মালিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিসর থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসার কথা। সেটা এলেও দাম একটু কমতে পারে বলে মনে হয়।’

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। সেখানেই পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে কিনে আমদানি করতে হবে। আমাদের দেশে আসার পর তা ১০০ টাকা দর পড়ে যাবে। ফলে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে আপাতত কোন লাভ হচ্ছে না।’ মন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। মনিটরিং করার জন্য মন্ত্রণালয়ে একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করছে’

মাগুরার মুড়ি কাটা পেঁয়াজ বাজারে আসবে ২৫ দিনের মধ্যে

নিজস্ব সংবাদদাতা মাগুরা থেকে জানান, মাগুরার নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ ২৫/২৫ দিনের মধ্যে বাজারে উঠবে ফলে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে। ভাল দামের আশায় জেলায় মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে কৃষকরা ঝুঁকে পড়েছে।

জানা গেছে, মাগুরায় মুড়ি কাটা পেঁয়াজ চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। জেলার শ্রীপুরের বারইপাড়া, চরগোয়ালপাড়া, হরিণাডাঙ্গা, আমলসার, হাজরাতলা, শ্রীকোলসহ বিভিন্ন প্রভৃতি গ্রামে ৭৫ হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেয়াজ চাষ হয়েছে। ছোট পেঁয়াজ বীজ হিসেবে জমিতে রোপণ করা হয় বলে স্থানীয়ভাবে একে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বলা হয়। এই পেঁয়াজ গাছে প্রথমে কালি হয় এবং কালিকাটার পর পেঁয়াজ তোলা হয়। প্রতি কেজি কালি ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। পরে কৃষকরা কালির পাশাপাশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন। চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এই চাষে দিন দিন ঝুঁকে পড়েছে। আশ্বিন মাসে জমিতে ছোট পেঁয়াজ রোপণ করা হয় এবং অগ্রহায়ণ মাসের প্রথমদিকে কালি ও মুড়ি কাটা পেঁয়াজ বাজারে আসবে। কৃষকরা জানান, ১৫/২০ দিনের মধ্যে এই পেঁয়াজ বাজারে আসবে । মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে আসলে পেঁয়াজের দাম কমবে বলে কৃষকরা জানান। জেলার অনেক কৃষক মুড়ি কাটা পেঁয়াজ চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে পেঁয়াজ বীজ চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হচ্ছে। এ বছর মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন ভাল হয়েছে।

শ্রীপুর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল কুমার বিশ্বাস জানান, মুড়িকাটা পেঁয়াজ কৃষকরা আবাদ করছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠলে পেঁয়াজের দাম কমে যাবে। ২০/২৫ দিনের মধ্যে মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠবে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে। এরপর কৃষক দানা পেঁয়াজ আবাদ করবে। মাঠে তারা বীজতলা দিয়েছে।

প্রকাশিত : ৯ নভেম্বর ২০১৯

০৯/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

শেষের পাতা



শীর্ষ সংবাদ: