ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার নগরী উপহার দেব

প্রকাশিত: ১৮:৩৬, ১৭ জুন ২০২৪; আপডেট: ১৯:৪৭, ১৭ জুন ২০২৪

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার নগরী উপহার দেব

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আমরা একটি পরিষ্কার নগরী উপহার দেব। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমাদের কমিশনাররা মাঠে নেমে গেছেন। সবাইকে নিয়ে আমরা খুব দ্রুতই বর্জ্য অপসারণ করতে পারব বলে আশা করি।

সোমবার (১৭ জুন) ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের উদ্বোধনে ইউএসএ থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমাদের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত কর্মীরা কাজ করছেন। আগামীকাল পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতার কাজ চলবে। অনেকে দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি দিয়ে থাকেন, তাই আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।’

তাপস বলেন, ‘কোরবানির বর্জ্যের সঙ্গে দৈনন্দিন যে আবর্জনা আছে সেগুলো আমাদের পরিষ্কার করতে হবে। সুতরাং আমাদের পরিশ্রম অনেক।’

সবাইকে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য রাখার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, এবার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত সব জায়গা পরিষ্কার করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে। সবার সহায়তা চাই।

সোমবার সকালে মিরপুরের গোলারটেক মাঠে ঈদের জামাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গত বছর ৮ ঘণ্টা সময় নিলেও বর্জ্য অপসারণে এবার ৬ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে একটি চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়। সেজন্য আমাদের কাউন্সিলররা সবাই মাঠে থাকবেন।’

‘গত বছর দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সময় লেগেছিল পরিষ্কার করতে। এবার আমি বলেছি, ২টা থেকে ৮টার মধ্যে ডিএনসিসির সব অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান রাস্তা পর্যন্ত সব জায়গা পরিষ্কার করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব। আমি বিনয়ের সঙ্গে সবাইকে বলব, আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য’, যোগ করেন ডিএনসিসি মেয়র।  

মেয়র বলেন, বর্জ্য অপসারণে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মী মাঠে রয়েছেন। কাউন্সিলররা এবং আমি নিজেও মাঠে থাকছি। এ ছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে পশু কোরবানি দিচ্ছি একটি মাঠের মধ্যে। যারা পশু নিয়ে আসছেন, তাদেরকে প্রণোদনা হিসেবে এক হাজার টাকা করে দিচ্ছি। কারণ যত্রতত্র কোরবানি দেয়া হলে পরিবেশ নষ্ট হয়।

‘আর ঘণ্টা বলতে হবে না। পশু কোরবানি দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে জায়গা পরিষ্কার করে দেব, এ ধরনের কনসেপ্ট নিয়ে এগুতে চাচ্ছি। আগামীবার আমাদের নির্দিষ্ট জায়গায় যারা পশু কোরবানি দেবেন, তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে’, যোগ করেন আতিকুল ইসলাম।

 

শহিদ

×