ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাবলিশহার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মিতিয়ার সাক্ষাৎ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০১:২২, ১৪ জুন ২০২৪; আপডেট: ১৪:২২, ১৪ জুন ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পাবলিশহার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মিতিয়ার সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মিতিয়া ওসমান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পাবলিশহার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী বাংলাদেশী পুস্তক প্রকাশক মিতিয়া ওসমান। বৃহস্পতিবার পুরস্কার নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
এ সময় তার গর্বিত পিতা খ্যাতিমান প্রকাশক ওসমান গনিও উপস্থিত ছিলেন। জনকণ্ঠকে তিনি জানান, পুস্তক প্রকাশনা পেশায় যুক্ত সারা দুনিয়ার নারীদের গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম ‘পাবলিশহার’ গত এপ্রিলে এই এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। অনন্য নেতৃত্ব, সুদূর প্রসারী চিন্তা ও ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার সক্ষমতা বিবেচনায় বিশ্বের প্রকাশনা জগতের উদীয়মান তারকাদের মধ্য থেকে মিতিয়াকে সেরা নির্বাচন করেন তারা।

গত ৮ এপ্রিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ শিশুতোষ বইমেলা ইতালির বোলোনিয়া চিলড্রেনস বুক ফেয়ারে ময়ূরপঙ্খির প্রকাশক এবং আগামী প্রকাশনীর নির্বাহী পরিচালক মিতিয়া ওসমানের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ওসমান গনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সংবাদটি জানার পরপরই মিতিয়া ওসমানকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এরপর দেশে ফিরে বৃহস্পতিবার পুরস্কারসহ তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মিতিয়া।
প্র্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিজয়ী প্রকাশকের কাছ থেকে বিস্তারিত শোনেন এবং তাকে ফের অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী মিতিয়া ওসমানকে উৎসাহ দেন এবং তার ভবিষ্যত সাফল্য কামনা করেন।
মেয়ের অর্জনে গর্বিত পিতা বলেন, মিতিয়া নীরবে নিজের মতো করে কাজ করতে ভালোবাসে। অমর একুশে বইমেলায় বাংলা একাডেমি বিভিন্ন সময়ে তার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ময়ূরপঙ্খীকে পুরস্কৃত করেছে।

বিশ্বের নামকরা আন্তর্জাতিক বইমেলাগুলোতেও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে, বিশেষ বক্তা হিসেবে সে অংশ নিচ্ছে। দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহ এ ক্ষেত্রে তাকে আরও বেশি শক্তি সাহস যোগাবে।
প্রকাশনা শিল্পে নারীদের সাফল্য উদ্যাপন, বৈচিত্র্য, সমতা ও সকলের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করার লক্ষ্যে প্রবর্তন করা হয়েছে পাবলিশহার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড। গত ১৭ মার্চ লন্ডন বইমেলায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই অ্যাওয়ার্ডের তিন শাখায় নয়জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। পুরস্কারের জন্য বিশ্বের ৩০টি দেশ থেকে মোট ১১৩টি মনোনয়ন জমা পড়ে।

‘লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট’ এবং ‘ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ শাখায় পুরস্কার জেতেন যথাক্রমে জ্যামাইকার কার্লং পাবলিশার্সের চেয়ারপারসন শার্লি ভনকারবি এবং জার্মানির ‘পালোমা পাবলিশিং’য়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রকাশনা পরিচালক অ্যানফ্রাইবেল।
 

×