ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে মেয়েরা এগিয়ে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৮:১৪, ১৫ মে ২০২৪

নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে মেয়েরা এগিয়ে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ড. নাতালিয়া কানেমের সাক্ষাৎ।

বাংলাদেশে এখন স্কুল পরীক্ষায় সংখ্যা এবং একাডেমিক ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১৫ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী পরিচালক ও জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ড. নাতালিয়া কানেমের সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সৌজন্য সাক্ষাৎ এর সময় এসব কথা কলেন শেখ হাসিনা।

সাক্ষাৎকালে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার, প্রজনন স্বাস্থ্য, বাল্যবিয়ে এবং নারী শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে সংখ্যা এবং পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে আছে। এটা সম্ভব হয়েছে নারীবান্ধব শিক্ষানীতির কারণে। অথচ অতীতে একটা সময় অনেক বাবা-মা মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে আগ্রহী ছিলেন না।’

জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিলের নির্বাহী পরিচালক শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন, ‘শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার হ্রাসে বাংলাদেশ অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসময় জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। যার ফলে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের দুর্দশা কমেছে।’

নারী শিক্ষায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি কর্মসূচি এবং স্কুল ফিডিং কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি নারীদের কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় বিপুল সংখ্যক নারী এখন স্কুলে আসছে।’

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

এম হাসান

×