ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০১ অক্টোবর ২০২৩, ১৬ আশ্বিন ১৪৩০

অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

গুজব ঠেকাতে বিশেষ সেল তৈরির পরিকল্পনা

শংকর কুমার দে

প্রকাশিত: ২৩:১৭, ৮ জুন ২০২৩

গুজব ঠেকাতে বিশেষ সেল তৈরির পরিকল্পনা

দেশের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা

দেশের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বিভিন্ন গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। বিদেশে বসে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে জড়িত ২২ জনের তালিকা তৈরি করেছে সংস্থাটি। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনসহ ২২ জনের তালিকা পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে তাদের তালিকা পাঠানো হচ্ছে। বিদেশে বসে যারা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে, তাদের পাসপোর্ট বাতিল করা হবে। দেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
গোয়েন্দা সংস্থার সূত্র জানায়, বিদেশে বসে যারা অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœœ করছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দূতাবাসগুলোকে আইনানুগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও দেশের ভেতরে গুজব সৃষ্টি ও অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশে অস্থিরতা ও অরাজকতা সৃষ্টির জন্য গুজব ও অপপ্রচার করে চলেছে কুচক্রী মহল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে হাতিয়ার বানিয়ে পরিকল্পিতভাবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। উগ্র মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী, স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী চক্র ক্রমাগতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অশান্তির আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে বলে জানতে পেরেছে গোয়েন্দা সংস্থা। দেশে অপপ্রচার ও গুজব সৃষ্টিকারীদের তালিকা তৈরিসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গুজব ও অপপ্রচারবিরোধী বিশেষ সেল তৈরি করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, গুজব ও অপপ্রচার ছড়াতে তৎপর একাধিক দেশী-বিদেশী কুচক্রি মহল। সাধারণ মানুষকে নানাভাবে প্রভাবিত করতে সবচেয়ে বেশি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট, এডিট করা ছবি ও লেখনীর মাধ্যমে চলছে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানোর কাজ।
গোয়েন্দা সংস্থা আশঙ্কা করছে, দেশী-বিদেশী অশুভ চক্র আগামী নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীল ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে গুজব ও অপপ্রচারের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিতে পারে। বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে গুজব ও অপপ্রচার চালানোকারী অশুভ মহল।
সূত্র জানায়, কোনো একটা জায়গায় গুজব ছড়ানো হলে সেটি কারা ছড়িয়ে দিল, তাদের উদ্দেশ্য কী, কারা এর ইন্ধনদাতা- এসব খতিয়ে দেখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছড়িয়ে দেওয়া গুজব ও অপপ্রচার প্রতিকারের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। টুইটারসহ সব সামাজিক মিডিয়া এবং ফোরাম পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। 
সূত্র আরো জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিওতে গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কয়েকজন উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা ও সরকারী কর্মকর্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে গুজব রটনাকারীরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশের বাইরে থেকে ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। সরকারি কর্মকর্তারা অনেকেই দেশের বাইরে গিয়ে আর ফিরবেন না বলে গুজব ছড়িয়ে দেয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মো. হারুন অর রশীদের সস্ত্রীক বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সরকারি আদেশের (জিও) একটি ছবি সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যায়, ৩ জুন থেকে ১৩ দিনের ছুটিতে সস্ত্রীক সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা রয়েছে এই পুলিশ কর্মকর্তার। কে বা কারা এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পায়তারা করছে- সে বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। 
গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মো. হারুন অর রশীদ বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভিন্ন সময় গুজব ছড়ানো হয়। আমাকে নিয়েও তাই করা হচ্ছে। পুলিশের মনোবল ভাঙার জন্য এগুলো করা হয়। তবে পুলিশের মনোবল ভাঙবে না। ছুটি গোপনে নিচ্ছি না। সবাই জানে। বিভিন্ন স্তর পার হয়ে ছুটি পাস হয়। এ ছাড়া একজন কর্মকর্তা যে কোনো প্রয়োজনে বিদেশ যেতেই পারেন।
তিনি বলেছেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ যেতে চাইলে তার ছুটি নিতে অনেক সময় লাগে। তার ঊর্র্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। এই অনুমতির জিও ওয়েবসাইটে দেওয়া থাকে। সেটি যে কেউ চাইলে দেখতেও পারেন। 
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী বানোয়াট, মিথ্যা তথ্য প্রচার, গুজব ছড়ানো, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, নির্বাচন কমিশনার, সেনাবাহিনী প্রধান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, র‌্যাব ডিজি ও ডিএমপি কমিশনারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ছবি বিকৃত করে চালানো অপপ্রচারের অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যাবহার করে গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশে অস্থিতিশীল ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা গুজব ও অপপ্রচার ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক ও পূর্ব শত্রুতার কারণে গুজব ও অপপ্রচারের জন্য হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে র‌্যাব ফোর্সেস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নামেও গুজব ছড়ানো হয়েছে। র‌্যাবের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও র‌্যাব ফোর্সেসের নামে গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করছে। সরকার, প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও র‌্যাব ফোর্সেসের নামে কোনো প্রকার গুজব না ছড়ানোর জন্য সতর্ক করে দিয়েছে র‌্যাব। সংস্থাটি বলেছে, গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত না হলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ গত জানুয়ারি মাসে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ইসলামী ব্যাংকের চার কর্মকর্তা গ্রেপ্তার করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মো. সাইদ উল্লাহ, মো. মোশাররফ হোসেন, শহিদুল্লাহ মজুমদার ও ক্যাপ্টেন (অব) হাবিবুর রহমানকে।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তাররা সবাই ব্যাংকার এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন। তারা ব্যাংকটিকে ধ্বংসের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে টালমাটাল করে সরকারকেও বেকায়দায় ফেলে দিতে চেয়েছে। সম্প্রতি এই ব্যাংকের কয়েক কর্মকর্তা ব্যাংক সম্পর্কে মনগড়া তথ্য প্রদান করে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ান। তারা জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে গুজব ছড়িয়ে মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করা।
পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অপপ্রচার ও গুজব বন্ধে বিশেষ সেল গঠন করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। জেলা, উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার তৃণমূল থেকে যাতে গুজবকে নির্মূল করা যায়, তার জন্য সাইবার সিকিউরিটি ক্রাইম বিভাগকে বিশেষভাবে কাজে লাগানো হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বিশেষ সেল গঠন করার সুপারিশ করা হয়েছে। ফেসবুক, টুইটার বা ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব গুজব ছড়ানো হয়, তার উৎস অনুসন্ধান করা হবে। এ ছাড়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে আসল ঘটনা উদ্ঘাটন করা হবে। রাজনৈতিক ফায়দা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতেই গুজব ছড়ানো হয় বলে পুলিশের দাবি। 
গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেছেন, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তারাই মূলত এমন কাজগুলো করে থাকে। নানা রকম ফায়দা লুটতে একটি মহল নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। এসসব গুজব রাষ্ট্রের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে, নাশকতা, সহিংসতা ও গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে, সেসব বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এসব গুজবের উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় বেশিরভাগই দেশের বাইরে থেকে হচ্ছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সরকারকে বেকাদায় ফেলতে বিদেশে বসে দেশবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত থেকে বর্হিবিশ্বে ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে একটি অশুভ মহল। বিদেশে বসে যারা অপপ্রচার ও গুজব ছড়িয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœœ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিদেশস্থ বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে আইনানুগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিদেশে বসে যারা রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার চালিয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœœ করছে তাদের চিহ্নিত করে মুখোশ উন্মোচন ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে দীর্ঘ তদন্ত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে ২২ জনের নাম উঠে এসেছে এবং তাদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকার বাইরে আরও অনেকের নাম রয়েছে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, কাতার ও সুইডেন- এই পাঁচটি দেশে বসে অপপ্রচার চালাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। তালিকাভুক্তদের মধ্যে আছে সাইবার ক্রিমিনাল তাসনিম খলিল, বিদেশে অবস্থানকারী ইলিয়াস হোসেন, কর্নেল (বরখাস্ত) শহীদ খান, প্রবাসী সাংবাদিক কনক সারওয়ার, ব্রিটিশ নাগরিক ডেভিড বার্গম্যান (বাংলাদেশের জামাই) প্রমুখ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে অপপ্রচারকারীদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত  বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে একটি চক্র বিদেশে বসে দেশবিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত থেকে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে।

তাদের ক্রমাগত অপপ্রচারে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত কিছু দেশ বাংলাদেশ সম্পর্কে বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করছে। অপপ্রচারের উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, সুইডেন থেকে ‘নেত্র নিউজ’ অপপ্রচারের অংশ হিসেবে একের পর এক মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করে যাচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরকারের বক্তব্যগুলো বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।