ঢাকা, বাংলাদেশ   বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯

বাংলাদেশ সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চায়নি: রাষ্ট্রদূত 

প্রকাশিত: ১৫:০৮, ১০ আগস্ট ২০২২

বাংলাদেশ সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য চায়নি: রাষ্ট্রদূত 

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি চুয়ার্ড

বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি চুয়ার্ড বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জমা করা অর্থের বেশির ভাগ অবৈধপথে আয় করা হয়েছে এ ধরনের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত সুইস ব্যাংকের কাছে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চায়নি।

বুধবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

সুইস রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সুইস ব্যাংক আন্তর্জাতিক সব প্রক্রিয়া মেনেই কাজ করে। সেখানে কালোটাকা বা দুর্নীতির অর্থ রাখার কোনো নিয়ম নেই। এসএনবির ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছরে বাংলাদেশিরা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সুইজারল্যান্ড এবং বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে আমি বলতে চাচ্ছি যে, সুইজারল্যান্ড আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক মান অনুসারে আমরা এই ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও চুক্তিও করতে পারি। ইতোম‌ধ্যে আমরা সরকারকে এ বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে সমস্ত তথ্য সরবরাহ করে‌ছি।’

নাতালি চুয়ার্ড বলেন, ‘আমাদের ব্যাংকগুলো অবৈধ অর্থ রাখার নিরাপদ স্থান নয়। বৈশ্বিক আর্থিক খাতে সুইস ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ধরনের সংস্কার করেছে, নতুন ও উন্নত মানদণ্ড তৈরি করছে এবং তারা অবৈধ অর্থ রাখার জন্য প্রলুব্ধ করে।’

বাংলাদেশিরা কত টাকা জমা রেখেছে ওই তথ্য প্রতিবছর সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক দিয়ে থাকে এবং ওই অর্থ অবৈধপথে আয় করা হয়েছে কি-না তা আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান সুইস রাষ্ট্রদূত।

রোহিঙ্গা বিষয়ে নাতালি চুয়ার্ড বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা তাদের নিজেদের জন্যই নয়, বাংলাদেশের জন্য একটি সমস্যা। আমরা যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করছি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। 

এমএইচ