ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছর স্থূল কোয়ান্টাম মেকানিক্স টানেলিং এবং শক্তির কোয়ান্টাইজেশন আবিষ্কারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন বিজ্ঞানী জন ক্লার্ক, মিশেল এইচ ডেভোরেট এবং জন এম মার্টিনিসকে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস জানিয়েছে, এই যুগান্তকারী আবিষ্কার কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এই বছরের নোবেল পুরস্কারের মূল বিষয় ছিল—ক্ষুদ্রাতীত কণার আচরণ কীভাবে পরিচিত বৃহৎ আকারের মানব-সৃষ্ট বস্তুর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়। পুরস্কৃত এই তিন বিজ্ঞানী তাদের ধারাবাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, এই ঘটনাটি সম্ভব; তারা একটি অতিপরিবাহী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা তৈরি করেন যা একটি অবস্থা থেকে সরাসরি অন্য অবস্থায় 'টানেল' করে যেতে পারে, যা অনেকটা দেওয়াল ভেদ করে চলে যাওয়ার মতো। তারা আরও দেখিয়েছেন যে এই ব্যবস্থাটি সুনির্দিষ্ট 'ডোজ'-এ বা মাত্রায় শক্তি শোষণ ও বিকিরণ করে, যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
উল্লেখ্য, গত বছর কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের আবিষ্কারের জন্য জন জে হোপফিল্ড এবং জিওফ্রি ই. হিন্টন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছিলেন।
এসইউ








