ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

যা খেলে ডেঙ্গু আক্রান্তরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন

প্রকাশিত: ২১:০০, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২; আপডেট: ২১:১২, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

যা খেলে ডেঙ্গু আক্রান্তরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন

ডেঙ্গু আক্রান্ত

প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও এই জ্বরে মারা গেছে ৫০ জন। ডেঙ্গু হলে রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যায়। সেই সঙ্গে ডায়রিয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন হয়। 

এই রোগে শরীরে প্রচুর পানির প্রয়োজন। ডেঙ্গু হলে তাই শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক সকলেরই খাবারে প্রচুর পরিমাণে পানি বা তরল খাবার রাখা প্রয়োজন। এছাড়া খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রাখলে দুর্বলতা খানিক কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। 

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে ডায়েটে যা রাখবেন-

১. পেঁপে পাতার রস: পুষ্টিবিদদের মতে, পেঁপে পাতার রস রক্তে অনুচক্রিকার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে। ডেঙ্গুর প্রকোপে শরীরে অনুচক্রিকার মাত্রা অস্বাভাবিক হারে হ্রাস পায়। পেঁপে পাতার রস বানিয়ে জলের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে তিন থেকে চার বার খেতে পারলেই রক্তে অনুচক্রিকার মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

২. কিউয়ি: চিকিৎসকদের মতে, ডেঙ্গু হলে কিউয়ি ফল খাওয়া খুব স্বাস্থ্যকর। এই ফল রক্তে অনুচক্রিকার মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

৩. বেদানা: প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে বেদানায়। ফলে দেহের শক্তি বাড়ে, অনুচক্রিকার সংখ্যা বাড়াতেও সাহায্য করে এটি।

৪. দই: ডেঙ্গু হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাই দৈনন্দিন খাবারে এই সময়ে দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক রাখা জরুরি। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, ‌শরীর ডিটক্সিফাই হতে সাহায্য করে।

৫. ডাবের জল: ডেঙ্গুতে জ্বরের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসাবে শরীরে জলের ঘাটতি হয়। তাই এই সময় ডাব ‌বা নারকেলের জল খেতে হবে। এতে দেহে জলের ঘাটতিও মেটাবে, আবার পুষ্টিগুণ ও বিভিন্ন ইলেক্ট্রোলাইটে সমৃদ্ধ এই নারকেলের জল দৈহিক শক্তিও বাড়াবে।

৬. ব্রকোলি: ব্রকোলিতে প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন কে, যা অনুচক্রিকা পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে। অন্যান্য পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ ব্রকোলি। এই সময়ে রোজের ডায়েটে এই সব্জি রাখতেই হবে।

ডেঙ্গু হলে ডায়েটে এই খাবারগুলি রাখতে পারলে রোগীর অবস্থার উন্নতি হয় ঠিকই, তবে শরীরে জলের অত্যধিক ঘাটতি হয়ে গেলে বা অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকখানি কমে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

এমএইচ

সম্পর্কিত বিষয়: