ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯

নির্মিত হলো মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘অপেক্ষা সূর্যোদয়ের’

প্রকাশিত: ০৪:৩৩, ২ এপ্রিল ২০১৮

নির্মিত হলো মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ টেলিফিল্ম ‘অপেক্ষা সূর্যোদয়ের’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তরুণ মঞ্চকর্মী, নাট্যকার ও নির্দেশক এইচ আর অনিকের রচনা ও নির্দেশনায় সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্ম ‘অপেক্ষা-সূর্যোদয়ের’। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটের ওপর নির্মিত এই টেলিফিল্মটির শূটিং হয়েছে গাজীপুরের মাওনায় বনবিলাস শূটিং স্পটে। টেলিফিল্মের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদেক বাচ্চু, ডলি জহুর, ঝুনা চৌধুরী, জিয়াউল হাসান কিসলু, বি এম আজাদ, মৌরি আলম, সাজু আহমেদ, আসিফ মোঃ নজরুল, মোঃ জামিল উদ্দিন খান লোটাস, মাহমুদুল হাসান মাসুম, এস এম অঙ্গন, হাসান, হৃদয়, বাবু, তানভীর, আব্দুল মান্নান, মাসুম বিল্লাহ, শুভ্র, আনোয়ার, মেহেদী, রনকসহ আরও অনেকে। পরিচালক এইচ আর অনিক জানিয়েছেন সম্পাদনা শেষে খুব শীঘ্রই টেলিফিল্মের একটি প্রিমিয়ার শোয়ের আয়োজন করা হবে। এরপর একটি চ্যানেলে প্রচারের সম্ভাবনা রয়েছে। ‘অপেক্ষা-সূর্যোদয়ের’ টেলিফিল্মের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকে কেন্দ্র করে। টেলিফিল্মের গল্পে দেখা যাবে পলাশ নামের একটি যুবক তার মাকে প্রচ- রকম ভালবাসে। সময়টা ১৯৭১, সমস্ত দেশে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী নির্মম অত্যাচার, হত্যাযজ্ঞ ও তা-ব চালায়। পলাশের গ্রামেও প্রবেশ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী। গ্রামের আজগর চেয়ারম্যান পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীদের ক্যাম্প করার ব্যবস্থা করে দেন এবং হানাদার বাহিনীকে নানাভাবে সাহায্য করে। আজগর চেয়ারম্যানের মেয়ে শেফালী এবং ছেলে সবুজ তারপক্ষে থাকে না, তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকে। গ্রামের মিজান স্যার যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে যাওয়ার জন্য বুঝায় দেশ মানে কী? মুক্তিযুদ্ধ মানে কী? তা অনুধাবন করায় যুবকদের। মিজান স্যার বলেন, আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের প্রত্যেকটি কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। অন্যদিকে পলাশ সব বুঝতে চায় কিন্তু হত্যা, রক্তপাত এবং পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে প্রচ- ভয় পায়। তার মা তাকে অনেক বুঝায় কিন্তু পলাশ বুঝতে চায় না। এদিকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গ্রামে হত্যাযজ্ঞ চালায়। সমস্ত গ্রামকে তছনছ করে দেয়। মিজান স্যার যুবকদের নিয়ে গোপন মিটিং করে। তিনি বলেন, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প বোমা দিয়ে উড়িয়ে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, যে বোমাটি বহন করবে তার মৃত্যু নিশ্চিত। ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে পলাশ ঘুমের ঘোরে স্বপ্ন দেখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তার মাকে অত্যাচার করছে। এই স্বপ্ন দেখার পরই তার মধ্যে চেতনা জাগ্রত হয়। পলাশ বলে তার মাকে তোমারে বাঁচাইতে যাই, এই বলে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেয় পলাশ। এভাবেই ‘অপেক্ষা-সূর্যোদয়ের’ টেলিফিল্মের কাহিনী এগিয়ে যায়।