বুধবার ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ অক্টোবর ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

সভাপতি নিজ আসন ছেড়ে এসে স্বাগত জানান বঙ্গবন্ধুকে

সভাপতি নিজ আসন ছেড়ে এসে স্বাগত জানান বঙ্গবন্ধুকে
  • বক্তৃতা শুনতে হাউসফুল ছিল জাতিসংঘ

মোরসালিন মিজান ॥ সে এক ইতিহাস বটে। না, দেশের মাটিতে নয়। বিশ্বসভায়। জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রথমবার যোগ দিয়েই সবার মনোযোগ কেড়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। যুদ্ধজয়ী মুক্ত স্বাধীন দেশের সরকার প্রধান হিসেবে বিশ্ব নেতাদের সামনে একইরকম মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। লম্বা চওড়া স্মার্ট সুদর্শন নেতাকে মঞ্চে দেখে অনেকে ভাবতেই পারেননি তিনি বাংলাদেশের মানুষ!

বাঙালী নেতাকে অধিবেশন চলাকালে বিরল সম্মান জানানো হয়েছিল। সাধারণ পরিষদের সভাপতি নিজের আসন ছেড়ে উঠে এসে তাঁকে বক্তৃতা মঞ্চে স্বাগত জানিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার সময়ও সবাই উপস্থিত থাকেন না। কিন্তু সদ্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার সময় পুরো হাউস কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। সবাই তাকিয়ে ছিলেন শেখ মুজিবের দিকে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘের সেই অধিবেশনে যোগ দেয়া একাধিক সৌভাগ্যবানের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এমন চমকিত হওয়ার মতো তথ্য।

১৯৭৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত অনুমোদনক্রমে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে বাংলাদেশ। এর কয়েক দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বক্তৃতার জন্য আহ্বান করা হয়।

নাতিদীর্ঘ ভাষণের সূচনায় বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেন, ‘আজ এই মহামহিমান্বিত সমাবেশে দাঁড়াইয়া আপনাদের সঙ্গে আমি এই জন্য পরিপূর্ণ সন্তুষ্টির ভাগিদার যে, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ আজ এই পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করিতেছেন। আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পূর্ণতা চিহ্নিত করিয়া বাঙালী জাতির জন্য ইহা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।’ বাঙালীর দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনভাবে বাঁচিবার অধিকার অর্জনের জন্য এবং একটি স্বাধীন দেশে মুক্ত নাগরিকের মর্যাদা নিয়া বাঁচিবার জন্য বাঙালী জনগণ শতাব্দীর পর শতাব্দীব্যাপী সংগ্রাম করিয়াছেন, তাহারা বিশ্বের সকল জাতির সঙ্গে শান্তি ও সৌহার্দ্য নিয়া বাস করিবার জন্য আকাক্সিক্ষত ছিলেন। যে মহান আদর্শ জাতিসংঘ সনদে রক্ষিত আছে, আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষ সেই আদর্শের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করিয়াছেন।’

ভাষণে দেশমাতৃকার জন্য লড়াই করে প্রাণ বিসর্জন দেয়া শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি। একইসঙ্গে বাংলাদেশের সংগ্রামে সমর্থনকারী সকল দেশ ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম সার্বিক অর্থে শান্তি এবং ন্যায়ের সংগ্রাম ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর সে জন্যই জন্মলগ্ন হইতেই বাংলাদেশ বিশ্বের নিপীড়িত জনতার পাশে দাঁড়াইয়া আসিতেছে।’

সে সময়ের বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণ তুলে ধরে বাঙালীর নেতা বলেন, ‘একদিকে অতীতের অন্যায় অবিচারের অবসান ঘটাইতে হইতেছে, অপর দিকে আমরা আগামী দিনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হইতেছি। আজিকার দিনের বিশ্বের জাতিসমূহ কোন্্ পথ বাছিয়া নিবে তাহা লইয়া সঙ্কটে পড়িয়াছে। এই পথ বাছিয়া নেওয়ার বিবেচনার উপর নির্ভর করিবে আমরা সামগ্রিক ধ্বংসের ভীতি এবং আণবিক যুদ্ধের হুমকি নিয়া এবং ক্ষুধা, বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের কশাঘাতে মানবিক দুর্গতিকে বিপুলভাবে বাড়াইয়া তুলিয়া আগাইয়া যাইব অথবা আমরা এমন এক বিশ্ব গড়িয়া তোলার পথে আগাইয়া যাইব যে বিশ্ব মানুষের সৃজনশীলতা এবং আমাদের সময়ের বিজ্ঞান ও কারিগরি অগ্রগতি আণবিক যুদ্ধের হুমকিমুক্ত উজ্জ্বলতর ভবিষ্যতের রূপায়ন সম্ভব করিয়া তুলিবে এবং যে বিশ্ব কারিগরি বিদ্যা ও সম্পদের পারস্পরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সর্বক্ষেত্রে সুন্দর জীবন গড়িয়া তোলার অবস্থা সৃষ্টি করিবে।’ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রথম হইতেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সকলের প্রতি বন্ধুত্ব এই নীতিমালার উপর ভিত্তি করিয়া জোট নিরপেক্ষ নীতি গ্রহণ করিয়াছে। কেবল শান্তিপূর্ণ পরিবেশই কষ্টলব্ধ জাতীয় স্বাধীনতার ফল ভোগ করিতে সক্ষম করিয়া তুলিবে বলে মত দেন তিনি।’

প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বাংলাদেশের অভ্যুদয় বস্তুতপক্ষে এই উপমহাদেশে শান্তির কাঠামো এবং স্থায়িত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে অবদান সৃষ্টি করিবে। ইহা ছাড়া আমাদের জনগণের মঙ্গলের স্বার্থেই অতীতের সংঘর্ষ ও বিরোধিতার পরিবর্তে মৈত্রী ও সহযোগিতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করিতে হইবে।’

বাঙালীর উদারতার বহির্প্রকাশ ঘটিয়ে বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী ভারত ও নেপালের সঙ্গে শুধুমাত্র প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কই প্রতিষ্ঠা করি নাই, অতীতের সমস্ত গ্লানি ভুলিয়া গিয়া পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক করিয়া নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করিয়াছি।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখ-তার প্রতি শ্রদ্ধা এবং অন্যের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী সকল দেশের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক বজায় বজায় রাখিবে। আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বশান্তির অন্বেষায় সকল উদ্যোগের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকিবে।’

বাঙালীর ক্ষমতা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি জানতেন বঙ্গবন্ধু। সে কথা বিশ্ববাসীকে আরও একবার জানিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জনাব সভাপতি, মানুষের অজেয় শক্তির প্রতি বিশ্বাস, মানুষের অসম্ভবকে জয় করার ক্ষমতা এবং অজেয়কে জয় করার শক্তির প্রতি অকুণ্ঠ বিশ্বাস রাখিয়া আমি আমার বক্তৃতা শেষ করিতে চাই। আমাদের মতো যেইসব দেশ সংগ্রাম ও আত্মদানের মাধ্যমে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছে, এই বিশ্বাস তাহাদের দৃঢ়। আমরা দুঃখ ভোগ করিতে পারি। কিন্তু মরিব না। টিকিয়া থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করিতে জনগণের দৃঢ়তাই চরম শক্তি। আমাদের লক্ষ্য স্বনির্ভর। আমাদের পথ হইতেছে জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও যৌথ প্রচেষ্টা।’

বক্তৃতার শেষ অংশে খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গের অবতারণা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজেদের শক্তির উপর আমাদের বিশ্বাস রাখিতে হইবে। আর লক্ষ্য পূরণ এবং সুন্দর ভাবীকালের জন্য আমাদের নিজেদেরকে গড়িয়া তুলিবার জন্য জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমেই আমরা আগাইয়া যাইব।’

জানা যায়, শুরুর মতো ভাষণের শেষেও সাধারণ সভার সভাপতিসহ অন্যরা দাঁড়িয়ে করতালির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে অভিনন্দিত করেন। একই রকম প্রশংসা করা হয় জাতিসংঘের ডেলিগেট বুলেটিনে। এতে বঙ্গবন্ধুকে ‘কিংবদন্তির নায়ক মুজিব’ বলে অভিহিত করা হয়। ভাষণ বিশ্লেষণ করে লেখা হয় ‘অতীতের অনগ্রসরতা, যুদ্ধের ধ্বংসলীলা, প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও প্রতিকূল বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ভয়াবহ ফলশ্রুতি হিসেবে যে অসুবিধাজনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বাংলা অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশের নেতা মুজিব তাঁর বক্তব্যে সেটি তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছেন।’

বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী হয়ে ওই অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন আলোচিত যুবনেতা তোফায়েল আহমেদও। সেদিনের স্মৃতিচারণ করে জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, তখন জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা ছিল মাত্র ছয়টি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাই ইংরেজীতে বক্তৃতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলা ভাষার জন্য, বাংলাদেশের জন্য আজীবন সংগ্রাম করা বঙ্গবন্ধু নিজের মাতৃভাষাকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করতেই বাংলায় বক্তৃতা করেন। ভাষণ শেষে তাঁকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বুকে জড়িয়ে ধরেন। আলিঙ্গন করেন। তাদের অনেকের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তখন তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শুধু তোমাদের নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত মানুষের নেতা। তোফায়েল আহমেদ জানান, জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব এ ভাষণের প্রশংসা করে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় আমি আনন্দিত ও গর্বিত। তাঁর দেয়া ভাষণটি সহজ গঠনমূলক ও অর্থবহ।’

সফরসঙ্গী হিসেবে জাতিসংঘে বসে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনেছেন আরেক রাজনীতিবিদ আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। সেই সময়ের স্মৃতি রোমন্থন করে জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আসলে বঙ্গবন্ধুই। তাঁর সঙ্গে কারও তুলনা হয় না। দেশের মতো বিদেশের মাটিতেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন মানুষ। জাতিসংঘে কেবল একজন সরকার প্রধান হিসেবে যাননি তিনি। বরং ‘ক্রিয়েটর অব এ নিউ নেশন’ হওয়ায় পুরো হাউসের দৃষ্টি ছিল তাঁর দিকে। এদিন বিরল সম্মান দেখানো হয় তাঁকে। পরের তথ্যটি আরও চমকপ্রদ। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, লম্বা চওড়া অত্যন্ত সুদর্শন বঙ্গবন্ধুকে দেখে অনেকে ভাবতেই পারেননি- তিনি বাংলাদেশের মানুষ! তিনি বলেন, জাতিসংঘে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার সময়ও সবাই উপস্থিত থাকেন না। কিন্তু বাঙালীর নেতা বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতার সময় পুরো হাউস কানায় কানায় পূর্ণ ছিল।

দীর্ঘসময় বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে কাটানো ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলামও অভিন্ন অনুভূতির কথা জানান। তিনি বলেন, জাতিসংঘে ভাষণ দেয়ার কয়েক দিন আগে নরওয়ে কনফারেন্সে বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু। সে ভাষণটিও ব্যাপক প্রশংসিত হয়। এর পর পরই জাতিসংঘে বক্তৃতা করেন তিনি। অত্যন্ত দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতা সচেতনভাবেই জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন। জাতির জনকের ওই ভাষণের আবেদন আজও ফুরোয়নি। বক্তৃতাটি থেকে আজকের নেতাদের অনেক কিছু শেখার আছে বলে মনে করেন তিনি।

শীর্ষ সংবাদ:
করোনা: গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭, নতুন শনাক্ত ৩০৬         বৃহস্পতিবার গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ         ১ ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী         বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার পাচ্ছে ২৩ প্রতিষ্ঠান         বহদ্দারহাটের ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল পায়নি নকশা প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান         সার্বিক বিবেচনায় মুদ্রাস্ফীতি বাড়েনি ॥ অর্থমন্ত্রী         বাংলাদেশে ফেরিডুবির ঘটনা এবারই প্রথম : শাজাহান খান         ডেঙ্গু : ২৪ ঘণ্টায় নতুন হাসপাতালে ১৮৪         ১১ নবেম্বর রেইনট্রিতে ধর্ষণ মামলার রায়         ব্যাংকে টাকা জমা –উত্তোলনকারীদের টার্গেট, গ্রেফতার ৯         ‘কুমিল্লার ঘটনায় ফেসবুককে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হয়েছে’         সুদানে সব ধরনের ফ্লাইট স্থগিত         কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু         সপ্তাহখানেকের মধ্যেই করোনা টিকা পাবে স্কুল শিক্ষার্থীরা ॥ শিক্ষামন্ত্রী         মার্কিন শিশুদের জন্য ফাইজারের টিকা অনুমোদনের সুপারিশ         নির্বাচনী সংঘাত ॥ নিহত কাপ্তাইয়ের ইউপি সদস্য         বাসেত মজুমদারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক         ইরাকে আইএস জঙ্গিদের হামলা ॥ নিহত ১১         ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে’         রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৫