বুধবার ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮, ০৪ আগস্ট ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

বঙ্গবন্ধু ৩ বার, শেখ হাসিনা ৯ বার আ.লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন

বঙ্গবন্ধু ৩ বার, শেখ হাসিনা ৯ বার আ.লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন

অনলাইন ডেস্ক ॥ দেশের বৃহত্তম ও প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আন্দোলন, সংগ্রাম, ঐতিহ্য ও সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ৭৩ বছরে পদার্পণ করেছে দলটি। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। দীর্ঘ পথচলায় এ পর্যন্ত ২১টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে দলটির। সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা। তবে এখন পর্যন্ত সভাপতি হয়েছেন সাতজন।

এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ নয়বার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তিনবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ দুইবার এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল একবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন একবার নির্বাচিত হয়েছেন দলের আহ্বায়ক।

আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এখন পর্যন্ত নয় জন। সবচেয়ে বেশি চার বার এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান।

এছাড়া তাজউদ্দিন আহমেদ তিনবার, আবদুর রাজ্জাক, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও ওবায়দুল কাদের দুই বার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ও আবদুল জলিল এক বার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে প্রথম জাতীয় সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল প্রায় ৩০০ জন। প্রতিনিধিদের সমর্থনে ৪০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এ সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৩ সালের ৩ থেকে ৫ জুলাই মুকুল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনেও সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা ভাসানী। আর দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদটি পান শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর রূপমহল সিনেমা হলে তৃতীয় সম্মেলনে দলে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত হয়। দলের নাম থেকে একটি ধর্মের (মুসলিম) নাম বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের।

এ সম্মেলনে পুনরায় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন মওলানা ভাসানী ও শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৫৭ সালে চতুর্থ সম্মেলনের আগে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন মওলানা ভাসানী।

১৩ জুন আরমানিটোলার নিউ পিচকার হাউসে এবং পরদিন গুলিস্তান সিমেনা হলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল ৮০০ জন। এ প্রতিনিধিদের ভোটে মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৬৪ সালে ৬ থেকে ৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় দলটির পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় এক হাজার। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দলীয় ফোরামে পাস হয়। ১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪৪৩ জন।

১৯৮১ সালের ১৩তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বে আনা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। ১৯৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল তিন হাজার ৮৮৪ জন। সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকে টানা সভাপতির পদে নির্বাচিত হয়ে আসছেন শেখ হাসিনা।

শীর্ষ সংবাদ:
শেখ মুজিবের বাংলাদেশে সবার জীবন হবে উন্নত         অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টি২০ জয়         এ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ছয় লাখ ডোজ টিকা এসেছে         বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মানহানির অপচেষ্টা         প্রথম টি-২০তে অস্ট্রেলিয়াকে হতাশায় ফেলে বাংলাদেশের দারুণ জয়         করোনা ভাইরাসে আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৭৭৬         লকডাউন ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ল         ‘জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না’         ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট খোলা হবে         হাসপাতালে জায়গা নেই, হোটেল খুঁজছি ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী         লকডাউনের দ্বাদশ দিনে ৩৫৪ জনকে গ্রেফতার         ডেঙ্গু ॥ হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে         জাপান থেকে এলো আরও ৬ লাখ ১৭ হাজার টিকা         ভ্যাকসিন জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে, দৌড়াতে হবে না         টিকা ছাড়া রাস্তায় বের হলেই শাস্তি         ১৪ দিনের রিমান্ডে হেলেনা জাহাঙ্গীর         খুলনা বিভাগে করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু         আধুনিক ফ্ল্যাট পেলেন বস্তির ৩০০ পরিবার         ভারতীয় টিকা 'কোভ্যাক্সিন' ॥ বাংলাদেশে ট্রায়ালের অনুমোদন         শেষ হবার আগেই ‘শেষ’ কঠোর বিধিনিষেধ