বুধবার ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮, ০৪ আগস্ট ২০২১ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম চাষীদের জিম্মি করে ৫০ কেজিতে আমের মণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম চাষীদের জিম্মি করে ৫০ কেজিতে আমের মণ
  • ধীরে ধীরে জমে উঠেছে কানসাটের আমের বাজার

সংবাদদাতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জে সবচেয়ে বড় বাজার কানসাট। গত ১৫ দিন থেকে ধীরেধীরে জমে উঠেছে আম বাজার। এদিকে বাজারে আম চাষীদের জিম্মি করে ৫০ কেজিতে মণ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আড়ৎদারদের বিরুদ্ধে।

আম চাষীরা বলছেন- করোনার কারণে একে আমের দাম কম, অন্যদিকে ৪০ কেজিতে মণ হওয়ার কথা থাকলেও নিচ্ছেন ৫০ কেজিতে। এতে ওজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।

আম চাষি আব্দুল হাকিম বলেন, এক ভ্যান গুটি জাতের আম নিয়ে কানসাট বাজারে আসছিলাম বাপু। বিক্রি করেছি ৩৫০ টাকা মণ দরে। ওজন করার পরে জানতে পারলাম আমের মণ ৫০ কেজিতে। হিসেব করে পেয়েছি মাত্র ১ হাজার ৪০০ টাকা। এ টাকা দিয়ে ভ্যান ভাড়া দিব না নিজে খাব কহো বাপু। বিষ খরচ হয়েছে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

আম ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন বলেন, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে থেকে বসে আছি হিমসাগর আম নিয়ে। নেই কোন ক্রেতা, দাম বলছেন ১২'শ টাকা মণ। প্রচন্ড গরমে আর কতক্ষণ বসে থাকবো। এদিকে আমের মণ ৪০ কেজিতে নেয়ার কথা থাকলেও ৫০ কেজিতে নিচ্ছেন আড়ৎদারা। আমরা সারাবছর খাব কি? আমরা তো ৫ থেকে ৬ কেজি বেশি দিচ্ছি। আমের ওজন ৪৫ থেকে ৪৬ কেজিতে করার দাবি জানান।

তবে আমিনুল নামে এক আড়ৎদার বলছেন- আম হচ্ছে কাঁচা মাল দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছাতে ওজন কমে যায়। এ জন্যই প্রধানত ১০ কেজি আম বেশী নেয়া হচ্ছে। ৫০ কেজি ওজন নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কোন অনুমতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবাই নিচ্ছে তাই আমরাও নিচ্ছি।

ম্যাংগো ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আহসান হাবিব জানান, আমের ওজন নিয়ে ২০১৬-২০১৭ তে আন্দোলন করি সঠিক ওজন নেয়া ও ডিজিটাল মিটারে ওজন নেয়ার। তখন অনেকেই এটা নিয়ে না বুঝে এবং আড়ৎদারদের মিথ্যা প্রচারণায় আমাদেরই দোষারোপ করে। এক সময় আড়তদারদের বাধ্য করি ডিজিটাল মিটার ব্যবহারে, তখন থেকে ওজন কারচুপি রোধে ডিজিটাল মিটার চালু হয় এবং ৪৫-৪৬ কেজিকে এক মণ ধরে আম কেনা শুরু করে আড়তদাররা। জেলা প্রশাসনের সভায় তখন লিখিত রেজুলেশনও হয়েছিল ৪০ কেজিতে এক মণ হিসেবে করার। পরে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কোথাও এর বাস্তবায়নে ভূমিকা নেইনি।

আম আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক উমর ফারুক টিপু জানান, কানসাট বাজারে আমের মণ ৪০ কেজিতে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রাকে পৌঁছাতে ওজন কমে যায় তাই ৫-৬ কেজি আম বেশী নেয়া হয়। তবে কৃষকের কাছে ৫০ কেজিতে মণ নেয়া হচ্ছে এ বিষয়ে তিনি অবগত নই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিবগঞ্জ উপজেলা শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি বলেন, আমের মণ ৪০ কেজির বাইরে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। তবে এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শীর্ষ সংবাদ:
শেখ মুজিবের বাংলাদেশে সবার জীবন হবে উন্নত         অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টি২০ জয়         এ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ছয় লাখ ডোজ টিকা এসেছে         বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মানহানির অপচেষ্টা         প্রথম টি-২০তে অস্ট্রেলিয়াকে হতাশায় ফেলে বাংলাদেশের দারুণ জয়         করোনা ভাইরাসে আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৭৭৬         লকডাউন ১০ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ল         ‘জাতির পিতার এই দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না’         ১১ আগস্ট থেকে দোকানপাট খোলা হবে         হাসপাতালে জায়গা নেই, হোটেল খুঁজছি ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী         লকডাউনের দ্বাদশ দিনে ৩৫৪ জনকে গ্রেফতার         ডেঙ্গু ॥ হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে         জাপান থেকে এলো আরও ৬ লাখ ১৭ হাজার টিকা         ভ্যাকসিন জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে, দৌড়াতে হবে না         টিকা ছাড়া রাস্তায় বের হলেই শাস্তি         ১৪ দিনের রিমান্ডে হেলেনা জাহাঙ্গীর         খুলনা বিভাগে করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু         আধুনিক ফ্ল্যাট পেলেন বস্তির ৩০০ পরিবার         ভারতীয় টিকা 'কোভ্যাক্সিন' ॥ বাংলাদেশে ট্রায়ালের অনুমোদন         শেষ হবার আগেই ‘শেষ’ কঠোর বিধিনিষেধ