ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১৮ আশ্বিন ১৪২৯

কভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে মিলিত হলো বেক্সিমকো ফার্মা ও সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া

প্রকাশিত: ১২:২৮, ২৯ আগস্ট ২০২০

কভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে মিলিত হলো বেক্সিমকো ফার্মা ও সেরাম ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (বিপিএল) ও বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরা মইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়াপ্রাইভেট লিমিটেড (এসআইআই) অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, কভিড-১৯ভ্যাকসিন উন্নয়নে এসআইআই-এবিনিয়োগ করবে বিপিএল।এইবিনিয়োগঅগ্রীমহিসেবেবিবেচিতহবে। ভ্যাকসিন টি যখন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে, তখন যে সব দেশ সবার আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশকে ও অন্তর্ভুক্ত করবে এসআইআই।এসআইআই-এর উৎপাদন সক্ষমতাও অন্যান্য দেশের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পূর্ববর্তী অঙ্গীকারেরও পরনির্ভর করবে বিপিএল-এর বিনিয়োগের পরিমাণও বাংলাদেশের জন্য এসআইআই-এর অগ্রাধিকার মূলকভ্যাক সিনসরবরাহের পরিমাণ। বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজন নিশ্চিতের ব্যবস্থাও করবে বিপিএল। বাংলাদেশ সরকারও এসআইআই-এর মধ্যে সম্মতহওয়া মূল্যে অগ্রাধিকার মূলক সরবরাহের জন্য চাহিদা মাফিক ভ্যাকসিন সংরক্ষণের প্রস্তাব দেওয়া হবে সরকারকে।এছাড়া বাংলাদেশের বেসরকারি বাজারের জন্য ভ্যাকসিনের সরবরাহ নিশ্চিত করবে বিপিএল। অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন (এজেডডি১২২২) হলো অ্যাডিনো ভাইরাসভেক্টর-ভিত্তিক ভ্যাকসিন।বর্তমানে ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও ভারতে বৃহৎ আকারে এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল চলছে। যুক্তরাজ্যে ট্রায়াল চলমানও ট্রায়াল থেকে খুবই উৎসাহ ব্যাঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে। আশা করা হচ্ছে ২০২০ সালের শেষ নাগাদ এই ভ্যাকসিন অনুমোদন পাবে।এসআইআইইতি মধ্যেই বৈশ্বিক সরবরাহের জন্য এইভ্যাক সিনের ১০০ কোটিরও বেশি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যে অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকার পাশাপাশি গেটসফাউন্ডেশন ও গ্যাভির সঙ্গে আংশীদারিত্বে পৌঁছেছে। এসআইআই-এর মালিক ও প্রধান নির্বাহী আদরসিপুনাওয়ালা ও বিপিএল-এর প্রিন্সিপ্যালশায়ান এফরহমান এক যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, ‘অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক এই ভ্যাকসিন যে সব মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনতা দোরগোড়ায় পৌঁছেদিতে ভারত ও বাংলাদেশের’শীর্ষ স্থানীয় ফার্মাকোম্পানিকে এক সাথ করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার যেই গভীরসদিচ্ছা, তারই প্রতিফলন হিসেবে এই চুক্তি মাইল ফলক হয়ে থাকবে। দুই জাতির প্রতিনিধি হিসেবে, এক সঙ্গে আমরা কভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্য সংকটনিরসনে অনেক দূর যেতে পারবো।’