সোমবার ১১ মাঘ ১৪২৮, ২৪ জানুয়ারী ২০২২ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী রক্ষায় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

সংসদ রিপোর্টার ॥ দেশের পুঁজিবাজারে অব্যাহত ধসে উদ্বেগ প্রকাশ করে এর হাত থেকে বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ এবং বিএনপির হারুনুর রশীদ। তারা বলেন, বিনিয়োগকারীরা আজ রাস্তায় বসে গেছে। সর্বস্ব হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কিন্তু সরকারের এ ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে তারা এ হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ফ্লোর নিয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিনিয়োগকারীরা আজ রাস্তায় বসে গেছে। তাদের কী দেখার কেউ নেই। সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন জগদ্দল পাথরের মতো বসে আছে। তালিকাভুক্ত ছাড়া তাদের আর কোন কাজ নেই। সব দোষ দেয়া হয় মেম্বারদের ঘাড়ে। তারা যে পচা কোম্পানিগুলো এনে আমাদের প্রতিদিন নিঃস্ব করে দিচ্ছে, তার জন্য কোন কমিশন গঠন করা হচ্ছে না। আজ পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয় নাই।

তিনি বলেন, ১০ টাকার শেয়ার ৩০ টাকায় বাজারে আনার জন্য ইস্যু ম্যানেজারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে না। এসব বিষয়ে আমি অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। নিশ্চয়ই একথা প্রধানমন্ত্রীর কানেও যাবে। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলে আমাদের শেয়ার মার্কেট ফিরে আসতে পারে। না হলে শেয়ার মার্কেটের উথানের কোন উপায় দেখি না।

কাজী ফিরোজ রশিদ আরও বলেন, দুর্বল কোম্পানিগুলোর তালিকাভুক্তি বন্ধ করতে হবে। শেয়ারবাজারের এই অবস্থার একমাত্র কারণ দুর্বল কোম্পানি। যাদের কোন ভিত নাই, তাদের শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। কিছু দুর্বল কোম্পানি, পচা ব্যাংক বিনিয়োগকারীদের রাস্তায় নামিয়েছে। এজন্য আমি বলেছিলাম একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেন। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন কমিশন গঠন করা হয়নি। একজন মানুষকেও শাস্তির আওতায় আনা হয়নি। দুদক এখানে নিশ্চুপ। বাজার থেকে মূলধন ৯৫ হাজার কোটি টাকা নেই। আমি ৪০ বছর ধরে শেয়ার বাজারে আছি। মজার বিষয় হলো বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন যারা আমাদের দেখাশোনা করবেন তারাই পচা কোম্পানিগুলো ছেড়ে দিচ্ছেন। এভাবে বিনিয়োগকারীরা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, এক সপ্তাহ ধরে শেয়ার বাজারের জন্য মানুষ রাস্তায় শুয়ে পড়েছে। তারা কান্নায় বিপর্যস্ত। লাখ লাখ পরিবার সম্পূর্ণ ধুলায় মিশে যাচ্ছে। এরপরও সরকারের কোন পদক্ষেপ বা সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে দৃশ্যমান নয়। সংসদে তিনদিনেও আশ্বস্ত হতে পারছি না। এ অবস্থা থেকে বিনিয়োগকারীদের বাঁচানোর জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন তা অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান তিনি।

শীর্ষ সংবাদ:
শিক্ষকদের বরখাস্তের ১৮০ দিনের মধ্যে অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশ         ঢাকায় ওমিক্রনের নতুন ৩ সাব-ভ্যারিয়েন্ট         করোনায় মৃত্যু ১৫, শনাক্ত ১৪৮২৮         আন্দোলনকারীদের অর্থ সংগ্রহের ৬ ‘অ্যাকাউন্ট বন্ধ’         ভূমি নিয়ে আসছে নতুন আইন         বিধিনিষেধের বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা এক সপ্তাহ পর : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী         আওয়ামী লীগ ইনডেমনিটি দেয় না : আইনমন্ত্রী         ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে মাদরাসা         মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২৬ মার্চ বিশেষ কর্মসূচি পালন নিয়ে ভাবছে কমিটি         বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালের আগুন নিয়ন্ত্রণে         ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অর্ধেক জনবলে চলবে         শিগগীরই সংসদে উঠবে শিক্ষা আইন : ডা. দীপু মনি         টাকা ফেরত পেলেন ই-কমার্স কোম্পানি কিউকমের ২০ গ্রাহক         জাবি শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন শাবি ভিসি         পদত্যাগ করলেন আর্মেনিয়ার প্রেসিডেন্ট         পুলিশের কাজ ‘পেশা’ নয় ‘সেবা’: বেনজীর আহমেদ         সরকারকে বিব্রত করতেই ইসি আইনের বিরোধিতা ॥ হানিফ         ঢাবিতে শিক্ষকদের প্রতীকি অনশন         ৮৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন         সুগন্ধা ট্রাজেডি ॥ একমাসেও অভিযান লঞ্চের ৩২ যাত্রীর খোঁজ মেলেনি