ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯

রবিবার মোজাফফর আহমদের দাফন

প্রকাশিত: ২৩:৩১, ২৪ আগস্ট ২০১৯

রবিবার মোজাফফর আহমদের দাফন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রথম জানাজা আজ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীতে আজ আরো একটি জানাজা, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আগামীকাল রবিবার ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সভাপতিকে নিয়ে যাওয়া হবে কুমিল্লায়। দেবীদ্বারে নিজের গ্রামের বাড়িতেই তাঁকে দাফন করা হবে। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে ৯৮ বছর বয়সী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে সম্প্রতি রাজধানীর বেসরকারি অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গতকাল শুক্রবার রাতে সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট এই রাজনৈতিক সহচর। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকালে ন্যাপের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রথম জানাজা আজ সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দুপুর ১২টায় তাঁকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জাতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠকের প্রতি। আজ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম মসজিদে তাঁর দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।’ ‘আগামীকাল রবিবার মোজাফফর আহমদকে নিয়ে যাওয়া হবে নিজ জেলা কুমিল্লায়। সেখানকার টাউন হল ময়দানে মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে তাঁকে দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে’, যোগ করেন ন্যাপ নেতা সিদ্দিকুর রহমান। মোজাফফর আহমদ ১৯২২ সালের ১৪ এপ্রিল কুমিল্লার দেবিদ্বারের এলাহাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি ন্যাপ, সিপিবি এবং ছাত্র ইউনিয়নের গেরিলা বাহিনীর অন্যতম সংগঠক ছিলেন। স্বাধীনতার পরে, তিনি ১৯৭৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ১৯৮১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিন বছর আগে সরকার তাকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করলেও তিনি সবিনয়ে তা ফিরিয়ে দেন।