ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ০২ জুন ২০২৩, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০

১২ লাখ কোটি টাকার বাজেটের পরিকল্পনা অর্থনীতি সমিতির

প্রকাশিত: ০০:২৬, ২৬ মে ২০১৮

১২ লাখ কোটি টাকার বাজেটের পরিকল্পনা অর্থনীতি সমিতির

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আগামী অর্থবছরের জন্য ১২ লাখ কোটি টাকার একটি বাজেটের পরিকল্পনা হাজির করেছে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি, যা বর্তমান অর্থবছরের বাজেটের তিন গুণ। বিশাল এই বাজেটের পরিকল্পনা দিয়ে অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত বলেছেন, “আমাদের প্রস্তাবিত বাজেট যুক্তিসঙ্গত এবং দেশের অন্তর্নিহিত শক্তির বিচারে যৌক্তিক।” বাংলাদেশের চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট ৪ লাখ কোটি টাকার, যাও উচ্চাভিলাষী বলে সমালোচনা রয়েছে। আগামী জুনে যে বাজেট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত দিতে যাচ্ছেন, তা ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা ছাড়াবে বলে আভাস দিয়েছেন তিনি। নতুন অর্থবছরের বাজেট সংসদে ওঠার আগে শনিবার বিকল্প বাজেট নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে আসে অর্থনীতি সমিতি। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক বারকাত। কোনো ধরনের বৈদেশিক ঋণ ছাড়াই এ বাজেট বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন তিনি। “আমাদের প্রস্তাবিত বিকল্প বাজেটে বৈদেশিক ঋণের কোনো ভূমিকা থাকবে না।” বারকাত বলেন, “আমাদের বিকল্প বাজেটের ৮১ শতাংশ বা ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮২০ কোটি টাকার জোগান দেওয়া হবে রাজস্ব আয় থেকে।” চলতি অর্থবছরের বাজেটে বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯০ কোটি টাকা; যা আদায় করাও চ্যালেঞ্জ মনে করছিলেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। অর্থনীতি সমিতি প্রস্তাবিত বাজেটের ১৯ শতাংশ বা ২ লাখ ২৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার ঘাটতির ১ লাখ কোটি টাকা বা ৪৪ শতাংশ অর্থ সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্ব থেকে আনার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তারা বলছেন, বন্ড বাজার থেকে আসবে ঘাটতি বাজেটের ২১ শতাংশ বা ৪৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ৬০ হাজার কোটি টাকা বা ২৭ শতাংশ এবং দেশীয় ব্যাংক ঋণ থেকে নেওয়া হবে ৯ শতাংশ বা ২০ হাজার কোটি টাকা।