ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯

অসংখ্য ইয়াবা মাফিয়া

প্রকাশিত: ০৭:২৬, ২৩ মে ২০১৮

অসংখ্য ইয়াবা মাফিয়া

মোয়াজ্জেমুল হক/এইচএম এরশাদ ॥ বিলম্বে হলেও এবারই প্রথম খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশ পেয়ে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত, ক্যারিয়ার এমনকি সেবনকারীদের বিরুদ্ধেও ভিন্ন ধরনের এক যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়ে গেছে। প্রতিদিন বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মাদক পাচারে জড়িতদের অনেকে প্রাণ হারাচ্ছে। বিষয়টি দেশের সাধারণ ও শান্তিকামী সকল মহলে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব প্রকাশের পর র‌্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদ প্রকাশ্যে যে ঘোষণা দিয়েছেন তাতেও শান্তিকামী জনমনে প্রশান্তি এনে দিয়েছে। পক্ষান্তরে, মাদক পাচার চক্রের গডফাদারসহ পাচার ও সেবনকারীদের মাঝে মহাআতঙ্ক বয়ে এনেছে। মাদকের বিরুদ্ধে আইনী যুদ্ধ শুরুর কথা র‌্যাব প্রধানের পক্ষ থেকে আসার পর দেশজুড়ে নব আশার সঞ্চার হয়েছে। আলোচিত হচ্ছে, প্রয়াত মন্ত্রী ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বহুল আলোচিত একটি উক্তি। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, বাঘে ধরলে ছাড়ে, শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়ে না, ছাড়ে না। দেশের যুবক যুবতীদের বিশাল একটি অংশ মাদকাসক্ত হয়ে ধংসের অতল গহ্বরে যখন নিপতিত তখন সরকার প্রধান তার কঠোর মনোভাব প্রকাশ করে জানান দিলেন মাদকের বিরুদ্ধে নতুন এক যুদ্ধের। ইতোমধ্যে গত ক’দিনে র‌্যাবের অভিযানে সুফলও আসতে যে শুরু করেছে তা দৃশ্যমান। উল্লেখ্য, গত ৪ মে র‌্যাবের মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার আগে ৩ মে সংস্থার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে তার মনোভাব প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। ২৪ ঘণ্টার সময়ের ব্যবধানে শুরু হলো র‌্যাবের সাঁড়াশি অভিযান। র‌্যাব প্রধান বেনজীর আহমেদও প্রকাশ্যে বলে দিয়েছেন, মাদকের বিরুদ্ধে যা হবে আইনীভাবে হবে। আইনের হাত ওদের হাত থেকে অনেক লম্বা। মূলত দেশে বিভিন্ন ধরনের মাদক চোরাচালানের মধ্যে মিয়ানমারে উৎপাদিত ইয়াবা শীর্ষস্থানে রয়েছে। প্রসঙ্গত, বিগত ’৯০ সালের শুরু থেকে ছোট আকারে মিয়ানমার থেকে সীমান্ত গলিয়ে বাংলাদেশে মাদক ইয়াবার চালান আসা শুরু হয়। এরপর থেকে ক্রমেই এর বিস্ততি যেমন ঘটেছে, তেমনি আসক্তের সংখ্যাও থর থর করে বেড়েই চলেছে। ইয়াবা আগ্রাসনে দেশের বিশেষ করে যুব সমাজের বড় একটি অংশ নিজেদের জড়িয়ে রেখেছে। আর এ সুযোগে মিয়ানমারের এই ইয়াবার বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। যা দেশের জন্য বড় ধরনের অশনিসঙ্কেত। পরিস্থিতি ভয়ানক পর্যায়ে পৌঁছেছে বহু আগে। জলপথ, নদীপথ, সাগর পথ দিয়ে চালানে চালানে আসছে বিভিন্ন জাতের ইয়াবা। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মাদক আসক্তের সংখ্যা ৭০ লাখেরও বেশি। কিন্তু বেসরকারী পরিসংখ্যানে তা কয়েকগুণ বেশি। ইতোমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফ অঞ্চলের প্রভাবশালীদের একটি সিন্ডিকেট ইয়াবা চোরাচালানের মূল হোতা। এদের মধ্যে কিছু রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও সরাসরি এ ব্যবসায় বিনিয়োগের সঙ্গে জড়িত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত ক’বছর আগে এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি হয়। তদন্ত কমিটি রিপোর্টও প্রদান করে। এতে যাদের নাম প্রকাশ পেয়েছে বিশেষ করে গডফাদার হিসেবে এদের কারও কেশাগ্র স্পর্শ করা যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এদের কাছে অসহায়ত্ব বরণ করে আছে। কারা ইয়াবা চালানের সঙ্গে জড়িত এমনকি কারা ক্যারিয়ার এদের একটি লিস্টও দিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিত ওই কমিটি। ইয়াবাবিরোধী অভিযান বিভিন্ন সংস্থা প্রতিনিয়ত চালাচ্ছে। কিন্তু ধরা পড়ছে শুধুমাত্র ক্যারিয়াররা। ড্রাগ মাফিয়া ডনদের আইনের আওতায় আনা সহজ নয় বলেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের কারও বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি। বহু আগে ছিল ভারতের তৈরি ফেনসিডিলের আধিপত্য। যুব সমাজ ফেনসিডিল খেয়ে বুঁদ হয়ে থাকত। ফেনসিডিলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তৎপরতায় তা ক্রমশ হ্রাস পেলেও বর্তমানে মাদক ইয়াবা ফেনসিডিলের দৌরাত্ম্যকে হার মানিয়ে শীর্ষে পৌঁছেছে। বিষয়টি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আসক্তদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় ভেজাল ইয়াবাও গোপন পথে বাজারজাত হওয়ার ঘটনা রয়েছে। ইতোপূর্বে ঢাকায় ইয়াবা তৈরির যন্ত্রপাতিও উদ্ধার হয়েছে। মূলত মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবার চালান আসার মূল ট্রানজিট পয়েন্ট কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম। এরপরে ঢাকা হয়ে তা চলে যায় সারাদেশে। ইয়াবার আগ্রাসনে আরও একধাপ বেড়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার কারণের বিষয়টি। ইতোমধ্যে ইয়াবা চালানের সেসঙ্গে পুলিশ ও সেনা সংস্থার কয়েক সদস্যও ধরা পড়ে গ্রেফতার হয়েছে। অতি লাভজনক মাদক ব্যবসা হওয়ায় লোভের বশবর্তী হয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ হাতিয়ে নিতেই এই ঘটনা। ইয়াবার চোরাচালানের ক্রমশ বিস্তৃতির কারণে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ইতোমধ্যে বহুদফায় মিয়ানমারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। মিয়ানমারে কোথায় উৎপাদন এবং কারা এ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তার একটি তালিকাও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে দেয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে জানান দেয়া হয়েছে, ৩৭টি বড় আকৃতির ইয়াবা তৈরির কারখানার স্পট এবং এ ছাড়া ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আরও বহু উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের তথ্য। কিন্তু সবই অদ্যাবধি নিস্ফলই রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এ সময় মিয়ানমারের এ ইয়াবা থাইল্যান্ডে বিস্তার লাভ করেছিল। থাই সরকার এই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পর তাতে সুফল আসে। থাইল্যান্ডের এ প্রতিবন্ধকতার পর ’৯০ সালের শুরু থেকে ইয়াবা চোরাচালানের গতিপথ হয়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। এমন কোন দিন নেই ছোট বা বড় আকৃতির ইয়াবার চালান আসছে না। ধরা পড়ার পরিমাণও কম নয়। কিন্তু ধরা পড়ে না শুধু ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মাফিয়া ডনরা। গত ৪ মে থেকে মাদক বিরোধী র‌্যাবের অভিযান শুরু হওয়ার পর ১৬ কোটি মানুষের অধিকাংশ আশস্ত। কিন্তু মাফিয়া ডন ও ক্যারিয়ারদের মন র‌্যাবের এ অভিযান কি পরিমাণ রেখাপাত করেছে তা দৃশ্যমান নয়। তবে দেশের শান্তিকামী মানুষ এ অভিযানকে সাধুবাদ জানাচ্ছে। প্রয়োজনে আরও অভিযান আরও কঠোর হলেও সাধারণ ও শান্তিকামী মানুষ বিষয়টিকে যে সাধুবাদ জানাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কেননা, র‌্যাবের এ অভিযানে যা হচ্ছে তা আইনীভাবেই চলবে বলে ঘোষণা রয়েছে। প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশ হিসেবে মিয়ানমার বাংলাদেশের জন্য দুভাবে বড় ধরনের ক্ষতি করে যাচ্ছে। প্রথমকি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে ইয়াবার চোরাচালান। রোহিঙ্গারা সে দেশের নাগরিক। তাদের বিরুদ্ধে বর্বরোচিত অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য করা হয়েছে, যা মধ্যম আয়ের দেশ বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর। আর তাদের দেশে উৎপাদিত মরণনেশা ইয়াবার চালান আসতে সে দেশের সরকার সুযোগ করে দেয়ায় এদেশের পুরো জাতির জন্যই বড় ধরনের বিপদ ঘটাতে সহায়তা যা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না বলে সংশ্লিষ্ট সকল বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, র‌্যাব, কোস্টগার্ড, পুলিশ, বিজিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগে তৈরি করা আছে ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত গডফাদারদের তালিকা। ওই তালিকা অনুযায়ী কিছু কিছু ইয়াবা বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হলেও পুরোপুরিভাবে অধরা রয়েছে গডফাদার চক্রের সদস্যরা। প্রশাসন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, ইয়াবার সঙ্গে কারা জড়িত, গডফাদার কারা, তাদের অবস্থান ও পরিচয়, কোন কোন পথে ইয়াবার চালান আসে সবই শনাক্ত করা আছে। বাংলাদেশ থেকে ইয়াবার গডফাদারদের বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে এই মাদক চোরাচালানে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর কিছু সদস্যকেও তারা বশে এনেছে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা গডফাদারদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা হচ্ছে- টেকনাফ শীবনিয়াপাড়ার হাজী সাইফুল করিম, টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ, তার পুত্র মোঃ শাহজাহান, দিদার মিয়া, মৃত এজাহার কোম্পানির পাঁচ পুত্র এমপি বদির সহোদর যথাক্রমে আব্দুল আমিন, মোঃ আব্দুস শুক্কুর, পৌর কাউন্সিলর মৌলবী মুজিবুর রহমান, মোঃ শফিক, মোঃ ফয়সাল, সাবরাং বাজারপাড়ার সাহেদুর রহমান নিপু, ডেইলপাড়ার দুই সহোদর মোঃ আমিন, নুরুল আমিন, মৌলবীপাড়ার মোঃ একরাম হোসেন, পশ্চিম লেদার মোঃ নুরুল হুদা, আব্দুর রহমান, অলিয়াবাদ গ্রামের মারুফ বিন খলিল, সাইফুল ইসলাম, সাবরাংয়ের দুই সহোদর আকতার কামাল, শাহেদ কামাল, টেকনাফ সদরের খানকারপাড়ার কামরুল হাসান রাসেল, নয়াপাড়ার শামসুল আলম মার্কিন, বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান মৌলবী আজিজ উদ্দিন, শামলাপুরের হাবিব উল্লাহ হাবিব, জালিয়াপাড়ার মোজাম্মেল হক, জোবাইর হোসেন, পল্লানপাড়ার আব্দুল হাকিম, কুলালপাড়ার নুরুল বশর, নাজিরপাড়ার জিয়াউর রহমান, আব্দুর রহমান, আচারবনিয়ার আবুল কালাম, ছৈয়দ হোসেন মেম্বার, কচুবনিয়ার মৌলবী বশির, খানকারপাড়ার মৌলবী বোরহান, শাহ আলম, হাতিয়ারঘোনার আব্দুল্লাহ, জাফর আলম, পশ্চিম লেদার মোঃ নুরুল কবির, গোদারবিলের আব্দুর রহমান, জিয়াউর রহমান, নাইট্যাংপাড়ার মোঃ ইউনুছ, হাবিবপাড়ার ইউছুফ জালাল বাহাদুর, হ্নীলার নির্মল ধর, ফুলের ডেইলের মোঃ রাশেদ, মাহবুব মোরশেদ, বাজারপাড়ার মোহাম্মদ শাহ মালু, উলুমচামরীর আব্দুল হামিদ, রঙ্গীখালীর হেলাল আহমেদ, জাদিমুরার মো. হাসান আব্দুল্লাহ, পশ্চিম সিকদারপাড়ার ছৈয়দ আহমদ, হাজিরপাড়ার জহির উদ্দিন, উত্তর জালিয়াপাড়ার মোস্তাক আহমেদ, জয়নাল উদ্দিন, মোঃ আলী, আবুল কালাম, জুমছড়ির সুরত আলম, নুরুল আলম, হাবিব উল্লাহ, জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম, উখিয়ার মাহমুদুল করিম, গোয়ালিয়ার মোস্তাক আহমদ, বালুখালীর জাহাঙ্গীর আলম, এনামুল হক, জয়নাল, ছৈয়দ নুর, তার ভগ্নিপতি মোহামদুল হক, আলা উদ্দিন, থাইংখালীর কলিম উল্লাহ ওরফে লাদেন, নুরুল আমিন মেম্বার, জয়নাল মেম্বার, আবুল হাশেম, সোহেল ও আনোয়ার। এদের মধ্যে কেউ কেউ ইয়াবাসহ ইতোপূর্বে ধরা পড়লেও বেশি দিন জেল খাটতে হয়নি তাদের। জামিনে মুক্ত হয়ে এসে ফের পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবার কারবার। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা নিয়মিত আপডেট করা যায় না। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া তালিকায় কারও নাম যেমন দেয়া যায় না, তেমনি বাদ দেয়াও কঠিন। তবে এটা সত্য যে, গডফাদারদের দমানো কঠিন। প্রভাবশালীদের অনেকের কাছে আইনী কর্মকর্তারাও অসহায় থাকে। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন এ ব্যাপারে তার মনোভাব প্রকাশ করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জানান দিয়েছেন তখন র‌্যাবের পক্ষে আরও একধাপ এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যা সকলকে আশান্বিত করেছে। আবার শঙ্কাও রয়েছে, এ অভিযানের শেষ নিয়ে। তবে সকলে কায়মনোবাক্যে বিশ্বাস করেন, বর্তমান সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছেন অন্যান্য ক্ষেত্রের মতো মাদক চোরাচালানের ব্যাপারেও সফলতা আসবে।