ঢাকা, বাংলাদেশ   সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯

পরীক্ষামূলক

জাতীয়

ডাক্তারের কাজ করছেন এক ব্রাদার!

প্রকাশিত: ০৫:৪০, ৩১ মার্চ ২০১৮

ডাক্তারের কাজ করছেন এক ব্রাদার!

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল, ৩০ মার্চ ॥ বাউফল হাসপাতালের ব্রাদার মোঃ ইউনুসকে দিয়ে জরুরী বিভাগে আসা রোগীদের কাটা ছেড়ার সেলাই করানো হয়। অথচ এই কাজটি করার কথা উপ-সহকারী কমিউিনিটি মেডিক্যাল অফিসারের। এ বিষয়ে অভিযোগ থাকলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। জানা গেছে, বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ ইউনুস বাউফল হাসপাতালের ব্রাদার পদে চাকরি করলেও তিনি সব সময় জরুরী বিভাগে কাজ করছেন। অথচ এই কাজটি করার কথা দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউিনিটি মেডিক্যাল অফিসারের। বাউফল হাসপাতালে ৫ উপ-সহকারী কমিউিনিটি মেডিক্যাল অফিসার থাকা সত্ত্বেও ব্রাদার ইউনুস জরুরী বিভাগে আসা কাটা ছেড়া রোগীদের সেলাই ও ড্রেসিং কাজ করেন। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতেই সিন্ডিকেট করে তাকে দিয়ে এই কাজটি করানো হচ্ছে। জরুরী বিভাগে আসা রোগীদের কাছ থেকে গ্রহণকৃত অর্থের ভাগ ওইসব উপ-সহকারী কমিউিনিটি মেডিক্যাল অফিসার পেয়ে থাকেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন, ব্রাদার ইউনুসের মাধ্যমেই রোগীদের স্বজনদের কাছ থেকে সর্বনি¤œ ২শ’ থেকে ১ হাজার টাকা বা তার বেশি আদায় করা হয়। জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউিনিটি মেডিক্যাল অফিসার আদায়কৃত ওই অর্থ থেকে ভাগ পান। ব্রাদার মোঃ ইউনুসের দায়িত্ব হলো হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তিকৃত রোগীদের সেবা দেয়া। কিন্তু তিনি কাজটি এ হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই করছেন না। অভিযোগ রয়েছে, তিনি যেসব রোগীদের কাটা ছেড়ার সেলাই করেন, কিছুদিন পর সেখানে ইনফেশন দেখা দেয়। অথবা পুনরায় তাকে সেলাই দিতে হয়। বাউফল শহরের ভিআইপি রোড এলাকার বাসিন্দা ফেরদৌস ভূট্রো অভিযোগ করেন, ২৭ মার্চ তার ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া ছেলে সিয়ামের দুর্ঘটনা জনিত কারণে জিহ্বা কেটে গেলে তাকে নিয়ে বাউফল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে যান। সেখানে দায়িত্বরত কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার রেবেকা সুলতানা থাকা সত্ত্বেও তিনি সেলাই (স্টিজ) না করে ব্রাদার ইউনুস তার ছেলের জিহ্বা সেলাই দিয়েছেন। বাসায় নেয়ার পর তার ছেলের জিহ্বার সেলাই কেটে যায়। পরে অন্য এক সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার এসে তার ছেলের জিহ্বায় সেলাই করেন। এ রকম আরও বহু অভিযোগ রয়েছে ব্রাদার ইউনুসের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ফেরদৌস ভূট্রো উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনম মঈনুল ইসলাম অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, জরুরী বিভাগে একটি সিন্ডিকেট এ কাজটি করেছেন। তাদের অধিকাংশ স্থানীয় লোক হওয়ায় কাউকে পরোয়া করেন না বরং হেনস্তা হতে হয়।

শীর্ষ সংবাদ:

ঈদুল আজহার ৭ দিন এক জেলার বাইক অন্য জেলায় নিষিদ্ধ
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমোদন পেল করোনার সূঁচবিহীন টিকা
সোমবার সড়কপথে টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যয় কমাতে সব ধরনের যানবাহন কেনা বন্ধ করলো সরকার
পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে কাজ চলছে : দুদক মহাপরিচালক
ঈদের আগে শুক্র-শনিবার, ৮-৯ তারিখ ব্যাংক খোলা থাকছে
এসএসসি পরীক্ষা আগস্টে, ঈদের পরে নতুন রুটিন
ঈদের আগে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল ‘চলছে না’
আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোক্তাপর্যায়ে ভোজ্যতেলে ভ্যাট সুবিধা বাড়লো  
১ মাসে আক্রান্ত ৫ হাজার ডেঙ্গুরোগী
১২ কেজি সিলিন্ডারে বাড়লো ১২ টাকা
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
ট্রেনের টিকিট পেতে কাউন্টারের পাশাপাশি অনলাইনেও ‘যুদ্ধ’
আড়াইহাজারে মা ও ছেলেকে গলাকেটে হত্যা
হাজারীবাগে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ১
ঈদে ট্রেনের টিকিট বিক্রির তৃতীয় দিনেও ভিড়
নাইজেরিয়ায় খনিতে ববন্দুকধারীদের হামলায় ৩০ সেনা নিহত
হজ করতে সৌদি আরবে মুশফিক