ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১

সাইফ পাওয়ার টেকের রাইট আবেদন শেষ সোমবার

প্রকাশিত: ০৫:০০, ১৯ মার্চ ২০১৭

সাইফ পাওয়ার টেকের  রাইট আবেদন শেষ  সোমবার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সাইফ পাওয়ার টেকের রাইট শেয়ারের আবেদন শেষ হবে আগামী সোমবার। কোম্পানিটি ৫ টাকা প্রিমিয়ামে বিদ্যমান প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে একটি করে রাইট শেয়ার ইস্যু করছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি কোম্পানির রাইট শেয়ার আবেদন শুরু হয়। এর আগে শেয়ারহোল্ডার শনাক্ত করতে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করে সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানিটি। গত ৫৯৫তম কমিশন সভায় সাইফ পাওয়ারটেকের রাইট প্রস্তাব অনুমোদন করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানায়, ১৫ টাকা দরে বিদ্যমান প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি করে রাইট শেয়ার ইস্যু করতে পারবে সাইফ পাওয়ারটেক। এ প্রক্রিয়ায় ১১ কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার ৩৪৮টি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ১৭৪ কোটি ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ২২০ টাকা উত্তোলন করবে কোম্পানিটি। এ অর্থে ব্যাংকঋণ পরিশোধের পাশাপাশি ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে তারা। ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে তাদের চলমান ব্যাটারি প্রকল্পের কলেবর বাড়ানো হবে। কোম্পানিটির রাইট শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বানকো ফিন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ২৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে সাইফ পাওয়ারটেক। এর মধ্যে বোনাস শেয়ার বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে জমা হয়ে গেছে। ২০১৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটি ২৯ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়। গেল হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয় ৪ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ২ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৩ টাকা ২২ পয়সা। এদিকে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ৩ টাকা ১ পয়সা ইপিএস দেখিয়েছে সাইফ পাওয়ার, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর পুনর্মূল্যায়নসহ কোম্পানির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২০ টাকা ৯০ পয়সা, পুনার্মূল্যায়ন ছাড়া যা ২০ টাকা ১৯ পয়সা। গত জুনে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে সাইফ পাওয়ারটেকের ঋণমান ‘ট্রিপল বি১’। ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে আসা সাইফ পাওয়ারটেকের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৬ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভ ৫৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৪০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এর উদ্যোক্তা-পরিচালকদের কাছে, প্রতিষ্ঠান ১৮ দশমিক ২৫ ও বাকি ৪১ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।
×