ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯

সরকারী স্কুল ও কলেজ করা হবে প্রতিটি উপজেলায়

প্রকাশিত: ০৫:৩৯, ২৪ মে ২০১৬

সরকারী স্কুল ও কলেজ করা হবে প্রতিটি উপজেলায়

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে আমরা নিরক্ষরমুক্ত দেশ গড়ে তুলব। অগ্রগতির এ পথে যাতে কোন বাধার সৃষ্টি না হয় সেজন্য সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে। সরকারের দেয়া সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিজেদের শিক্ষিত, স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি অভিভাবকসহ শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। রবিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত দেশব্যাপী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৬ এবং ২০১৫ সালের নির্বাচিত জাতীয় পর্যায়ের সেরা ২৪ মেধাবীর মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যতীত এ অর্জন কখনও সম্ভব হবে না। কারণ জ্ঞানই সব থেকে বড় সম্পদ। আর আমাদের সরকার সে জ্ঞানার্জনেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। সবার উচিত এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাজনৈতিক অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অবশ্যই সক্ষম হবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘যদি কারও নিয়ত থাকে- হ্যাঁ এটা আমি করব, তাহলে পথও নিশ্চয়ই খুঁজে পাওয়া যায়। সীমিত সম্পদ দিয়েই আমাদের যাত্রা শুরু। কিন্তু বাংলাদেশকে এখন আর কেউ দরিদ্র বলে অবহেলার চোখে দেখতে পারে না। দুর্ভিক্ষ ও দুর্যোগের দেশ বলে অবহেলা করতে পারে না।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে হবে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে, দেশকে ভালভাবে গড়ে তুলতে হবে। জাতির পিতা যে সোনার বাংলা গড়ার জন্য সোনার ছেলেমেয়ে চেয়েছিলেন- এই তো আমার সোনার ছেলেমেয়ে সবাই। এরাই তো দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধশালী করবে। এদের থেকেই একদিন মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী হবে। তিনি বলেন, ধন-সম্পদ একদিন শেষ হয়ে গেলেও লেখাপড়ার কোন ক্ষয় নেই। এ সম্পদ কেউ কোনদিন কেড়ে বা ছিনতাই করে নিতে পারবে না। বাড়ি-গাড়ি, টাকা-পয়সা, ধন-দৌলত হারাতে পারে, কিন্তু শিক্ষা কোনদিন হারাবে না। জ্ঞানার্জন করতে পারলে সে জ্ঞানই হয় শক্তি। তিনি এবং তাঁর এবং ছোট বোন শেখ রেহানার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের সে শিক্ষাই দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় একটি সরকারী স্কুল, সরকারী কলেজ আমরা করব, সে সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি এবং যেসব এলাকায় কোন সরকারী স্কুল-কলেজ নেই তারও একটা তালিকা আমরা করে ফেলেছি। পরে বিভিন্ন ইউনিয়নের জনসংখ্যা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার ইচ্ছাও আমাদের রয়েছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে সারাদেশের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষেই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেমন দেশের দুর্গম চরাঞ্চলে এবং পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ রয়েছে, যেখানে যাতায়াত করা অত সহজ নয়, সেসব জায়গায়ও আমরা শিক্ষার আলো জ্বালার পদক্ষেপ নিচ্ছি। শিক্ষা খাতে সরকারের অর্থ ব্যয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে ব্যয়কে কখনও আমি খরচ মনে করি না। এটা হচ্ছে একটা বিনিয়োগ, যেটা জাতির পিতাই আমাদের শিখিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষানীতিমালা প্রণয়ণ করেছি। এ নীতিমালায় প্রযুক্তি শিক্ষা, আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার ওপর যেমন গুরুত্ব দিয়েছি তেমনি ধর্ম শিক্ষাটাকেও বাধ্যতামূলক করে দিয়েছি। অর্থাৎ সর্বজনীন একটা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি এ প্রসঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে স্বাধীনতার পর ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করে তার রিপোর্ট বাস্তবায়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। জাতীয় শিক্ষানীতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালেই শিক্ষানীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিলেও তা মেয়াদ চলে যাওয়ায় আর বাস্তবায়ন করে যেতে পারিনি। তিনি শিক্ষা সম্প্রসারণে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, আমরা বিনা পয়সায় মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত সারাদেশে বিনামূল্যে বই দিয়ে যাচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। আগে বাবা-মা’র যে বোঝাটা ছিল বই কেনার, এখন সে দায়িত্বও আমরা নিচ্ছি। এটাও কিন্তু স্বাধীনতার পর জাতির পিতা প্রথম শুরু করেছিলেন। তিনি সীমিত আকারে বিনা পয়সায় বই দেয়া শুরু করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বিনামূল্যে বই বিতরণের কারণ সম্পর্কে বলেন, বই বিনামূল্যে দেয়ার ইচ্ছা এ কারণে যে, কোনভাবেই ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা যেন অবহেলার শিকার হয়ে বন্ধ না হয়ে যায়। দেখা যাবে যে, ছেলেকে বই কিনে দেবে (অভিভাবকগণ), কিন্তু মেয়েকে দেবে না। ছেলেকে পড়াবে, মেয়েকে পড়াবে না-এ বৈষম্যটা কিন্তু আমাদের সমাজে এক সময় ছিল। সেজন্যই আমরা বিনামূল্যে বই প্রদানের উদ্যোগ নেই। যদিও আল্লাহর রহমতে আমাদের সমাজ সে বৈষম্যমূলক অবস্থান থেকে অনেক এগিয়ে এসেছে। মেয়েদের শিক্ষা ইতোমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত অবৈতনিক করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও সরকার বৃত্তি প্রদানের উদ্যাগ নিয়েছে। পয়সার অভাবে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের লেখাপড়া যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য সরকারের এ উদ্যোগ। বর্তমান সরকারের আমলে উন্নয়নের খ-চিত্র তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। আমাদের প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যেটি জাতির পিতার স্বাধীনতাপরবর্তী সরকার ব্যতীত আর কোন সরকারই অর্জন করতে পারেনি। তিনি বলেন, গ্রামপর্যায়ে আমরা ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ফ্রিল্যান্সিং করে নিজ গ্রামে বসে আয়ের পথ করে দিচ্ছে, তাদের কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু শিক্ষা দিলেই হবে না। শিক্ষার পর তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগটাও করে দিতে হবে, যাতে তারা তাদের মেধাটা কাজে লাগাতে পারে। আর এ লক্ষ্য নিয়েই আমাদের পথচলা। তিনি বলেন, আজ আমাদের সাক্ষরতার হার বেড়েছে। এখন বাংলাদেশকে বিশ্বের সবাই মনে করে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী সরাদেশে ইন্টারনেট সার্ভিস চালুর সরকারী উদ্যোগ সম্পর্কে বলেন, এখন সারাদেশেই আমরা ইন্টারনেট সার্ভিস করে দিয়েছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ হয়ে গেলে এ ইন্টারনেট সুবিধা আরও দ্রুতগতির হবে। যে কোন কাজের জন্য আর রাজধানীমুখী না হয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থান করেই সেসব কাজ সমাধা করা যাবে। তথ্যপ্রযুক্তির উৎকর্ষের এ যুগকে এ প্রজন্মের জন্য সৌভাগ্য উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আজকালকার ছেলেমেয়েদের তো সৌভাগ্য তারা এক জায়গায় বসে সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে জানার বা জ্ঞানার্জনের যে সুযোগ, সে সুযোগটা যেন আমাদের ছেলেমেয়েরা আরও বেশি করে পেতে পারে, সে সুযোগটা আমরা করে দিতে চাই। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহবার হোসাইন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী এক লাখ টাকার চেক, মেডেল এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন। তিনটি বয়স বিভাগে ভাষা-সাহিত্য, দৈনন্দিন বিজ্ঞান, গণিত ও কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের মোট ২৪ শিক্ষার্থীর মাঝে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরণ শেষে মেধাবীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ফটোসেশনেও অংশ নেন। ২০১৫ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের পক্ষে দিনাজপুরের শিক্ষার্থী শাকিল রেজা ইফতি এবং ২০১৬ সালের শিক্ষার্থীদের পক্ষে ঢাকার সিরাজুল মুস্তাকিম শ্রাবণী নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়য়ের অতিরিক্ত সচিব পুরস্কার বিতরণী পর্বটি পরিচালনা করেন। মেধা অন্বেষণ ॥ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম, নবম-দশম এবং উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা তিন ভাগে ভাগ হয়ে ভাষা ও সাহিত্য, বিজ্ঞান, গণিত ও কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। চলতি বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে উপজেলা পর্যায়ে ১৫, ১৬, ১৮ ও ১৯ মার্চ; জেলা পর্যায়ে ২২ মার্চ, ঢাকা মহানগরে ২৩ মার্চ, বিভাগীয় পর্যায়ে ২৪ মার্চ এবং জাতীয় পর্যায়ে ৩১ মার্চ সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা হয়। কেবল জাতীয় পর্যায়ের সেরাদের নয়, প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজয়ীদেরও পুরস্কৃত করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের সেরা ১২ জনের সবাইকে এক হাজার, জেলা পর্যায়ে সেরাদের দেড় হাজার এবং বিভাগীয় পর্যায়ে সেরাদের দুই হাজার টাকা করে পুরস্কার ও সনদ দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৩ সাল থেকে দেশব্যাপী সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। এবারের সেরা ১২ ॥ বিষয় : গণিত ও কম্পিউটার; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : শাশ্বত সাহা, অষ্টম শ্রেণী রংপুর জিলা স্কুল, রংপুর বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : শৌর্য দাশ, দশম শ্রেণী, কুমিল্লা জিলা স্কুল, চট্টগ্রাম বিভাগ। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : শেখ আজিজুল হাকিম, একাদশ শ্রেণী, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা মহানগরী। বিষয় : দৈনন্দিন বিজ্ঞান বা বিজ্ঞান; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : মোঃ মকলেসুর রহমান, অষ্টম শ্রেণী, আমেনা-বাকি রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এ্যান্ড কলেজ দিনাজপুর, রংপুর বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : শতাব্দী রায়, নবম শ্রেণী, জয়পুরহাট সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী বিভাগ। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : মাহিয়া আহমেদ, একাদশ শ্রেণী, সরকারী আযিযুল হক কলেজ, বগুড়া, রাজশাহী বিভাগ। বিষয় : ভাষা ও সাহিত্য; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : নাহিয়ান ইসলাম ইনান, অষ্টম শ্রেণী, ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : সিরাতল মোস্তাকিম শ্রাবণী, দশম শ্রেণী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা মহানগরী। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : মৌমিতা রহমান ঈপ্সিতা, একাদশ শ্রেণী, লালমনিরহাট মহিমা খাতুন সরকারী মহিলা কলেজ, রংপুর বিভাগ। বিষয় : বাংলাদেশ স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : মোতাকাব্বির বিন মোতাহার, সপ্তম শ্রেণী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অন্নদা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : নাজমুস সাকিব, দশম শ্রেণী, কুমিল্লা জিলা স্কুল, চট্টগ্রাম বিভাগ। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : ঐশ্বর্য সাহা উর্মি, একাদশ শ্রেণী, বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ, সিলেট বিভাগ। এ বছর সারাদেশের দুই লাখ শিক্ষার্থী এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ১০৮ জন চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ২০১৫ সালের সেরা ১২ ॥ বিষয় : গণিত ও কম্পিউটার; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : রুবাইয়াত জালাল, অষ্টম শ্রেণী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, রাজশাহী বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : তানসীম আজওয়াদ জামান, দশম শ্রেণী, সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : শাকিল আহমেদ, একাদশ শ্রেণী, নওয়াপাড়া কলেজ, যশোর, খুলনা বিভাগ। বিষয় : দৈনন্দিন বিজ্ঞান বা বিজ্ঞান; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : ইসতিয়াক মাহমুদ সিয়াম, অষ্টম শ্রেণী, সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সিলেট, সিলেট বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : সাদমান নাসিফ, দশম শ্রেণী, খুলনা জিলা স্কুল, খুলনা বিভাগ। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : জয়ন্ত পাল, একাদশ শ্রেণী, সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ, সিলেট বিভাগ। বিষয় : ভাষা ও সাহিত্য; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : ইবনুল মুহতাদি শাহ, অষ্টম শ্রেণী, দি ফ্লাওয়ার্স কেজি এ্যান্ড হাই স্কুল, মৌলভীবাজার, সিলেট বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : শাকিল রেজা ইফতি, দশম শ্রেণী, দিনাজপুর জিলা স্কুল, রংপুর বিভাগ। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : আনিকা বুশরা, একাদশ শ্রেণী, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী বিভাগ। বিষয় : বাংলাদেশ স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ; ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী গ্রুপ : শেখ খাতুনে জান্নাত শামীমা, অষ্টম শ্রেণী, বি কে জি সি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ, সিলেট বিভাগ। নবম থেকে দশম শ্রেণী গ্রুপ : ইশমাম তাসনিম, দশম শ্রেণী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এ্যান্ড কলেজ, ঢাকা মহানগর। একাদশ থেকে দ্বাদশ গ্রুপ : রাইদা করিম, একাদশ শ্রেণী, হলিক্রস কলেজ, ঢাকা মহানগর।