শুক্রবার ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ১৪ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চা শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে কৃষি ব্যাংককে ১০০ কোটি টাকা পুনর্অর্থায়ন দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ১০৬টি চা বাগানের ৬ হাজার ৪৪০ হেক্টর অনাবাদী জমি থেকে অতিরিক্ত ১৬ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় চা শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে থাকবে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, চা রফতানি থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। দেশে চা চাষের জন্য অনাবাদী অনেক জমিও রয়েছে। এসব জমিতে চায়ের চাষ হলে অন্যতম রফতানি পণ্যে পরিণত হবে এটি। ফিরে আসবে চা শিল্পের হারানো গৌরবও। জানা যায়, চা বাগানে অব্যবহৃত চা চাষযোগ্য জমিতে চা চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পে অর্থায়ন চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদন করে চা বোর্ড ও চা সংসদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এস কে সুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি একটি সভা হয়। সভায় চা শিল্পের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনর্অর্থায়ন সুবিধার আশ্বাস দেন ডেপুটি গবর্নর। চা বোর্ড ও চা সংসদের প্রস্তাবে বলা হয়, ২০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০৬টি চা বাগানের আওতায় ৬ হাজার ৪৪০ হেক্টর অনাবাদী জমিতে চাষ সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত চা উৎপাদন সম্ভব হবে প্রায় ১৬ মিলিয়ন কেজি। ঋণের অংশ বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ শতাংশ হারে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে পুনর্অর্থায়ন করলে বাগান মালিকরা কম সুদে এ ঋণ নিয়ে চা চাষ সম্প্রসারণ করবেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৬৩২তম সভায় এ প্রকল্পে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনর্অর্থায়ন সাপেক্ষে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংক বাগানের বিপরীতে চা উন্নয়ন ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ করবে। সর্বশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় কৃষি ব্যাংককে চা শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা পুনর্অর্থায়নের সিদ্ধান্ত হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ হবে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছর। ১০টি বার্ষিক কিস্তিতে কৃষি ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পর বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিশোধ করবে। বর্তমানে চা খাতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকই বেশি ভূমিকা রাখছে। ২০১৪ সালে চা উৎপাদনে ঋণ মঞ্জুর হয় ৬৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিতরণ হয় ৩৫৫ কোটি ও আদায় ১৫২ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে চা উৎপাদনে ঋণ অনাদায়ী থাকে ২৪৫ কোটি টাকা। একই বছরে চা উন্নয়নে ৬ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর হলেও বিতরণ হয় ২ কোটি টাকা। আদায় হয় ১৫ কোটি ও অনাদায়ী থাকে ১৮৩ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চা উৎপাদনে ঋণ মঞ্জুর হয় ৬০৯ কোটি, বিতরণ হয় ৫৭৬ কোটি ও আদায় হয় ৪৪২ কোটি টাকা। আনাদায়ী থাকে ১৮২ কোটি টাকা। একই সময়ে চা উন্নয়নে ঋণ মঞ্জুর হয় ২৪ কোটি, বিতরণ ৯ কোটি ও আদায় হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

শীর্ষ সংবাদ:
‘হাসিনা : আ ডটারস টেল’ আজ ৯ টিভি চ্যানেলে         ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে যেন জাতীয় শোক দিবসের পরিবেশ নষ্ট না হয় ॥ কাদের         যেখানে সেখানে শিল্প কারখানা নয় ॥ অর্থমন্ত্রী         ৮ বিভাগে আটটি ১৫ তলা ক্যান্সার হাসপাতাল হবে ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রী         চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধে ফের ভয়াবহ ভাঙ্গন         পর্বতারোহী রেশমাকে চাপা দেয়া সেই মাইক্রোর সন্ধান পায়নি পুলিশ         সাবেক প্রধান বিচারপতি সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু         বন্যার পানি কমলেও নদী ভাঙ্গনে বিপাকে মানুষ         বিশ্বের শীর্ষ ছয় জঙ্গী নেতার মাথার দাম কোটি টাকা         সিলেটে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে মা-মেয়েসহ পাঁচজন নিহত         মেহেরপুর-২ আসনের সাংসদসহ ১০ জন করোনা আক্রান্ত         আওয়ামী লীগের মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে : সেতুমন্ত্রী         মোংলা বন্দরে টেনিস বলের পরিবর্তে ৪ কন্টেইনারে আমদানি নিষিদ্ধ আফিম         জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি-বনানীতে আবাসিক হোটেল বন্ধ         বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী আলজেরিয়া : বাণিজ্যমন্ত্রী         ‘১লা অক্টোবরের মধ্যে সব সংস্থাকে সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ে আসতে হবে’         শোধরানো হবে প্রকল্পের অস্বাভাবিক খরচ         ঢাকায় ডি-এইট সম্মেলন জানুয়ারিতে         মালিকরাও প্রত্যাহার চান বাসের বর্ধিত ভাড়া         ‘ট্রেনের টিকিট হস্তান্তর করলে তিন মাসের জেল’        
//--BID Records