বুধবার ২১ শ্রাবণ ১৪২৭, ০৫ আগস্ট ২০২০ ঢাকা, বাংলাদেশ
প্রচ্ছদ
অনলাইন
আজকের পত্রিকা
সর্বশেষ

চা শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা ঋণ দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দেশের চা শিল্পের উন্নয়নে কৃষি ব্যাংককে ১০০ কোটি টাকা পুনর্অর্থায়ন দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ১০৬টি চা বাগানের ৬ হাজার ৪৪০ হেক্টর অনাবাদী জমি থেকে অতিরিক্ত ১৬ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় চা শিল্পের উন্নয়নে সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে থাকবে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এস কে সুর চৌধুরী বলেন, চা রফতানি থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। দেশে চা চাষের জন্য অনাবাদী অনেক জমিও রয়েছে। এসব জমিতে চায়ের চাষ হলে অন্যতম রফতানি পণ্যে পরিণত হবে এটি। ফিরে আসবে চা শিল্পের হারানো গৌরবও। জানা যায়, চা বাগানে অব্যবহৃত চা চাষযোগ্য জমিতে চা চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্পে অর্থায়ন চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদন করে চা বোর্ড ও চা সংসদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এস কে সুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি একটি সভা হয়। সভায় চা শিল্পের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনর্অর্থায়ন সুবিধার আশ্বাস দেন ডেপুটি গবর্নর। চা বোর্ড ও চা সংসদের প্রস্তাবে বলা হয়, ২০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০৬টি চা বাগানের আওতায় ৬ হাজার ৪৪০ হেক্টর অনাবাদী জমিতে চাষ সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে অতিরিক্ত চা উৎপাদন সম্ভব হবে প্রায় ১৬ মিলিয়ন কেজি। ঋণের অংশ বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ শতাংশ হারে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে পুনর্অর্থায়ন করলে বাগান মালিকরা কম সুদে এ ঋণ নিয়ে চা চাষ সম্প্রসারণ করবেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৬৩২তম সভায় এ প্রকল্পে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনর্অর্থায়ন সাপেক্ষে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংক বাগানের বিপরীতে চা উন্নয়ন ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণ করবে। সর্বশেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় কৃষি ব্যাংককে চা শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা পুনর্অর্থায়নের সিদ্ধান্ত হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ হবে পাঁচ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১০ বছর। ১০টি বার্ষিক কিস্তিতে কৃষি ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের পর বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিশোধ করবে। বর্তমানে চা খাতে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকই বেশি ভূমিকা রাখছে। ২০১৪ সালে চা উৎপাদনে ঋণ মঞ্জুর হয় ৬৩৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিতরণ হয় ৩৫৫ কোটি ও আদায় ১৫২ কোটি টাকা। ২০১৪ সালে চা উৎপাদনে ঋণ অনাদায়ী থাকে ২৪৫ কোটি টাকা। একই বছরে চা উন্নয়নে ৬ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর হলেও বিতরণ হয় ২ কোটি টাকা। আদায় হয় ১৫ কোটি ও অনাদায়ী থাকে ১৮৩ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চা উৎপাদনে ঋণ মঞ্জুর হয় ৬০৯ কোটি, বিতরণ হয় ৫৭৬ কোটি ও আদায় হয় ৪৪২ কোটি টাকা। আনাদায়ী থাকে ১৮২ কোটি টাকা। একই সময়ে চা উন্নয়নে ঋণ মঞ্জুর হয় ২৪ কোটি, বিতরণ ৯ কোটি ও আদায় হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

শীর্ষ সংবাদ:
চামড়ার বাজারে ধস ॥ প্রধান চার কারণ চিহ্নিত         মানুষের উন্নত জীবন ধারা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য         ষড়যন্ত্রকারীদের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন ॥ কাদের         নরেন দাস ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ সৈনিক ॥ আইনমন্ত্রী         জুলাইয়ে রেমিটেন্সে রেকর্ড         টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা নিহত         আজ শহীদ শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী         এক সপ্তাহের মধ্যে বন্যার পানি কমবে         করোনা পরীক্ষার সংখ্যা কমলেও রোগী শনাক্তের হার বেড়েছে         আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা         ভ্যাকসিন পরীক্ষার জন্য চীনা কোম্পানির আবেদন         করোনায় চলে গেলেন টিভি ব্যক্তিত্ব বরকতউল্লাহ         খোরশেদ আলম সুজন চসিকের প্রশাসক         নেত্রকোনার ডিসি প্রত্যাহার         এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজ নিজস্ব জমিতে স্থানান্তরের নির্দেশ         ৯ আগস্ট থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তির অনলাইন কার্যক্রম শুরু         পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক মেজর সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন         করোনা চিকিৎসায় সহজ কোনো সমাধান নেই : ডব্লিউএইচও         পাপিয়ার বিরুদ্ধে সোয়া ৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা         বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশে পরিণত হতো : প্রযুক্তিমন্ত্রী        
//--BID Records