ছবি: সংগৃহীত।
ফরিদপুরে বালু ব্যাবসা নিয়ে বিরোধের জেরে পিতা পুত্রকে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আহত পিতা দেলেয়ার সিকদার(৬৫) ও পুত্র মাসুদ সিকদার(৩৩) ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে ফরিদপুর শহরতলীর সাদীপুর ব্রিজের কাছে অবস্থিত বালুর চাতালে(দোকান)। এ ঘটনায় আহত মাসুদের মাতা আছিয়া বেগম বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে এবং আহতদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ফরিদপুর পৌরসভার ২৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাসুদ সিকদার (৩৩) শহরতলীর সাদীপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালুর ব্যাবসা করেন। এই খানে তার একটি বালু বিক্রির চাতাল আছে। তার দোকানের পাশে অবস্থিত চাতালের মালিক বালু ব্যবসায়ী শাফায়েত সিকদার এর সাথে ব্যাবসা নিয়ে বিরোধ ছিল। এই বিরোধের জেরে গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ৯টার সময় শাফায়েত সিকদার তার কয়েক সহযোগীসহ মামুনের দোকানে এসে মামুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এসময় দোকানে থাকা মামুনের পিতা দেলোয়ার সিকদার বাধা দিলে তাকেও সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দোকানে ক্যাশে থাকা নগদ প্রায় ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আহত পিতা পুত্রকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে তারা এখন আশঙ্কামুক্ত। ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মাসুদ সিকদার জানান, সন্ত্রাসী শাফায়েত এর আগেও আমাকে হুমকি দিয়েছিলো মেরে ফেলার। সোমবার রাতে হামলার ঘটনার পর আমি আতঙ্কে আছি।
এ ঘটনা আহত মাসুদের মাতা আছিয়া বেগম বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় বালু ব্যবসায়ী শাফায়েত সিকদার তার পিতা শাহিন সিকদার, চাচা তুহিন সিকদারসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো অজ্ঞাত কয়েকজনের নামে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার এস আই শিপন মাতুব্বর জানান, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সোমবার রাতে সাদীপুর ব্রিজের কাছে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে। দুইজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এ ব্যপারে আহত মাসুদের মাতা আছিয়া বেগম একটি অভিযোগ দিয়েছে। তার অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।
এম.কে








