ছবি: দৈনিক জনকণ্ঠ।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রংপুরের তারাগঞ্জ বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন দোকানে নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
আকর্ষণীয় ও চকচকে মোড়কে এসব সেমাই বাজারজাত করা হলেও এর মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব সেমাইয়ের বেশিরভাগই নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার কিছু গ্রাম এলাকায় তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই সেগুলো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্যাকেটের গায়ে ‘ঘি ও ডালডায় ভাজা’ লেখা থাকলেও বাস্তবে অধিকাংশ সেমাই পাম তেলে ভাজা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি। এতে সেমাইয়ের মান কমে যাওয়ার পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।
এছাড়া অনেক প্যাকেটেই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর সিল ব্যবহার করা হলেও সেগুলো নকল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেক প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ বা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও উল্লেখ নেই।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হামদুল্লাহ বলেন, নিম্নমানের লাচ্ছা সেমাই খেলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, সেমাই তৈরিতে অনেক সময় পাম অয়েল, কৃত্রিম রং এমনকি টেক্সটাইল ডাই (কাপড়ের রং) ব্যবহার করা হয়, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এম.কে








