চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ড্রামট্রাকের ধাক্কায় নিহত উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিনের জানাযা শেষে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার খৈয়াছরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাযায় ইমামতি করেন মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর দুইটায় মিরসরাই জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ড্রামট্রাকের ধাক্কায় কামাল উদ্দিন গুরুত্বর আহত হয়। এরপর উদ্ধার মিরসরাই সেবা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) প্রেরণ করা হলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কামাল উদ্দিন উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের পশ্চিম পোলমোগরা গ্রামের মৃত মজিবুল হকের ছেলে। পারিবারিক জীবনে তিনি ১ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক ছিলেন।
জানাযাপূর্ব মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট সাইফুর রহমান, মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ চৌধুরী, নিহত কামালের ছেলে আরাফাতুল ইসলাম মুন্না। জানাযায় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রায় ৭ হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেন।
জানাযাপূর্ব বক্তব্যে কামালের পুত্র আরাফাতুল ইসলাম মুন্না বলেন, ‘আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিচার করতে হবে। কিছু কুচক্রী মহল কিছুদিন ধরে আমার বাবাকে নিয়ে লেখালেখি করেছে এবং শেষ পর্যন্ত আমার বাবাকে মেরে ফেলেছে। আমরা এতিম হয়ে গেলাম, আমাদের যারা এতিম করেছেন প্রশাসন ও স্থানীয় এমপির কাছে সঠিক বিচারের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।’
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, যুবদল নেতা নিহতের ঘটনায় আটককৃত ড্রামট্রাক চালক খলিল হাওলাদারকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছি।
রাজু








