ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১

খুলনায় জমে উঠেছে পশুর হাট

​​​​​​​স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস

প্রকাশিত: ২১:৪৬, ১৪ জুন ২০২৪; আপডেট: ১৮:২৬, ১৯ জুন ২০২৪

খুলনায় জমে উঠেছে পশুর হাট

হাটে ওঠা কোরবানির পশু

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমজমাট খুলনার পশুর হাটগুলো। এরই মধ্যে নানা আকৃতির পশু আসতে শুরু করেছে অস্থায়ী হাটগুলোতে। তবে দাম নিয়ে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অপরদিকে গরমে হাটের ভিড় এড়াতে অনলাইনে গরু বিক্রি শুরু করেছে পশুর হাট। উপজেলা ও শহরতলির স্থায়ী-অস্থায়ী ২২টি হাটের বাইরে অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রি হচ্ছে। খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রণজিত চক্রবর্তী বলেন, ক্রেতা ও খামারিদের সুবিধার জন্য ‘অনলাইন কোরবানির হাট’ নামে অ্যাপ চালু করেছে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক পশু বিক্রি হয়েছে যার মূল্য কোটি টাকার ওপরে। প্রতিদিনই অ্যাপে নতুন নতুন গরু যুক্ত হচ্ছে এবং বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভালো। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানান, জেলায় এবার ১০ হাজার ৫৫২ জন খামারি কোরবানিযোগ্য এক লাখ ৫৬ হাজার ২৭৮টি পশু প্রস্তুত করেছে। এরমধ্যে ষাঁড় ৪১ হাজার ২৭৬টি, বলদ ১১ হাজার ৯৬৩টি, গাভী ১৩ হাজার ৭১৮টি, মহিষ ৯৭টি, ছাগল ৭৪ হাজার ৩৬৪টি, ভেড়া ১৪ হাজার ৮৩৪টি ও অন্যান্য পশু রয়েছে ২৬টি।

এ বছর খুলনা জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৩৪ হাজার ৪৪৩টি। উদ্বৃত্ত রয়েছে ২১ হাজার ৮৩৫টি। কোরবানির পশু কেনাকাটায় ঝামেলা এড়ানোর জন্য ‘অনলাইন কোরবানির হাট’ নামে অ্যাপ চালু করেছে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। কর্মকর্তারা সরাসরি খামারে গিয়ে পশুর বিবরণ, ছবি, ওজন, দাম অ্যাপসে দিয়ে দেন। ক্রেতারা অ্যাপসে গরু দেখে পছন্দ হলে সরাসরি বিক্রেতাকে ফোন করেন। প্রয়োজনে খামারে গিয়েও ক্রেতা ওই গরু দেখতে পারেন। তারপর দামদর ঠিক হলে গরু কেনেন ক্রেতারা।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শরিফুল ইসলাম বলেন, এ বছর খুলনায় কোরবানির পশু চাহিদার চেয়ে সরবরাহ বেশি। ফলে কোরবানির পশুর জন্য কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে না।

বাগেরহাটে দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

স্টাফ রিপোর্টার বাগেরহাট থেকে জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে। প্রতিটি হাটে ভিড় থাকলেও দাম নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ক্রেতারা বলছেন, গেল বছরের থেকে প্রতিটি গরুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। খামারি ও বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বেশি থাকায় অতিরিক্ত দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বেশি দামে ক্রয় করার পরেও লোকসান হচ্ছে বলে দাবি খামারিদের। তবে অধিকাংশ ক্রেতা অপেক্ষা করছেন শেষ সময়ের জন্য। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবার বাগেরহাটে ঈদুল আজহা উপলক্ষে স্থায়ী-অস্থায়ী ২৩টি পশুর হাট বসেছে। প্রকৃতপক্ষে হাটের সংখ্যা ৩০টির বেশি। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেব আলী বলেন, এবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১ লাখ ১২ হাজার ৪১৩ পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১০ হাজার বেশি। এসব গরু ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য স্থায়ী-অস্থায়ী ২৩টি পশুর হাট বসেছে। এর পাশাপাশি অনলাইনে এবং খামার থেকে সরাসরি পশু বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অনলাইনে বেচা-বিক্রিতে তেমন সাড়া নেই।

কাপাসিয়ায় পশুর হাট মনিটরিং করছে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম

সংবাদদাতা কাপাসিয়া (গাজীপুর) থেকে জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে নিরাপদ গো-মাংস উৎপাদন, স্বাস্থ্যসম্মত গবাদিপশু কেনাবেচার লক্ষ্যে কাপাসিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে ৬টি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম উপজেলার বিভিন্ন গবাদিপশু হাট সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।  শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার কৃষিবিদ দেওয়ান কামরুজ্জামান জামি টিম লিডার হিসেবে সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী  গবাদিপশুর হাট নিয়মিত মনিটরিং করতে দেখা গেছে। এবারের ঈদে উপজেলার খামারিরা অনলাইনে গরু-ছাগল, মহিষ বেচাকেনা করছে বলে জানান ন্যাচারাল এগ্রো ফার্ম এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শেখ আহসান উদ্দিন রাসেল। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার দেওয়ান কামরুজ্জামান জামি বলেন, কোরবানির পশুর হাটে অসুস্থ রোগাক্রান্ত গবাদিপশু কেনাবেচা হচ্ছে কি না তা নির্ণয় করতে ভেটেরিনারি টিম মনিটরিং করছে। সুস্থ সবল পশু বিক্রি নিশ্চিত এবং পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দিতে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিমগুলো সার্বক্ষণিক সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উপজেলায় ৩১ হাজারের বেশি কোরবানির জন্য গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে।

ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে পাঁচ শ’ টাকায় গরু আসছে ঢাকা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ইসলামপুর, জামালপুর থেকে জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ইসলামপুর থেকে স্পেশাল ক্যাটল ট্রেন যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথমদিন বুধবার ১২ জুন সন্ধ্যা ৬টায় ২৫টি ওয়াগান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ট্রেনটি। দ্বিতীয় ট্রেনটি ছেড়ে যায়, রাত ৯টায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় আরেকটি স্পেশাল ট্রেন ছেড়ে যায়।

চলতি বছর ইসলামপুর থেকে ৫৮টি ও মেলান্দহ স্টেশন থেকে ৬টি ওয়াগন বুকিং করেছে গরু ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি ওয়াগনের ভাড়া আট হাজার টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।

গরু ব্যবসায়ী আব্দুল আলিম বলেন, আগে ট্রাকে করে গরু নিয়ে গেলে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দেওয়া লাগত। আলিম শেখ নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, ট্রাকে করে গেলে গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। ট্রেনে গেলে কোনো ঝাঁকি লাগে না। জয়নাল মিয়া বলেন, ট্রেনে গেলে আমাদের খরচ অর্ধেক লাগে। যেখানে ট্রাকে গেলে বেশি খরচ ও ঝুঁকি বেশি থাকে। সেজন্য এসব এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা এখন ট্রাকের বদলে ট্রেনকেই বেশি পছন্দ করছে। ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, গতবছরের তুলনায় চলতি বছর ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনের আরও ভালো সাড়া পাওয়া গেছে।

মাগুরায় চাহিদার বেশি পশু

নিজস্ব সংবাদদাতা মাগুরা থেকে জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে মাগুরায় কোরবানির পশুর চাহিদা ৯২ হাজার ৮৯১টি। জেলার উৎপন্ন গবাদি দিয়ে কোরবানির চাহিদা মিটিয়েও ২৫ শতাংশ উদ্বৃত্ত থাকবে বলে দাবি করেছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। গরু-ছাগলের আমদানি ব্যাপক হলেও এ বছর দাম বর্তমানে বেশ কম বলে বিক্রেতারা জানান। প্রতিটি গরুতে ১০ থেকে ১৫ হাজার কম গতবছর থেকে। ফলে দাম কিছুটা কম পাচ্ছেন বিক্রেতারা। জানা গেছে, মাগুরায় জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাটগুলো। গরু, ছাগলের আমদানি ভালো হচ্ছে। এ বছর ১৮টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট বসেছে। এরমধ্যে সদর উপজেলার, কাটাখালী, আলমখালী, রামনগর, আলোকদিয়া, মহম্ম্দপুরের বেথুলিয়া, নহাটা, শালিখার আড়পাড়া, সীমাখালী, পুলুম, শ্রীপুরের  লাঙ্গলবাধ ও সারঙ্গদিয়া প্রভৃতি স্থানে কোরবানির পশুর হাট বসছে। হাটে বিভিন্ন আকারের গরু ও ছাগল উঠেছে বিক্রির জন্য।

ঘিওরে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঘিওর, মানিকগঞ্জ থেকে জানান, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় প্রায় ১৩ হাজার পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ছোট-বড় খামার ও প্রান্তিক পর্যায়ের প্রায় দুই হাজার কৃষক এসব গরু লালন-পালন করছেন। ছোট বড় গরুর হাটগুলো জমে উঠেছে। হাট বাজারগুলোতে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। তবে দাম নিয়ে রয়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও মধ্যে মিশ্রপ্র্রতিক্রিয়া। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় কোরবানি দেওয়ার জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ৬০৯টি পশু। এসব গবাদিপশু ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলে যাবে। তাই ঈদে কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না বরং চাহিদার অতিরিক্ত পশু রয়েছে। গো-খাদ্যসহ অন্যান্য দ্র্রব্যের দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় উপযুক্ত মূল্যে গরু বিক্রি করতে না পারলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন খামার মালিকরা। পশু ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য এ উপজেলায় স্থায়ী তিনটি ও অস্থায়ী আটটি হাট বসে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পার্বতী পাল বলেন, এ উপজেলায় এবার কোরবানির জন্য সাড়ে ১২ হাজার ৬০৪টি পশু রয়েছে। এসব কোরবানির গরু উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলা ও নগরীর বিভিন্ন হাটে বিক্রি করা হয়ে থাকে।

কুড়িগ্রামে কঠোর নজরদারি

স্টাফ রিপোর্টার, কুড়িগ্রাম থেকে জানান, ঈদুল আজহার সময় যত ঘনিয়ে আসছে কুড়িগ্রামে পশুর হাটগুলোতে খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা। এমন পরিস্থিতিতে পশুর হাটগুলোকে নিরাপদ রাখতে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করছেন পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম। এছাড়াও জেলার সকল থানা এলাকার বিভিন্ন হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোলরুম, জাল টাকা যাচাই মেশিনসহ ইজারাদার, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট সার্কেল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

জেলা পুলিশ জানায়, আসন্ন ঈদে যেন কুড়িগ্রাম জেলার সব শ্রেণি পেশার মানুষ নির্বিঘেœ হাটে এসে পশু ক্রয় করতে পারে সেই লক্ষ্যে জেলার প্রত্যেকটি পশুর হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন, কন্ট্রোল রুম স্থাপন, উঁচু ভবন থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মেটাল ডিটেকটর ব্যবহার, মাইকিং, জাল টাকার মেশিন দ্বারা অর্থ চেকসহ, চুরি ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি রোধে হাট, হাট সংলগ্ন এলাকা ও রাস্তায় সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

টাঙ্গাইলে চাহিদার অতিরিক্ত ১৯ হাজার

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল থেকে জানান, আসন্ন কোরবানির ঈদ অর্থাৎ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের খামারিরা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণে পরিচর্যা শেষ করেছে। কোরবানির ঈদে জেলার ১২টি উপজেলায় এক লাখ ৮৫ হাজার পশুর চাহিদা থাকলেও খামারগুলোতে চাহিদার অতিরিক্ত ১৯ হাজার ৪০৬টি কোরবানির পশু মোটাতাজা করে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়েও খামারিরা বাড়তি পশু জেলার বাইরে বিক্রির প্রস্তুতি চালাচ্ছে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলাসহ বিভিন্ন জায়গায় ২৫ হাজার ৮৯২টি ছোট-বড় খামার রয়েছে। খামারগুলোতে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলায় ইতোমধ্যে  কোরবানিযোগ্য দুই লাখ ৪ হাজার ৪০৬টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় এবার এক লাখ ৮৫ হাজার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে। ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চাহিদা মিটিয়েও খামারিরা জেলার বাইরে গরু বিক্রি করবেন। সূত্রমতে, জেলায় কোরবানির পশু বিক্রির জন্য বিভিন্ন স্থানে ৬০টি হাট বসেছে। ৬০টি হাটে টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে ৪৬টি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। কালিহাতীর হরিপুর গ্রামের ভাই-বোন অ্যাগ্রোফার্মের মালিক কামরুল হাসান হিরণ জানান, তিনি গত ছয় বছর ধরে ফার্মে গরু মোটাতাজা করে কোরবানির ঈদে বিক্রি করে থাকেন।

 

 

×