ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০

জীবনযাত্রা ব্যাহত

উত্তরাঞ্চলে হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশা

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

প্রকাশিত: ২২:২৩, ১০ ডিসেম্বর ২০২৩

উত্তরাঞ্চলে হিমেল  হাওয়া আর  ঘন কুয়াশা

.

শীতের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি টের পাওয়া যায় উত্তরবঙ্গে। শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন রংপুর বিভাগের খেটে খাওয়া মানুষ। দুর্ভোগের শেষ থাকে না। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, গাইবান্ধা কুড়িগ্রামে তীব্র শীত পড়ে। ফলে মানুষের কর্মঘণ্টা কমে যায়। প্রচন্ড শীতের কারণে মাঠে-ঘাটে কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। শনিবার রাত থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীতের দাপট শুরু হয়েছে উত্তরাঞ্চল জুড়ে। এতে রবিবার সকাল থেকে শীতের তীব্রতা  বেড়ে যাওয়ায় বিঘ্নি হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে অঞ্চলের জেলাগুলোতে দুর্ভোগের আবর্তে পড়েছে জনজীবন। দিনের বেলাতেও চলছে কুয়াশার দাপট; ভরদুপুরেও মিলছে না রোদের দেখা।

থার্মোমিটারের পারদ অস্বাভাবিকভাবে কমছে। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকছে আকাশ-প্রকৃতি। দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে সড়ক-মহাসড়কগুলোতে দিনে দুপুরেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়। রাতের বেলা চলাচলকারী দূরপাল্লার গাড়িগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে  সূর্যের মুখ কিছুটা দেখা গেলেও সেটি কুয়াশা ভেদ করে আলো ছড়াতে পারেনি খুব একটা। এতে রবিবার শীতের তীব্রতা আকস্মিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাতের তুলনায় হঠাৎ করেই দিনের তাপমাত্রা কমেছে। ঘন কুয়াশার বিস্তার এবং সূর্যের আলো না পাওয়ার কারণে সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান বেশ কমে গেছে।

ষড়ঋতুর বাংলার প্রকৃতিতে পঞ্চম ঋতু হলো শীত। পঞ্জিকায় বাংলা মাসের হিসাব অনুযায়ী পৌষ-মাঘ মাস নিয়ে শীতের ব্যাপ্তিকাল নির্ধারণ করা হয়। আর ইংরেজি মাসের হিসাবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত শীতকাল।  বাংলায় ঋতু হিসেবে শীতের ব্যাপক জনপ্রিয়তা। সময় পিঠাপুলি, পায়েস মিষ্টান্নের মতো নানা ধরনের উপাদেয় খাবারসহ মৌসুমি ফল আর শাকসবজি পাওয়া যায়। শীতে রূপসী বাংলা হয়ে ওঠে আরও অনন্য। তবে তীব্র শীত উত্তরজনপদে  খেটে খাওয়া, গরিব মানুষের জন্য অত্যন্ত দুর্ভোগের কারণ। প্রতি বছরই শীতকালে গরম পোশাকের অভাবে অনেক প্রাণহানি ঘটে।

২০১৮ সালের জানুয়ারি উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়াতে দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছিল আবহাওয়া অফিস। যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড। এর আগে সবচেয়ে কম তাপমাত্রার রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে আর সেটি ছিল দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছাড়াও নীলফামারীর সৈয়দপুরে দশমিক ডিগ্রি   নীলফামারীর ডিমলা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দশমিক ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা  রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক , যা শনিবার ছিল ১৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রবিবার ছিল ২২ দশমিক ৪। শনিবার ছিল ২৯ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে সৈয়দপুরে একদিনে ব্যবধানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 দিনাজপুরে রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৭। শনিবার ছিল ১৮। জেলায় রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪ সেখানে শনিবার ছিল ২৬। এতে একদিনর ব্যবধানে সর্বনি¤œ তাপমাত্রায় দশমিক এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ডিগ্রি কমেছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫। শনিবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১৮ দশমিক ৫। এখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রবিবার ছিল ২৪ ডিগ্রি। শনিবার রেকর্ড করা হয়েছিল ২৭ এতে কুড়িগ্রামে একদিনের ব্যবধানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দশমিক এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমছে ডিগ্রি সেলসিয়াস। রংপুরে রবিবার সর্বনিম্নতাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক সর্বোচ্চ ২২ দশমিক ডিগ্রি। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৮ দশমিক এবং সর্বোচ্চ ২৬ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে একদিনের ব্যবধানে সর্বনিম্ন দশমিক এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমেছে। দুই দিনের তাপমাত্রা হিসাব করলে বোঝা যায় যে, সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে এসেছে অনেকখানি। ফলে শীতের তীব্রতা প্রকট আকার ধারণ করেছে।

এক হিসাব অনুযায়ী রংপুর বিভাগের প্রতিটি জেলায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের সংখ্যা গড়ে তিন লাখের মতো। ফলে রংপুরের জেলায় কমপক্ষে ২০ লাখের বেশি হতদরিদ্র মানুষ রয়েছে। চলতি বছরে গত দুই সপ্তাহ আগে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভান্ডা থেকে প্রতিটি জেলায় কম্বল প্রেরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারী জেলায় কম্বল এসেছে ২৬ হাজার ২৫০ পিস। জেলায় রয়েছে ৬০টি ইউনিয়ন ৪টি পৌরসভা। বিভাজনে দেখা যায় প্রতিটি ইউনিয়ন পৌরসভা বরাদ্দ পেয়েছে ৪১০ পিস করে কম্বল। পাশাপাশি গত বছর বিশেষ মজুত হিসাবে অধিদপ্তর থেকে হাজার পিস কম্বল রাখা আছে। যা এখনো বিতরণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অনুমতি পেলে সংশ্লিষ্টরা কম্বল বিতরণ শুরু করবে বলে জানা যায়। প্রতি বছর শীতে উত্তরাঞ্চলে মানুষের প্রাণহানি ঘটে। শীতে প্রাণহানির সঠিক কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বলা যায়শীতে উত্তরাঞ্চলে আগুন তাপাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে অনেকে মারা যান। ছাড়া শীতের তীব্রতা সহ্য করতে না পেরে বেশিরভাগই বয়স্ক, শিশুর মৃত্যুর খবর উঠে আসে।

দিকে উষ্ণতার জন্য গরম কাপড়ের কদর বেড়েছে। ভিড় দেখা গেছে শীতবস্ত্রের দোকানগুলোয়। বিভিন্ন বয়সের মানুষের শীতজনিত নানা রোগ-বালাইয়ে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ফলে হাসপাতালগুলোয় অসুস্থ রোগীর ভিড় বাড়ছে।

আবহাওয়াবিদদের মতে শীত মৌসুমে সাধারণত উত্তর উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে বাংলাদেশমুখী বাতাসের গতি থাকে। সাধারণত আকাশ মেঘলা থাকলে বিকিরণ প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠ শীতল হতে সময় লাগে। তাপমাত্রা ভূপৃষ্ঠে বেশিক্ষণ থাকতে পারে। ফলে ধরণী শীতল হতে না হতেই নতুন দিনে সূর্যের আগমন ঘটে। ফলে মেঘমুক্ত আকাশ ধরণীকে দ্রুত শীতল করে। পাশাপাশি দীর্ঘ-রজনী সূর্যের আগমন বিলম্বিত করে। এসব কারণ উপস্থিত থাকায় ঊর্ধ্ব আকাশের বাতাসের গতির জেট এক্সট্রিম (শীতল বাতাসের লাইন বা যেখানে তাপমাত্রা জিরো ডিগ্রি) নিচে (ভূপৃষ্ঠের দিকে) নেমে এসেছে। এটা সাধারণত ৬০০-৭০০ হেক্টর স্কেলের মধ্যে থাকার কথা। কিন্তু সেটি আরও অন্তত একশ হেক্টর নিচে নেমে এসেছে। সর্বোপরি শনিবার রাতে বাতাসে জলীয়বাষ্পে পরিমাণ কম ছিল। ফলে দ্রুত তাপমাত্রা কমে আসে।

সব কারণ মিলিয়েই রবিবার ভোর থেকে বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা থেকে ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা যদি থেকে ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামে, তবে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। হিসাবে উত্তরাঞ্চলসহ দেশে শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়নি। তবে উত্তুরি হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে।

অপরদিকে শীতের এমন রুদ্ররূপকে জলবায়ু পরিবর্তনেরই আরেক কুফল বলে অভিহিত করেছেন অনেকে। উত্তরাঞ্চলের পরিবেশবিদ হিসাবে পরিচিত আহসান রহিম মঞ্জিল বলেন জলবায়ু পরিবর্তনে পরিবেশ ভারসাম্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণহীন। চলতি বছর যে হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল তাতে মানুষজনের নাভিশ্বাস উঠে গিয়েছিল। এবারের শীতে যে হারে সর্বনিম্ন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমছে তাতে শীতের তীব্রতা বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন এবারকার শীত মৌসুম দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের উত্তাপে পড়েছে। প্রশাসন থেকে জনপ্রতিনিধি সকলে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। এতে করে যাতে সরকারি বেসরকারিভাবে শীত বস্ত্র বিতরণ বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেদিকও নজরদারি রাখতে হবে বলে তিনি যোগ করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ঘন কুয়াশা নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, কয়েকদিন বৃষ্টি মেঘলা আকাশ থাকায় সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে ঠান্ডার মাত্রা বেড়েছে। সেইসঙ্গে দুদিন ধরে ঘন কুয়াশা শীতে ঠান্ডার প্রকোপ বেশি অনুভূত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তাপমাত্রা কমেছে ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবার সারারাত বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরার পর রবিবার সকাল থেকে আকাশ থাকে মেঘলা এবং ঘন কুয়াশায় জনজীবনে অনেকটা অস্বস্তি নেমে আসে। সকাল থেকে দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় জনপদের মানুষজন পড়েন বিপাকে। রাস্তাঘাটে যানবাহন চলে হেড লাইট জ্বালিয়ে। বিশেষ করে কর্মজীবী খেটে খাওয়া মানুষজনকে কাজে যেতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

কুড়িগ্রাম স্টাফ রিপোর্টার জানান, কুড়িগ্রামে গত দুদিন ধরে ঘন কুয়াশা হিমেল হাওয়ায় জনজীবনে কিছুটা অস্বস্তি নেমে এসেছে। ভোর থেকে শুরু করে কুয়াশায় ঢেকে থাকে গোটা জনপদ। সেইসঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকায় কুয়াশার কারণে সূর্যের মুখ দেখা যায় না। দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তাপমাত্রা সাড়ে ডিগ্রি কমেছে বলে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। আর তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উত্তর জনপদে শুরু হয়েছে শীতের ঠান্ডার ভোগান্তি। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

লালমনিরহাট সংবাদদাতা জানান, লালমনিরহাটে ঘন কুয়াশা আর শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পর থেকে চারদিক ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত থাকছে, সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া। এতে করে ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র লোকজন সীমাহীন কষ্ট-দুর্দশায় দিনাতিপাত করছেন। উত্তরের জেলা লালমনিরহাট হিমালয় পর্বতের খুব কাছাকাছি হওয়ায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। লালমনিরহাটে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে শীতের আবহ তেমন না হলেও হঠাৎ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে জেলা সদরসহ পাঁচটি উপজেলা। সেই সঙ্গে কমেছে তাপমাত্রা। রবিবার সারাদিন সূর্যের দেখা  মেলেনি।  জেলার বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, ছিন্নমূল গরিব অসহায় মানুষ শীতের কারণে বেশি কষ্টে আছে। কৃষকরা মাঠে যেতে পারছে না, ফলে ব্যাহত হচ্ছে কৃষিকাজ। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, রবিবার সকাল ৯টায় লালমনিরহাটে কুড়িগ্রাম জেলায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

মাগুরা নিজস্ব সংবাদদাতা জানান, মাগুরায় মাঝারি আকারে শীত পড়েছে। রবিবার ভোর থেকে মাগুরার সর্বত্র  কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকে। শীতের কারণে নানা ধরনের রোগ নিউমোনিয়া, জ্বর কাশির প্রকোপ দেখা দিয়েছে।  রবিবার ভোর থেকে জেলায় বছরের প্রথম কুয়াশার চাদরে সর্বত্র ঢাকা পড়ে। যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে।

×