ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১

স্যাংশন দিয়ে উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

সংবাদদাতা, মধুপুর, টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১৪:৩৫, ২ জুন ২০২৩; আপডেট: ১৪:৫০, ২ জুন ২০২৩

স্যাংশন দিয়ে উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। ফাইল ফটো

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ মোটেই বিচলিত নয়, কোন স্যাংশন দিয়ে এ উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ব্যাহত করতে পারবে না। আপনারা যত ধরনের স্যাংশনই দেন তা মোকাবেলা করার মতো যোগ্যতা বাংলাদেশের রয়েছে।

শুক্রবার( ২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রাণী ভবানী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাজেট বিষয়ে বিএনপির নেতা কর্মীরা গত ১৪ বছর যাবতই বলেন এটা উচ্চ বিলাসী বাজেট, অবাস্তব বাজেট, কল্পনা ভিত্তিক বাজেট। কল্পনা ভিত্তিক বাজেট হলে পাঁচ লাখেরও কম চার লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা জাতীয় আয় ৪৪ লাখ হতো না। এটাই প্রমাণ প্রতি বছরই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলাদেশ করার লক্ষ্য নিয়ে বাজেট দিয়েছি। 

সেই লক্ষ্যে অদম্য গতিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিদেশি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা বলে অদম্য বাংলাদেশ। সেই অদম্য বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য গতি। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে। এই গতিকে আমরা আরও বেগবান করবো। এই বাজেটের মাধ্যমে উন্নয়নকে আর গতিময় করবো।

বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিরোধী দল বলে উচ্চ বিলাসী। বাংলাদেশের মানুষকে আরও উন্নত করতে চায়। আমরা বলছি, এই বাজেট বাস্তব সম্মত। অতীতেও আমরা সফল হয়েছি। আগামী দিনেও এই বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সফল হবো। আগে বাংলাদেশ চার লাখ ৮৪ কোটি টাকা ছিলো মোট আয়। সেটা বেড়ে হয়েছে ৪৪ লাখ। আগামী বছর আরও বেশি হবে। বাংলাদেশের আয় আমরা নয় গুণ বৃদ্ধি করেছি। এই বাজেট প্রণয়ন হলে এটি আরও বৃদ্ধি হবে।
 
তিনি আরও বলেন, এই বছরের বাজেটে কৃষিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরত্ব দিয়েছি। বিনামূল্যে না হলেও অনেক সহযোগিতা দিয়ে কৃষির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কম্বাইন হারবেস্টার আমরা দিচ্ছি। গ্রামীণ ও পল্লী বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য এই বাজেটকে সর্বোচ্চ গুরত্ব দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মধুপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী, মধুপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র সিদ্দিক খান, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা: মীর ফরহাদুল আলম মনি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মির্জাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলাম সাদিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও কুড়াগাছা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক সরকার, মধুপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, মহিষমারা ইউপি চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মহির, উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পলাশ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমানসহ অন্য নেতারা।

ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে ১০০জন ডাক্তার দিন ব্যাপী প্রায় ১০ সহস্রাধিকের মতো রোগীদেরকে সেবা প্রদান করেন।

এসআর

×