ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১

৪৩ কেজি বিস্ফোরক অস্ত্রসহ আরসা কমান্ডার আটক

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ও সংবাদদাতা, উখিয়া

প্রকাশিত: ২২:৫৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

৪৩ কেজি বিস্ফোরক অস্ত্রসহ আরসা কমান্ডার আটক

৪৩ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য

জেলার উখিয়ায় অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) শীর্ষ কমান্ডার রহিমুল্লাহ ওরফে মুছাসহ চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৩ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ম্যাগাজিনসহ ১টি বিদেশী পিস্তল, ২টি দেশীয়  বন্দুক ও ৭টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১৫ এর কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য জানান। মঙ্গলবার দিনগত মধ্যরাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা-বরইতলীর গহিন পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। 
আটকরা হচ্ছে ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাফিজ আহমেদের ছেলে আরসার শীর্ষ কমান্ডার রহিমুল্লাহ প্রকাশ মুছা, ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বদি আলমের ছেলে আরসার অন্যতম কমান্ডার শামছুল আলম প্রকাশ মাস্টার শামসু, কক্সবাজার শহরের জাফর আলমের ছেলে মো. শফিক ও আব্দুস সালামের ছেলে মো. সিরাজ। খন্দকার আল মঈন জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের তেলখোলা বরইতলী গহিন পাহাড়ি এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মো. শফিক ও মো. সিরাজ নামে দুই বাংলাদেশিকে আটক করে র‌্যাব। পরে আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৬ কেজি ৫৩০ গ্রাম বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

এর পর একই তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির শীর্ষ কমান্ডার ও উখিয়ার ঘোনারপাড়া ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কমান্ডার রহিমুল্লাহ ওরফে মুছা এবং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অন্যতম কমান্ডার শামছুল আলম ওরফে মাস্টার শামসুকে। এ সময় আটকদের আস্থানা থেকে ৩৬ কেজি ৭৮০ গ্রাম বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা বিস্ফোরক দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ক্লোরেটস, ব্রোমোটস, পটাশিয়াম ও হেক্সামিথাইলিন টেট্রামাইন জাতীয় রাসায়নিক দ্রব্য। এসব রাসায়নিক দ্রব্য গান পাউডার বা উচ্চ বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহারের নজির রয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে রহিমুল্লাহ ওরফে মুছা ও শামছুল আলম আরসার শীর্ষ নেতা এবং অপর দুজন বাংলাদেশী নাগরিক ও আরসার সহযোগী। তারা বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় খুন, অপহরণ, ডাকাতি, মাদক, চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটন করত। তারা পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের দুর্গম সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালান করত।

×