আহত রোগী।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের পাঁচ ও ছয় তলার দরজা-জানালার কাচ ভেঙে রোগী-স্বজনসহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ মে) রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করে ঝড়ে ওই ঘটনা ঘটে। এছাড়া ঝড়ের সময় হাসপাতাল চত্বরের একটি গাছ উপড়ে গিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে গেছে। এদিকে ঝড়ের কারণে শেরপুরের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ায় জেলার পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুতের বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রায় ১৫ ঘন্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে হঠাৎ করে প্রচন্ড ঝড় শুরু হয়। ওইসময় ঝড়ে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলার সুইংডোর (দরজা) ও জানালার কাচ ভেঙে রোগী ও স্বজনদের ওপর পড়ে। এতে কমপক্ষে ৬ জন আহত হন। তাদের মধ্যে আব্দুল জলিল, আছিয়া বেগম, রিনা বেগম ও জয়গুন বেগমসহ চারজনের শরীরের একাধিক স্থানে সেলাই দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জেলা সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়েছি। আহত ব্যক্তিরা শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। এছাড়া একটি গাছ ভেঙে পড়ে হাসপাতালের সীমানা প্রাচীর ভেঙে গেছে। তবে কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা প্রকৌশলীরা পরিদর্শন করে নিরুপণ করবেন।
শেরপুর পল্লীবিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো. আলী হোসেন বলেন, ঝড়ের কারণে পল্লীবিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু খুটি ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত ও ও খুটিগুলো পরিবর্তন করার কাজ শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতে সন্ধ্যার মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।
শেরপুর পিডিবির সহকারী প্রকৌশলী মোকছেদুল আলম সোহাগ বলেন, গতকালের ঝড়ের কারণে পিডিবির ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি সঞ্চালন লাইনের উপর গাছ পড়ে সেগুলো অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কিছু খুটি ভেঙে গেছে। প্রায় ১৫ ঘন্টা পর শেরপুরের সঞ্চালন লাইনগুলো মেরামত করে চালু করা সম্ভব হয়েছে। আর দু’একটি এলাকায় কাজ চলছে। সেগুলোও দ্রুত সময়ের মধ্যে চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।
এমএস








