ঢাকা, বাংলাদেশ   মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯

monarchmart
monarchmart

বরিশালে প্রবেশদ্বারের নির্মাণ কাজে ধীরগতি

প্রকাশিত: ০৫:১১, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বরিশালে প্রবেশদ্বারের নির্মাণ কাজে ধীরগতি

খোকন আহম্মেদ হীরা, বরিশাল ॥ নগরীর দুই প্রবেশদ্বারে নির্মিতব্য সিটি গেট নির্মাণের শেষ প্রান্তে এসে মুখ থুবড়ে পরেছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এ দুটি গেটের নির্মাণ কাজের ৯০ শতাংশ সমাপ্ত করার দাবি করা হলেও পুরো কাজ কবে নাগাদ শেষ করা হবে তা কেউ বলতে পারছে না। সূত্রমতে, ২০১৬ সালের জুন মাসের মধ্যে এ গেট দুটির নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও অদ্যাবধি কাজের কোন অগ্রগতি দেখছেন না নগরবাসী। অপরদিকে নগরীর প্রবেশদ্বারের দুটি গেটের নির্মাণ সামগ্রী ব্যস্ততম সড়কজুড়ে যত্রতত্র ফেলে রাখায় প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে গেট নির্মাণ প্রজেক্টের ফাইল ক্লোজ করা হয়েছে। ফলে কর্পোরেশনের দাবি করা ৯০ শতাংশ কাজের টাকা ঠিকাদারকে কিভাবে পরিশোধ করা হবে তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যদিও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মোমেন সিকদার ইতোমধ্যে কিছু টাকা কর্পোরেশন থেকে পেয়েছেন বলেও একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি কর্পোরেশনের একাধিক প্রকৌশলী জানান, ২০৮ কোটি টাকার প্রজেক্টকে রিভাইস করে ২২৭ কোটি করা হয়েছে। রিভাইস অনুমোদন করা ওই প্রজেক্টের শেষ কিস্তির প্রায় ছয় কোটি টাকা মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া যায়নি। রিভাইস করা ওই ছয় কোটি টাকা না পাওয়ায় তিন কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত দপদপিয়া সিটি গেট ও গড়িয়ারপাড় সিটি গেট যথাসময়ে সমাপ্ত করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন সিটি গেট দুটির নির্মাণ কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যে দুইবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মালেক গেট দুটি পরিদর্শনও করেছেন। শেষ কিস্তির ওই টাকা কেটে রাখায় কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ মাঝ পথে এসে বন্ধ রয়েছে বলেও সূত্রটি দাবি করেছেন। অপরদিকে গেট দুটি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার বিষয়ে বরিশালের দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যালয়ে তদন্ত চলছে। শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত দপদপিয়া সেতুর টোল আদায়কারী শ্রমিকরা জানান, মূল সড়কের অধিকাংশ দখল করে দীর্ঘদিন গেটের নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখায় ব্যস্ততম এ পয়েন্ট থেকে কুয়াকাটা, বরগুনা, পটুয়াখালী, মির্জাগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ থেকে আসা বাস, মিনিবাস এবং মোটরসাইকেল চালকরা চরম ভোগান্তিতে পরেছেন। এ ব্যাপারে বিসিসির মেয়র মোঃ আহসান হাবিব কামাল জানান, মন্ত্রণালয় প্রজেক্টটি ক্লোজ করায় সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা খুবই কষ্টসাধ্য। তারপরও সাধ্যমতো গেট দুটি নির্মাণে কাজ চলছে। মেয়র আরও বলেন, গেট নির্মাণ কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ তাদের গাছ কেটে নিলেই বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।
monarchmart
monarchmart