১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, বুধবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
 
সর্বশেষ

ব্যঙ্গাত্মক চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে জাবিতে প্রতিবাদ

প্রকাশিত : ৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৫ পি. এম.
ব্যঙ্গাত্মক চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে জাবিতে প্রতিবাদ

জাবি সংবাদদাতা ॥ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করে আন্দোলনকারীরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বেলা ১২ টায় সেখানে ৬০ গজ দীর্ঘ কাপড়ের ব্যানারে প্রতিবাদী উক্তি ও ব্যঙ্গাত্মক চিত্র অঙ্কন শুরু করে। চিত্র অঙ্কন শেষে বিকাল সাড়ে চারটায় ওই ব্যানার নিয়ে তারা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি পুরাতন প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে নতুন কলা ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, পটচিত্রের মাধ্যমে অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রকাশ করছি আমরা। এসব পটচিত্রে উপাচার্যের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাসহ সব অনিয়ম তুলে ধরা হয়েছে।

এছাড়া আজ আন্দোলনকারীদের একটি দল ‘দুর্নীতির’ তথ্য উপাত্ত নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রালয় ও ইউজিসির কাছে যাবে বলে জানা যায় । এ বিষয়ে আন্দোলনের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, শিক্ষান্ত্রণালয় ও ইউজিসির কাছে তথ্য-প্রমাণ জমা দেওয়া হবে। আমাদের কাছে যে প্রমাণগুলো আছে তাতে করে অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম আর কোনভাবেই তার পদে থাকতে পারেন না।

আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাপ্পু বলেন, “উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। প্রধানমন্ত্রী তথ্য-প্রমাণ চেয়েছেন, আমাদের কাছে যতটুকু তথ্য-উপাত্ত আছে আমরা তা পাঠাবো। আমরা মনে করি আমাদের কাছে যে তথ্য-উপাত্ত আছে তা উপাচার্যের দুর্নীতি প্রমাণের জন্য যথেষ্ট।”

এদিকে বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে সব সভা-সমাবেশ, মিছিল ও যেকোনো অবস্থান কর্মসূচিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর আগে, গত ৫ নবেম্বর আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিলে তাদের উপর অতর্কিত হামলার পর ক্যাম্পপাস উত্তপ্ত হয়। ঐ ঘটনার পরপরই জরুরী সিন্ডিকেটের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল বন্ধ রয়েছে। হলে কোনো শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে।আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের বাসাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে অবস্থান করছেন। তবে আন্দোলনকারীরা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও তারা আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।

প্রকাশিত : ৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৩৫ পি. এম.

০৮/১১/২০১৯ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ: