মেঘলা, তাপমাত্রা ৩১.১ °C
 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১ আশ্বিন ১৪২৪, মঙ্গলবার, ঢাকা, বাংলাদেশ
সর্বশেষ

সিরাজদিখানে নদীর তীর ঘেঁষে অবাধে বালু উত্তোলন

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের দোসরপাড়া এলাকায় ইছামতি নদী থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে ড্রেজিং পদ্ধতিতে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ১০ দিন ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লতব্দী ইউনিয়নের ভাষানচর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে হাবিবুল্লাহসহ আরও কয়েকজন অবৈধ ভাবে এ বালু উত্তোলন করছে বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেছে। বালু উত্তোলনের ফলে ইছামতি ঘেঁষা কৃষি জমি নদীগর্ভে বিলীনের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। বালুদস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, শ্যালো মেশিন দিয়ে ড্রেজিং পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করে একটি জমিতে জমা করে তা ৪ থেকে ৬ টাকা ফুট হিসেবে বিক্রি করছে বালুদস্যুরা। অন্যদিকে তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলনে কৃষি জমি টুকরো টুকরো করে ভেঙ্গে পড়ছে ইছামতি নদীতে। নদীর তীরের তলদেশ গভীর হওয়ায় যে কোন সময় বিশাল এলাকা নিয়ে কৃষি জমি নদীতে ধসে পড়ার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বালু উত্তোলনকারী হাবিবুল্লাহ জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান ও সদস্যদের অনুমতি নিয়ে মসজিদের জায়গা ভরাট করা হচ্ছে।

লতব্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফেজ মোঃ ফজলুল হক বলেন, বালু উত্তোলনে কোন অনুমতি দেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে কেউ ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করেনি। এর পরও কেউ যদি নদী থেকে বালু উত্তোলন করে থাকে তা অবৈধভাবেই করছে।

প্রকাশিত : ৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬

০৮/০২/২০১৬ তারিখের খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

দেশের খবর



শীর্ষ সংবাদ:
রোহিঙ্গা সমস্যার সৃষ্টি মিয়ানমারের ॥ সমাধান ওদের হাতে || বাবার ফেরার অপেক্ষায় পিতৃহারা অবোধ রোহিঙ্গা শিশুরা || বছরে রফতানি আয় বাড়ছে ৩ থেকে ৪ বিলিয়ন ডলার || চালের বাজারে স্বস্তি প্রতিদিন দাম কমছে || বিদ্যুতের পাইকারি দর ১১.৭৮ ভাগ বৃদ্ধির সুপারিশ || মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধ নির্ভর করছে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর || রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্য সেবায় ২৫ কোটি ডলার চেয়েছে বাংলাদেশ || আরও মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক || অপকৌশলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা, বিপুল অর্থ আদায় || জেলে মাদক ও মোবাইল ফোন ব্যবহার ॥ সারাদেশে দুই শতাধিক কারারক্ষী গোয়েন্দা নজরদারিতে ||