১৮ নভেম্বর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

ক্যাম্পাসে মানিয়ে নিতে...


০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে যে ছেলে বা মেয়েটির সঙ্গে আলাপ হলো, সে কিন্তু আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা নয়। তাকেই মনপ্রাণ সঁপে দিলে চোখের জল ফেলতে হবে পরে।

০ কলেজে যে পরিবেশে আপনি ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয় তার চেয়ে আলাদা। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিধি অনেক বড়। দুটোকে মেলাতে চাইলে মুশকিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনাকে অনেক বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

০ আপনি যতটা নমনীয়, প্রয়োজন পড়লে ঠিক ততটাই কঠিন হতে হবে। যে কোন পরিস্থিতি সামলানোর জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।

০ জড়তা ঝেড়ে ফেলে বন্ধু-বান্ধবীর সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন যে কোন বিষয়ে।

০ ছেলেদের ক্ষেত্রে কোন সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগবেন না। মেয়েরা মোটেও আপনাদের চেয়ে কম যোগ্য না।

০ মেয়েদের একটু বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। অনেক সময় এ্যাডভেঞ্চারার্স হতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনে অনেকে। সেই ভুল করবেন না।

র‌্যাগিং

০ র‌্যাগিংয়ের হাত থেকে বাঁচার প্রথম রাস্তা হলো, খুব স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করা। এছাড়া পোশাক, কথা বলার ধরন, স্বাভাবিক থাকতে হবে।

০ নিজের ক্লাসের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন। তাহলে সিনিয়ররা আপনাকে কব্জা করতে পারবে না।

০ যদি মনে হয়, আত্মসম্মানে লাগছে তাহলে প্রতিবাদ করাই শ্রেয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, যে সময় র‌্যাগিং করা হয় সে সময় ধারেকাছে এমন কেউ যেন না থাকেন যিনি সুবিধা নিতে পারেন। তাই তখন চেঁচামেচি না করে দলবেঁধে প্রতিবাদ করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

গ্রাম থেকে শহরে

বড় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে মফস্বলের অনেক শিক্ষার্থী। অভ্যস্ত জীবনধারা বদলে গেলে অনেকেরই এই প্রতিক্রিয়াগুলো হয়-

০ উদ্বেগ, হতাশা ও নৈরাশ্যজনিত মানসিক অবসাদ, রাগ, হীনম্মন্যতা।

০ হৈচৈ ও হট্টগোলপূর্ণ একটু অন্যরকম জীবনযাত্রার চাপ একদিকে, অন্যদিকে রয়েছে প্রবল প্রতিযোগিতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের প্রস্তুতি।

০ পুরনো বন্ধুদের কাউকেই প্রায় সঙ্গী হিসেবে পাওয়া যায় না। সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে বেড়ে ওঠা ছেলেমেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হয়। নতুন এই পরিস্থিতি অনেকের অজানা।

০ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সাধারণত সিনিয়রদের উপদেশ অনুযায়ী হাতেখড়ি হয় প্রেম ও পলিটিক্স।

০ টেনশনের আর একটা কারণ ভাষাগত সমস্যা।

০ হঠাৎ পাওয়া স্বাধীনতার অপব্যবহারটাই বেশি হয়।

করণীয়

০ রাজনীতি, নেশা ও অসৎ সঙ্গ থেকে দূরে থাকুন। বন্ধু নির্বাচনের সময় সাবধানী হোন।

০ প্রতিদিন রাতে ঠিক করুন পরের দিন কি কি করবেন। দিনের শেষে দেখুন কতটা পারা গেল।

০ প্রত্যেক বিষয়ে ১০০% নম্বরের দিকে লক্ষ্য রাখুন। কিন্তু সেটা অর্জন করতে না পারলে মুষড়ে পড়বেন না। এতে মনের ওপর বেশি চাপ পড়ে। লাইব্রেরিতে সময় দিন।

০ ইংরেজীর প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে।

০ বাড়ির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে শিক্ষকদের সাহায্য নিন।

আব্দুল মালেক

ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট

বর্তমান সময়ের চাহিদা সম্পন্ন বিষয় ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট। বিকাশমান পর্যটন শিল্পে দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই। চাইলে আপনিও পড়তে পারেন এ বিষয়ে। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কোর্স পরিচালনা করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএসডিআই) অন্যতম। এ প্রতিষ্ঠানটি কনফেডারেশন অব ট্যুরিসম এ্যান্ড হসপিটালিটি (সিটিএইচ), ইউকে-এর অধীনে ডিপ্লোমা ইন হোটেল ম্যানেজমেন্ট ও ডিপ্লোমা ইন ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ : বাড়ী-২, রোড-১২, মিরপুর রোড, ধানম-ি, ঢাকা। ফোন: ০১৭১৩৪৯৩২৪৩।

শিক্ষা পদ্ধতি : এ শিক্ষাব্যবস্থায় সিটিএইচ-এর তত্ত্বাবধানে ফাইনাল পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও উত্তরপত্র পরীক্ষিত হয় যুক্তরাজ্যে। এর যাবতীয় ক্লাস অনুষ্ঠিত হয় বিএসডিআই-তে।

সার্টিফিকেট : এ শিক্ষাব্যবস্থায় যুক্তরাজ্যের সিটিএইচ কর্তৃক ডিপ্লোমা/এ্যাডভান্স ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

ক্রেডিট ট্রান্সফার : যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের সহস্রাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে।

মান নিয়ন্ত্রণ : বিএসডিআইতে রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী। শ্রেষ্ঠ ফলাফল, পড়াশোনা ও যুক্তরাজ্যের পরীক্ষার মান নিয়ন্ত্রণের জন্য রয়েছে সিটিএইচ ও বিএসডিআই-এর একাডেমিক কাউন্সিলের তত্ত্বাবধান।

ভর্তির যোগ্যতা : যে কোন গ্রুপে এইচএসসি/এ লেভেল অথবা সমমান পাস করা ছাত্রছাত্রী প্রোগ্রামটি সম্পন্ন করতে পারবে।

খরচ : মাত্র ৬৯ হাজার টাকা যা সেমিস্টারভিত্তিক পরিশোধ করা যায়।

চাকরি সুবিধা : পাস করা ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিএসডিআই বিভিন্ন হোটেলে ইন্টার্নশিপসহ চাকরির সুবিধা প্রদান করে থাকে।

ক্যাম্পাস সুবিধা : বিএসডিআইতে রয়েছে ৩টি ভিন্ন ক্যাম্পাস, আধুনিক লাইব্রেরি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াইফাই ক্যাম্পাস জোন ব্যবহারের সুবিধা।

স্কলারশিপ সুবিধা : মেধাবী ও অসচ্ছলদের জন্য রয়েছে ডেফোডিল ফাউন্ডেশন কর্তৃক স্কলারশিপের সুবিধা। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও মেয়েদের জন্য রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপের সুবিধা।

ভর্তির সেশন : বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিএসডিআই) তে বছরে ৩টি সেশনে (জানুয়ারি, মে ও সেপ্টেম্বর) চাকরিজীবীরা সান্ধ্যকালীন শিফটে অংশগ্রহণ করতে পারে।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয়

প্রতিযোগিতা

ঢাকার মিরপুর সেনানিবাস্থ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বিজয় অডিটোরিয়ামে সম্প্রতি সেনাকল্যাণ সংস্থা এবং ট্রাস্ট ব্যাংক লি. এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় ব্যবসা, যোগাযোগ ও বিজ্ঞাপন তৈরির আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ‘ঈৎবঅউরাব-২০১৫’ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। বিইউপি কমিউনিকেশন ক্লাবের উদ্যোগে দেশের সরকারী ও বেসরকারী ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ৪৮টি দল অংশ নেয়। এদের মধ্যে ৬টি সেরা দল চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র টিম ‘জেনে সা কু’ দল। প্রথম রানার্সআপ ও দ্বিতীয় রানার্সআপ হয় যথাক্রমে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সেকেন্ড স্ট্রিং ও মাইন্ড ওভার মাইল্স’ দল।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক। তিনি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল শেখ মামুন খালেদ এসইউপি, পিএসসি, পিএইচডি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিইউপির কর্মকর্তা, ফ্যাকাল্টি মেম্বারস, ছাত্রছাত্রী ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে তারা যেন কর্মক্ষেত্রে অধিকতর দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে সেজন্য এ ধরনের বিজ্ঞাপন নির্মাণ প্রতিযোগিতার আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার হিসেবে দৈনিক প্রথম আলো, ঞযব ঋরহধহপরধষ ঊীঢ়ৎবংং, বাংলা ট্রিবিউন, চ্যানেল আই এবং রেডিও পার্টনার হিসেবে জধফরড় ঝঐঅউঐওঘ ৯২.৪ ঋগ. সার্বিক সহযোগিতায় ছিল।

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক

ক্যারিয়ার

হতে পারেন মার্চেন্ডাইজার

দ্রুত বিকাশমান শিল্পের মধ্যে গার্মেন্ট অন্যতম। দেশের অর্থনীতিতে গত কয়েক দশকে এ শিল্পের অবদান অতুলনীয়। গার্মেন্ট শিল্প বাংলাদেশের মোট জাতীয় রফতানি আয়ের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই আসে পোশাক শিল্প থেকে। এ শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ৭০ লাখ মানুষ। অর্থাৎ এ শিল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ শিল্পের অনেকগুলো কর্মক্ষেত্র রয়েছে। এর মধ্যে মার্চেন্ডাইজিং অন্যতম। চাইলে আপনিও ক্যারিয়ার গড়ুন এ পেশায়।

মার্চেন্ডাইজার ও মার্চেন্ডাইজিং কী : মার্চেন্ডাইজার পোশাক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। বিদেশী বায়ারদের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণ থেকে শুরু করে জাহাজীকরণ পর্যন্ত মূল কাজগুলো মার্চেন্ডাইজাররা করে থাকেন। পোশাক তৈরিতে যত রকম কাপড় ও এক্সেসরিজ যেমনÑ বাটন, জিপার, সুতা, লেবেল, টুইল টেপ, পলি, কার্টন, গামটেপ ইত্যাদি প্রয়োজন, তা দরদাম করে এলসির মাধ্যমে কেনা মার্চেন্ডাইজারের অন্যতম দায়িত্ব। মার্চেন্ডাইজিং পেশায় ন্যূনতম যোগ্যতাসম্পন্ন কোন মার্চেন্ডাইজারের মাসিক বেতন হতে পারে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা, যা যোগ্যতা অনুযায়ী এক থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ শিক্ষিত বেকার। কিন্তু পেশাগত কোন প্রশিক্ষণ না থাকায় তারা বিশেষ কোন পেশায় জড়িত হতে পারছেন না। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পূরণে আমাদের দেশের শিল্প মালিকরা বড় অঙ্কের টাকা খরচ করে বিদেশীদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিয়ে আমাদের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা মোটা অঙ্কের বেতনে নিজেকে এ পেশায় বিদেশীদের স্থলাভিষিক্ত করতে পারেন অনায়াসে। স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা সমমানের যে কোন ডিগ্রীধারী এ পেশায় প্রশিক্ষণ নিয়ে আধুনিক ও স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। অন্যদিকে মার্চেন্ডাইজিং শব্দের অর্থ বণিক বা ব্যবসায়ী। গার্মেন্ট বা বায়িং হাউসগুলোতে রফতানি ও আমদানি কাজে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক কেনাবেচায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করাই তাদের কাজ। আরও বিশদভাবে বলতে গেলে বিদেশী বায়ারদের কোন সুনির্দিষ্ট স্টাইলের ওপর প্রাইস অফার করা, প্রাইস এ্যাকসেপ্ট হলে চাহিদা অনুযায়ী কাপড় ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদি সরবরাহ করা এবং বায়ারদের অনুমোদন সাপেক্ষে তা যথাসময়ে জাহাজীকরণ করাই মূলত একজন মার্চেন্ডাইজারের কাজ।

কোথায় নেবেন প্রশিক্ষণ: পোশাক শিল্পের পণ্য রফতানির গোড়ার দিকে এদেশে তেমন কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল না। তবে গত ১০ বছরে গার্মেন্ট মালিক সমিতির (বিজিএমইএ) উদ্যোগে গড়ে উঠেছে বিআইএফটি নামের একটি প্রশিক্ষণ একাডেমি। দক্ষ মার্চেন্ডাইজার ও গার্মেন্ট টেকনিশিয়ান তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও কিছু মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে এমআইএফটি অন্যতম। এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠেছে বাংলাদেশ মার্চেন্ডাইজারস এ্যাসোসিয়েশনের তত্ত্বাবধানে। গড়ে উঠেছে ‘এমআইএফটি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন দেশের সেরা ও সিনিয়র মার্চেন্ডাইজাররা। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে আছেন গোলাম মাওলা। তিনি বলেন, মার্চেন্ডাইজিং করার জন্য দক্ষতা দরকার এবং এজন্য প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণ। এমআইএফটিতে যা শেখানো হয়, তা খুবই প্র্যাকটিক্যাল ও যুগোপযোগী। তাই এমআইএফটি থেকে এক বছরের ডিপ্লোমা ইন এ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং কোর্স শেষ করে অনেক শিক্ষার্থীই সাফল্যের সঙ্গে চাকরি করছেন।

যোগাযোগ : মেঘ হাউস (চতুর্থ তলা), শাহ্ মখদুম এভিনিউ, বাসা: ২০, সেক্টর: ১১, উত্তরা। ফোন : ০১৭১৬৬৭২৬৬৩।

মাঈন উদ্দিন

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বিদেশী শিক্ষার্থীদের

সঙ্গে একদিন

সাধারণত আমাদের দেশে শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়তে যেতে দেখা যায়। কিন্তু এখন অনেক বিদেশী শিক্ষার্থীও আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসছে। এর মধ্যে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেপাল, নাইজিরিয়া, জিবুতি ও ভুটানের ১২০ শিক্ষার্থী পড়ছে। তারা পড়ছেন টেলিকমিউনিকেশন, কম্পিউটার সায়েন্স ও বিবিএ-র মতো যুগোপযোগী বিষয়গুলোতে। এরই মধ্যে এ ক্যাম্পাসকে তারা আপন করে নিয়েছেন। সোমালিয়ার শিক্ষার্থীরা আগে বাংলাদেশ সম্পর্কে খুব একটা জানতেন না। যতটুটু জানতেন, তা-ও ইন্টারনেট ঘেঁটে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন শাখায় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এখন দেশী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের পদচারণায়ও মুখর।

শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের উত্তর জনপদ দিনাজপুরে প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৯৯৯ সালে একমাত্র কৃষি অনুষদ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এর ৮টি অনুষদের অধীনে ২২টি বিষয়ে ডিগ্রী দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশী বিদেশী মিলে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত করছে। গত বছর পর্যন্ত এখানে শুধু নেপাল থেকে ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসত কিন্তু বর্তমানে নেপালসহ আরও প্রায় ৪টি দেশ থেকে প্রায় ১২০ শিক্ষার্থী এ বছর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে নেপাল, দিবুতি, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া অন্যতম। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তারা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোকে বেশি পছন্দ করেছে এছাড়াও কিছু ডিভিএম, কিছু বিবিএতে ও কিছু কৃষিতে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় ১২০ বিদেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে। কয়েকজন বিদেশী শিক্ষার্থী বলেন, ক্যাম্পাসের আনন্দময় জীবনের সবচেয়ে বড় এবং সব সময়ের সঙ্গী হলো বন্ধুরা, যদিও নিজ দেশের স্কুল-কলেজের পুরনো বন্ধুদের ছেড়ে প্রথম কয়েকদিন ভিন্ন দেশে ভিন্ন পরিবেশে এসে মন খারাপ হয়েছিল। কিন্তু এখন সব ঠিক হয়ে গেছে।

মোঃ মাইনউদ্দিন সোহাগ