১৯ অক্টোবর ২০১৭,   ঢাকা, বাংলাদেশ   শেষ আপডেট এই মাত্র  
Login   Register        
ADS

শিশুর ক্যান্সার চিকিৎসায় বিজ্ঞানীদের সাফল্য


আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান শিশুদের ক্যান্সারের চিকিৎসায় বিরাট অগ্রগতি সাধন করেছে এবং কয়েক দশক আগের তুলনায় ৪ গুণ বেশি ক্যান্সার আক্রান্ত তরুণ রোগী এখন প্রাণে রক্ষা পাচ্ছে। রবিবার গবেষকরা একথা বলেন। যেসব শিশু ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকে তারাও আগের তুলনায় দীর্ঘজীবী হচ্ছে। আমেরিকান সোসাইটি ফর ক্লিনিক্যাল অনকোলজির (এএসসিও) বার্ষিক সভায় জরিপলব্ধ তথ্যে একথা জানা গেছে। খবর এএফপির।

কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ সাহায্যপুষ্ট চাইল্ডহুড ক্যান্সার সারভাইবার জরিপে ৩৪ হাজারেরও বেশি অংশগ্রহণকারীর রোগ বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জরিপটি পরিচালিত হয়। ১৯৭০ থেকে ১৯৯৯’র মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ৩১ হাসপাতালে ক্যান্সার নির্ণয়ের পর ৫ বছর কাল বেঁচে যাওয়া শিশুদের মধ্যে এই জরিপ হয়। মুখ্য জরিপ প্রণেতা এবং সেন্ট জুড চিলড্রেন্স রিসার্চ হসপিট্যালের শিশু ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ গ্রেগরি আর্মস্ট্রং বলেন, ৫০ বছর আগে ৫টির মধ্যে ১টি শিশু ক্যান্সার হলে বেঁচে যেত। আজ রোগ নির্ণয়ের ৫ বছর পরে ৮০ শতাংশেরও বেশি রোগী বেঁচে থাকে। তিনি বলেন, বেঁচে যাওয়া ক্যান্সারাক্রান্ত শিশুরা এখনও হৃদরোগের বর্ধিত ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতে দ্বিতীয়বার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার মুখোমুখি হতে পারে। তবে, অতীতের তুলনায় আরও পরিশীলিত ও কম যন্ত্রণার চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতি সাধিত হয়েছে। ‘এখন আমরা শুধু প্রাথমিক ক্যান্সারে আক্রান্ত অধিক শিশুদেরই বেঁচে থাকতে সাহায্য করছি না। বরং আমরা এই অত্যাধুনিক যুগে চিকিৎসার সার্বিক বিষাক্ততার মাত্রা হ্রাসের মাধ্যমে মোট আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি।’

বিশেষজ্ঞরা দেখতে পেরেছেন, রোগ নির্ণয়ের পাঁচ বছর পর যেসব শিশু বেঁচে থাকে তাদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ ১৫ বছরের মধ্যে মারা যেতে পারে। ১৯৭০-এর দশকের পর থেকে এটি বড় ধরনের উন্নতি। সে সময় ক্যান্সার হওয়ার ১৫ বছর পর শিশুদের মৃত্যুর হার ছিল ১২.৪ শতাংশ।